×
South Asian Languages:
মাওবাদী, 2013

২০০৮ সালে নির্বাচনের সময়ে সাফল্যের পরে নেপালের মাওবাদী দল এবারে এমন এক পরিস্থিতিতে পড়েছে যে, তারা এবারে দেখাতে বাধ্য হবে যে, তারা শুধু জিততেই নয়, বরং সভ্য ভাবে হারতেও পারে. এই দেশে এ’সপ্তাহের পার্লামেন্ট নির্বাচন নেপালের মাওবাদী সংযুক্ত কমিউনিস্ট পার্টির জন্য খারাপ খবরই নিয়ে এসেছে. পুষ্প কুমার দহল, যাঁকে জনগন প্রচণ্ড নামে চেনেন, তাঁর অনুগামীরা একই সঙ্গে দেশের দুটি বামপন্থী দলের কাছেই হেরে গিয়েছে – একটা সমাজবাদী পার্টি “নেপালের কংগ্রেস” আর অন্যটা নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (সংযুক্ত মার্কসবাদী – লেনিনবাদী পার্টি). আর যদিও দেশের সাংবিধানিক সভার ৬০১টি আসন কিভাবে এবারে ভাগ হতে চলেছে, তা নিয়ে শেষ অবধি উত্তর পাওয়া যায় নি, তার উত্তর পাওয়া যেতে পারে স্রেফ সপ্তাহ দুয়েক বাদে, তবুও আজ সম্পূর্ণ রকমের আস্থা নিয়েই বলা যেতে পারে যে, নেপালের মাওবাদীদের আশায় ছাই পড়েছে. পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন আমাদের সমীক্ষক সের্গেই তোমিন. তিনি বলেছেন:

অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যকে ভেঙে দুভাগ করা নিয়ে ভারত সরকারের কয়েকদিন আগের সিদ্ধান্ত ও এই এলাকাতেই নতুন রাজ্য তেলেঙ্গানার সৃষ্টি ভারতীয় রাজনৈতিক জীবনকে একেবারে টলিয়ে দেওয়া চালু রেখেছে. এই রাজ্যেই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছে, আর তার বাইরে আপাততঃ ঐক্যবদ্ধ নানা রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিরা আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্যে খুবই সক্রিয় হয়েছে. সমস্ত ঘটে যাওয়া বিষয়কেই বলা হচ্ছে দেশের অখণ্ডতার বিরুদ্ধেই বিপদ বলে, যা আজ অবধি বহুত্বের মধ্যে ঐক্য নীতিতেই ভিত্তি করে ছিল.

     'ফিলিপাইন ডেইলি এনকয়ারার' সংবাদপত্র জানিয়েছে, যে দেশে ইদানীং সক্রিয় হয়ে ওঠা চরম বামপন্থীদের তথাকথিত গণ সেনাবাহিনীর সাথে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর বিশৃঙ্খল গুলি বিনিময়ে অন্তত ৩ জন সামরিক কর্মী নিহত ও ১ জন জখম হয়েছে.
ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে একটি প্রধান বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাওবাদী জঙ্গীরা, যারা দেশের কেন্দ্রীয় ও পূর্বের রাজ্যগুলিতে অধিক সক্রিয়. দেশে নিষিদ্ধ অতি বাম পন্থী সংগঠন সিপিআই (এমএল) দেশের জাতীয় কংগ্রেসের খ্যাতনামা এক সারি রাজনৈতিক নেতাদের উপরে অভূতপূর্ব হামলা করে হত্যা করার দায়িত্ব স্বীকার করেছে, আর যে ঘটনায় নিহত হয়েছেন ভারতীয় জাতীয় ইন্দিরা কংগ্রেস দলের ২৪ জন.
“গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপরে আক্রমণ” বলে নাম দিয়েছেন ছত্তিশগড় রাজ্যে নকশাল জঙ্গীদের আক্রমণকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ ও কংগ্রেস দলের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী. এই আক্রমণের ফলে ছত্তিশগড় রাজ্যে বস্তার অঞ্চলে কম করে হলেও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ২৪ জন আহত হয়েছেন. নিহতদের মধ্যে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের সভাপতি মহেন্দ্র কর্মা.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2013
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2013
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31