×
South Asian Languages:
দূর্ঘটনা, 25 জানুয়ারী 2011
রাশিয়ার বিমান বন্দর গুলিতে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের খবরে জানানো হয়েছে যে, সবাইকে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে প্রবেশ পথে. বাড়তি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে. বিমান বন্দরের ৫০ মিটারের মধ্যে গাড়ী পার্ক করা বা আসা বন্ধ. মস্কো ও বহু অন্যান্য শহরে রেল ও বাস পরিবহনের স্টেশন গুলিতেও পাহারা বাড়ানো হয়েছে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ দাভোস শহরের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগদান পেছিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সেখানে মূল বক্তৃতা দেওয়ার কথা, আর তিনি নিজে দোমোদিয়েদোভা বিমান বন্দরের সন্ত্রাসবাদী হানার তদন্তের কাজের নেতৃত্ব করছেন.     দেশের প্রধান অভিশংসক ইউরি চাইকা কে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব দিয়েছেন বিমান বন্দরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন গুলি পালিত হয়েছিল কি না তা পরীক্ষা করে দেখতে.
মস্কো ও মস্কোর উপকণ্ঠে প্রায় একশ জনেরও বেশী বর্তমানে নানা হাসপাতালে এই মূহুর্তে ভর্তি রয়েছেন. তাঁদের মধ্যে চল্লিশ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক. তাঁদের জীবনের জন্য চিকিত্সকেরা লড়াই করছেন, কিন্তু সব সময়ে চিকিত্সকদের আহত দের পরবর্তী অবস্থা সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী আশা ব্যঞ্জক হয় না. কিছু লোক হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মারা পড়েছেন. মঙ্গলবার সকালের আগে এই বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ দিলেন ৩৫ জন লোক.
গত ২০ বছরের মধ্যে এই প্রথম প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে গত এক বছরে বিশ্বে দুই লক্ষ ৯৭ হাজার মানুষের প্রাণ বিয়োগ হয়েছে, যা সব চেয়ে বেশী. রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে এই কথা বলা হয়েছে সোমবার. হাইতি দ্বীপে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রায় আড়াই লক্ষ লোক মারা গিয়েছেন. দ্বিতীয় স্থানে রাশিয়ার প্রবল গরম – যার ফলে রাষ্ট্রসংঘের হিসাব মতো প্রায় ছাপান্ন হাজার লোক মারা গিয়েছেন.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ কে টুইটার সাইটের মাধ্যমে দাভোসের অধিবেশন থেকে দোমোদিয়েদোভা বিমান বন্দরে বিস্ফোরণের সমবেদনা জানানো হয়েছে. "আমরা রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিকে মস্কোর দোমোদিয়েদোভা বিমান বন্দর সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের ঘটনায় আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি" – টুইটার সাইটে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের পাতায় এই কথা লেখা হয়েছে.
বান কী মুন খুব কড়া ভাবে এই বিস্ফোরণের পিছনে যারা আছে, তাদের ভর্ত্সনা করেছেন ও নিহতদের পরিবার বর্গকে সমবেদনা জানিয়েছেন. এই বিষয়ে নিউইর্য়কে মহাসচিবের সরকারি প্রতিনিধির সহকারী ফারহান হক রাষ্ট্রসংঘের সদর দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন.
সোমবারে সন্ত্রাসবাদের আক্রমণে যেখানে ৩০ জনেরও বেশী নিহত ও ১০০ জনেরও বেশী আহত হয়েছেন, সেই ট্র্যাজেডির জায়গায় প্রথম টাটকা ফুল নিয়ে মানুষ আসতে শুরু করেছে. আন্তর্জাতিক আগমন ভবনে, যেখানে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেই জায়গা ঘিরে রাখা হয়েছে, বহু মানুষ তার কাছে ফুল নামিয়ে রাখছেন.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2011
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2011
7
8
9
14
15
16
17
19
22
23
26
27
29
30