×
South Asian Languages:
দূর্ঘটনা, মে 2012
ইন্দোনেশিয়ায় রাশিয়ার সুখোই সুপারজেট-১০০ বিমানের দুর্ঘটনার জায়গায় প্যারামেট্রিক রেকর্ডিং বক্স খুঁজে পাওয়া গেছে, জানিয়েছেন অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজের দলের প্রতিনিধি. তাঁর কথায় সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নি. আগে জানানো হয়েছিল যে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কথা-রেকর্ডিং বক্স খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল ১৬ই মে. বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছিল ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে সালাক পাহাড়ের এলাকায় ৯ই মে প্রদর্শনমূলক উড়ানের সময়.
দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সাইবেরিয়ার আঞ্চলিক কেন্দ্র রবিবার জানিয়েছে, সাইবেরিয়ায় ২৩টি স্থানে আগুনের কবলে ৬২৫.১ হেক্টর বন জ্বলছে. ইতিমধ্যেই ৭টি আগুনের উপকেন্দ্র স্থানীয় করানো হয়েছে, এগুলির সবচেয়ে বড় ­– ২০০ হেক্টরের  তুভায়  আগুনের উপকেন্দ্র. অগ্নি নির্বাপণ কাজ করছে ৩০৭ জন আর ৪৬টি মেশিন.
পেরুর উত্তর সমুদ্র উপকূলে গত এপ্রিল মাসে প্রায় এক হাজার ডলফিনের মৃত্যু হয়েছে স্বাভাবিক কারণেই. এই মন্তব্য করেছেন সে দেশের শিল্পমন্ত্রী গ্লাদিস ত্রিভেনিও. তার কথায়, যে সব বিজ্ঞানীরা প্রয়োজনীয় গবেষণা করেছেন, তারা এই মতে পৌঁছেছেন. তাদের প্রস্তুত করা রিপোর্ট থেকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়, যে ডলফিনরা স্বাভাবিক বাছাইয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে.
 ইন্দোনেশিয়াতে ভেঙে পড়া সুখই সুপারজেট- ১০০ বিমানের প্রথম ব্ল্যাক বক্সের তথ্যোদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে রিয়া নোভস্তি সংস্থা রুশ – ইন্দোনেশিয়ার এই কাজের দলের প্রতিনিধির কাছ থেকে পাওয়া খবর বলে জানিয়েছে.
পথ দুর্ঘটনায় ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে ১৬ জন মারা গেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে আজ এক পথ দুর্ঘটনায় বাসের ১৬ জন যাত্রী নিহত হয়েছে, আরও প্রায় ২০ জন আগুনে পুড়েছে.  বাসটি প্রায় ৮০ জন মুসলিম তীর্থযাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার সময় সবেগে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে থাকা একটা মালবাহী ট্রাকে ধাক্কা মেরেছিল, যার পরে উভয় পরিবহন যানেই আগুন লাগে.
দেশের সব পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার কারণে জাপানের কেন্দ্রীয় সরকার সামনের গ্রীস্মে বিদ্যুত্শক্তি বাঁচানোর পরিকল্পনা গঠণ করেছে. আগামী গ্রীস্মে কল-কারখানায় ও গৃহস্থ বাড়িঘরে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ বিদ্যুত্শক্তির ব্যয় হ্রাস করার কথা. সরকারের নতুন নজরানা অনুরোধ ও সুপারিশমুলক.
 এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনের নিরাপত্তা বিষয়ে জাতীয় পরিষদের প্রধান তালাঙ্গ কুর্নিয়াদি. মঙ্গলবারে এই পরিষদ এক বিশেষ কমিশন তৈরী করেছে, যারা এই বিমানের ব্ল্যাক বক্স গুলির তথ্যোদ্ধারের কাজ করবে. তারই মধ্যে, বিমান ভেঙে পড়ার জায়গাতে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ করা চলছে ও এই ব্ল্যাক বক্স গুলির খোঁজ করা হচ্ছে.
নেপালে সোমবার একটি বিমান দুর্ঘটনায় অন্ততপক্ষে ১১ জন মারা গেছে, পাঁচ জন বেঁচে রয়েছে, জানিয়েছে চীনের “সিনহুয়া” সংবাদ এজেন্সি. পোখর শহর থেকে “আগ্রি এয়ার” বিমান কোম্পানির “ডর্নিয়ার” মার্কা বিমানটি যাত্রা করেছিল. জমসম শহরের বিমানবন্দরে নামার সময় বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে.
ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত রুশী বিমান ” সুখই সুপারজেট -১০০” এর ব্লাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে. দুর্ঘটনা স্থানের পাহাড়ের চূড়া থেকে অন্তত ৫০০ কিলোমিটার গভীরে এ ব্লাক বক্সের সন্ধান  মিলেছে. এ বিষয়ে আজ জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার যানবাহন বিষয়ক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান তাতাঙ্গ কারনিয়াদা. বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর উদ্ধারকার্যের ৫ দিন পর ব্লাক বক্সটি পাওয়া গেছে.
       রুশী বিমান ” সুখই সুপারজেট -১০০” ইন্দোনেশিয়ার যে স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখান থেকে পাইলটের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে. মস্কো সময় আজ দুপুর ২ টা পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে. বর্তমানে শুধু ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকর্মীরাই উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছেন. রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রনালয়ের উদ্ধারকর্মীরা যারা ইতিমধ্যে জাকার্তা পৌঁছেছেন তাঁরা বিলম্বে উদ্ধারকাজে অংশ নিবেন.
রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের দুটি পরিবহণ বিমান ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পৌঁছে দিয়েছে উদ্ধার-কর্মীদের, মনস্তত্ত্ববিদদের, এবং “সুপারজেট ১০০” বিমানের দুর্ঘটনার জায়গায় অনুসন্ধানী কাজের জন্য বিশেষ সাজ-সরঞ্জাম ও হেলিকপ্টার. প্রথম বিমানে আসা রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে বিপর্যয়ের জায়গায় পৌঁছেছেন. দ্বিতীয় বিমানে আসা “বো-১০৫” হেলিকপ্টার অকুস্থলে যাত্রার জন্য প্রস্তুত.
ইন্দোনেশিয়াতে “সুখই সুপারজেট -১০০” বিমান ভেঙে পড়ার জায়গায় উদ্ধার কার্য চালু রয়েছে. এর আগে হাসপাতালে নিহতদের দেহাবশেষ সমেত ১৬টি কন্টেনার পাঠানো হয়েছিল. এর মধ্যেই একটি দেহকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে.
    রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি সুসিলো বামবাঙ ইউদইনো দুই দেশের মিলিত ভাবে রাশিয়ার বিমান “সুখই সুপারজেট – ১০০” ভেঙে পড়ার কারণের তদন্ত করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছেন. শুক্রবারে ইন্দোনেশিয়ার সহকর্মীদের সাহায্য করতে মস্কো থেকে জাকার্তায় রুশ প্রজাতন্ত্রের বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের কুশলীরা উড়ে গিয়েছেন.
রাশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতিরা “সুখোই সুপারজেট ১০০” বিমানের দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করায় এবং অনুসন্ধান ও ত্রাণ অভিযান পরিচালনায়মিলিত প্রচেষ্টাচালানো সম্বন্ধে সমঝোতায় এসেছেন. ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে টেলিফোনে আলাপ হয়েছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, শুক্রবার জাকার্তায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান সুসিলো বামবাঙ্গ ইউদোইওনো. রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয় দুর্ঘটনা-স্থলে পাঠিয়েছে “সেন্ত্রোস্পাস” দলের উদ্ধার-কর্মী ও পর্বতারোহীদের, মনস্তত্ত্ববিদদের এবং অপারেটিভ দলকে.
        রাশিয়ার তদন্ত পরিষদ ইন্দোনেশিয়ায় “সুখই সুপারজেট- ১০০” বিমান বিপর্যয়ের ঘটনা নিয়ে এক ফৌজদারী মামলা শুরু করেছে. এছাড়া বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে এক আন্তর্জাতিক তদন্ত করার কথাও হয়েছে. সমস্ত বিশেষজ্ঞরাই একমত হয়েছেন যে, এই বিপর্যয়ের কারণ হয়েছে দুটি ঘটনার এক সাথে হওয়া: আচমকা আবহাওয়ার পরিবর্তন ও উড়ানের জন্য যথেষ্ট রকমের আয়োজন না থাকা.
ইন্দোনেশিয়ায় “সুখোই সুপারজেট-১০০” বিমানের দুর্ঘটনার জায়গায় কর্মরত উদ্ধার-কর্মীরা এখনও বেঁচে থাকা কাউকে খুঁজে পায় নি, বৃহস্পতিবার জানিয়েছে স্থানীয় টেলি-চ্যানেল “মেট্রো-টিভি”. কিছুক্ষণ আগে জানানো হয়েছিল যে, ইন্দোনেশিয়ার সামরিক কর্মীরা এ বিমান দুর্ঘটনার জায়গায় নেমেছে এবং নিহতদের দেহাংশ খুঁজে পেয়েছে. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন জাকার্তা বিমানবন্দরে গঠন করা বিপর্যয় কেন্দ্রের প্রতিনিধি.
ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধানী হেলিকপ্টারগুলি নিখোঁজ “সুখোই সুপারজেট-১০০” ভগ্নাংশ খুঁজে পেয়েছে. ইন্দোনেশিয়ার জাভাদ্বীপে উদ্ধার সেবা-ব্যবস্থার প্রতিনিধি কেতুত পারওয়া বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এ খবর সমর্থন করেছেন যে, বুধবার নিখোঁজ হওয়া সুখোই সুপারজেট-১০০ বিমানের ভগ্নাংশ খুঁজে পাওয়া গেছে. অনুসন্ধান চালানো হয় মাটিতে এবং আকাশ থেকে. ইন্দোনেশিয়ার টেলিভিশন সালাক পাহাড়ের এলাকায় বিমান ধ্বংসের জায়গার ফোটো দেখিয়েছে.
     ৬ই মে প্রশাসন বিরোধী মিটিংয়ে গণ বিশৃঙ্খলা বন্ধ করার চেষ্টা করতে গিয়ে প্রায় তিরিশ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন. তাদের মধ্যে চার জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে. তথাকথিত লক্ষ লোকের মিছিলে প্রায় আট হাজার লোক জড়ো হয়েছিলেন. তাঁরা শান্তিপ্রিয় ভাবে মিছিল করে ক্রেমলিনের কাছে বালোতনায়া স্কোয়ারে হাজির হয়েছিলেন ও সেখানে তাঁদের মিটিংয়ের কথা ছিল.
কয়েক হাজার জাপানী শনিবার রাস্তায় বেরিয়েছে সরকারের পারমাণবিক বিদ্যুত্শক্তি ব্যবহার ত্যাগ করার সমর্থনে এবং দেশে শেষ পারমাণবিক রিয়াক্টর বন্ধ হওয়া উদযাপনের জন্য. জাপানের বাসিন্দারা মিছিলে বের হয়েছিল “পারমাণবিক রিয়াক্টর – না” লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে এবং বিশাল এক মাছের ছবি নিয়ে, যা পারমাণবিক শক্তি ত্যাগ করার প্রতীক হয়ে উঠেছে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
মে 2012
ঘটনার সূচী
মে 2012
1
2
4
6
8
9
15
17
20
21
24
25
26
28
29
30