×
South Asian Languages:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন, 2010
২০১১ সালে সরকারের কাজে প্রাধান্যমূলক কর্তব্য হবে বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি, কাঁচামালভিত্তিক অর্থনীতি থেকে সরে আসা, সামাজিক সমস্যাবলির মীমাংসা, এবং শিল্পক্ষেত্রের বিকাশ. এ সম্বন্ধে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন সরকারের শেষ বৈঠকে. তাঁর কথায়, অর্থনীতির উত্পাদন শাখাগুলির বিকাশ করা দরকার এবং তার আধুনিকীকরণ চালিয়ে যাওয়া উচিত.
রাশিয়া ২১শতকের দ্বিতীয় দশকে পদার্পণ করছে দৃঢ় ও বিশ্বস্তভাবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে. এ সম্বন্ধে ক্রেমলিনে নববর্ষের সম্বর্ধনা সমারোহে বলেছেন রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ. তাঁর কথায়, "২০১০ সালে দেশ অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে বের হয়েছে যথাসম্ভব কম ক্ষতিতে". মেদভেদেভ জোর দিয়ে বলেন যে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ যার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পুরণের চেষ্টা করেছে, "কারণ প্রধান বিষয় হল – জনসাধারণের আস্থা না হারানো".
ঐতিহ্য মেনে প্রতি বারের মত এবারেও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাত্কারের সময়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক, রুশ মার্কিন সম্পর্ক, রাশিয়ার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের সম্ভাবনা ও জাতীয় মুদ্রা রুবলের আন্তর্জাতিক অবস্থান – এই সমস্ত প্রশ্নই প্রাথমিক ভাবে সরকারি তালিকাভুক্ত সাংবাদিকদের জন্য আগ্রহের বিষয় হয়েছিল.     এই ধরনের সাক্ষাত্কার সাধারণতঃ চায়ের কাপ বা শ্যাম্পেনের গ্লাস নিয়ে হয়ে থাকে.
রাশিয়ায় ফাটকাবাজির পুঁজি অন্যান্য উন্নয়নশীল বাজারের দেশের তুলনায় কম আসছে. এ সম্বন্ধে বলেছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী আলেক্সেই কুদ্রিন “ রস্সিয়া ২৪ ” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে.
একবিংশ শতাব্দীর বাস্তব নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রুশ রাষ্ট্রের কাজকর্মের দিককেই পরিবর্তিত করে দিয়েছে. এটাই নতুন আইনে খেয়াল করা হয়েছে, যা রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ স্বাক্ষর করেছেন.     ১৯৯২ সাল থেকে চলে আসা আইন বর্তমানের পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাচ্ছিল না.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ সমস্ত রাষ্ট্রীয় সংস্থার সামনে কর্তব্য় উথ্থাপন করেছেন রাশিয়ায় বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতির জন্য প্রণালীবদ্ধভাবে কাজ করার. তিনি জানান যে, বিগতপ্রায় বছরে রাশিয়ায় নিজেদের শেয়ার স্থাপন করেছে মাত্র ১৪টি কোম্পানি. মেদভেদেভের মূল্যায়ন অনুযায়ী, “ এতে গর্বের কিছু নেই ” . রাশিয়ায় বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি নিয়ে কাজ করবে রাষ্ট্রপতির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র বিকাশ সংক্রান্ত পরামর্শ পরিষদ.
খারাপ নয়. শেষ হতে চলা বছরে রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি সম্বন্ধে যে রকম মূল্যায়ণ করেছেন রাষ্ট্রপতি     দিমিত্রি মেদভেদেভ, তাকে এক কথায় এই রকমই বলা যেতে পারে. মূল বিষয় হল যে, সঙ্কটের পরিণতি অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে ও ভাল সম্ভাবনার দিকে বের হওয়া গিয়েছে, ২০১০ সালের অর্থনৈতিক উন্নতির বিষয় নিয়ে আয়োজিত অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এই ঘোষণা করেছেন.
২০১০ সালে রাশিয়ায় প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ চিল প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন, মঙ্গলবার বিদেশী বিনিয়োগ সংক্রান্ত কমিশনের বৈঠকে. তিনি এ আশা প্রকাশ করেন যে, “নিকট ভবিষ্যতে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে”. পুতিন বলেন যে, আগামী বছরে আইনবিধিতে একসারি সংশোধন আনার পরিকল্পনা আছে, যাতে স্ট্র্যাটেজিক শাখাগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের প্রবেশ সহজ হয়.
   রাশিয়া ও ভারত আবার বিশ্ব জনসমাজকে দেখিয়েছে, কিভাবে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত. দশ বছর আগে মস্কো ও দিল্লি আন্তর্জাতিক-বিধানিক ক্ষেত্রে স্ট্র্যাটেজিক শরিকানার উপলব্ধি চালু করেছিল.
গত দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের বাজারে খনিজ তেলের দাম হয়েছে সবচেয়ে বেশী. ব্যারেল তেল বিক্রী হচ্ছে ৯৫ ডলার করে. মার্কিন অর্থনীতির ইতিবাচক উন্নতির ইঙ্গিত পেয়ে বিনিয়োগ কারীরা আশাবাদী হয়েছেন. তাঁরা আশা করছেন উত্পাদনের উন্নতি হবে অন্যান্য দেশেও, যার ফলে "কালো সোনা"র চাহিদা বৃদ্ধি পাবে.     নববর্ষের সময়ে সাধারণতঃ তেলের দাম বাড়ে – এটা সবার জানা ঘটনা.
মস্কো উপকণ্ঠের স্কোলকোভো উদ্ভাবনী কেন্দ্র এই অনুদান পাচ্ছে. বাজেট থেকে এই পরিমান অর্থ দেওয়ার নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন. অর্থ উচ্চ প্রযুক্তি বিষয়ে বিনিয়োগের জন্য কাজে লাগবে, স্কোলকোভো কেন্দ্রের কাজ শুধুই সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, বরং আরও বেশী করে ব্যবসার কাজে লাগিয়ে এই গুলিকে উত্পাদন যোগ্য করা. কেন্দ্র জাতীয় অর্থনীতিতে আধুনিকীকরণের কাজে মূল ভূমিকা নেবে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ রুশ ও আমেরিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা সংক্রান্ত চুক্তিকে ২০১০ সালের একটি প্রধান ফলাফল হিসাবে নাম দিয়েছেন.
রাশিয়ার অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, শৈশবের সমস্যার সমাধান, গ্রীষ্মকালের দাবানল, স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা সংক্রান্ত চুক্তি এবং মহান বিজয়ের ৬৫তম বার্ষিকী – ২০১০ সালের পাঁচটি প্রধান প্রধান ঘটনা. এ সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ আজ বলেছেন রাশিয়ার প্রধান প্রধান টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে. প্রথমত, দীর্ঘকালীন, তবে অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা- অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে রাশিয়ার বের হওয়া.
রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ মনে করেন বিগতপ্রায় বছরে রাশিয়ার জন্য অন্যতম প্রধান ফল হল অর্থনৈতিক সঙ্কট অতিক্রমণ. শুক্রবার তিনটি ফেডারেল
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ আজ বিগতপ্রায় বছরের হিসেব-নিকেশ করবেন রাশিয়ার প্রধান প্রধান টেলি-চ্যানেলের প্রত্যক্ষ সম্প্রচারে. এই রূপে তিনি টেলি-সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেছেন প্রায় দশবার. ২০০৯ সালের গোড়ায় তিনি "দমিত্রি মেদভেদেভের সাথে কথাবার্তা" নামে অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ প্রকাশ করেন, যার কাঠামোতে প্রতি মাসে সবচেয়ে জরুরী প্রশ্নাবলি সম্পর্কে নিজের ব্যাখ্যা দেন.
মুম্বাই শহরে সফরে এসে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করেছেন. রাশিয়ার দেশ নেতা অংশতঃ উল্লেখ করেছেন যে, "ন্যাটো জোটের উচিত মস্কোর সঙ্গে রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্ত প্রশ্নে সহমত হওয়া.
২০১০ সালে অনুসন্ধানে পাওয়া রাশিয়ার সঞ্চিত খনিজ তৈলের পরিমান পঁচাত্তর কোটি টন ও গ্যাসের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক আট হাজার কোটি কিউবিক মিটারের ও বেশী.     এই তথ্য সমস্ত সন্দেহ বাতিক লোকের প্রশ্নের উত্তর হতে পারে, যারা প্রতি বছরই বলে চলেছে যে, রাশিয়াতে গ্যাসের সঞ্চয় এই শীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে আর খনিজ তেল আনতে হবে সমুদ্র পার থেকে.
রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে সুবিধাজনক স্ট্র্যাটেজিক সহযোগিতার স্তরে উন্নীত হতে পেরেছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ নয়া দিল্লী শহরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষ হওয়ার পরে এক যৌথ ঘোষণাতে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন. রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে নূতন সম্ভাবনাময় দিক প্রতি বছরের সাথেই আরও উদ্ভূত হচ্ছে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ সোমবার রাত্রে নয়া দিল্লীতে সরকারি সফরে এসে পৌঁছেছেন. মঙ্গলবার থেকেই রুশ দেশের প্রধান নয়া দিল্লী, আগ্রা, মুম্বাই ইত্যাদি জায়গায় সফর করবেন, যেখানে তিনি শুধু আলোচনাই নয়, বরং বিশ্বের একটি অন্যতম আশ্চর্য “তাজমহল” ও “ফিল্ম স্টুডিও বলিউড” দেখতেও যাবেন.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ভারতে তিন দিনের সফরে চলেছেন. সূচীতে রয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী প্রতিভা পাতিলের সঙ্গে আলোচনা ও সাক্ষাত্কার, প্রধানমন্ত্রী ও এমনকি বিরোধী পক্ষের নেতার সঙ্গেও সাক্ষাত্কার. এছাড়া রাশিয়ার দেশ নেতা আগ্রা শহরে একাধারে কবর স্থান ও মসজিদ "তাজ মহল" দেখবেন, মুম্বাই শহরে তাঁর কথা রয়েছে সেখানকার ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করার ও ভারতের বিখ্যাত সিনেমা স্টুডিও এলাকা "বলিউড" যাওয়ার.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2010
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2010
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31