×
South Asian Languages:
নৌবাহিনী, মার্চ 2011
ত্রিপোলি শহরের দিকে লিবিয়ার বিদ্রোহীদের বিজয়ের রথ কাদায় আটকেছে. বুধবারে মুহম্মর গাদ্দাফির সামরিক শক্তির আঘাতে বিদ্রোহীরা দ্রুত রাস- লানুফ ও মার্স- এল- ব্রেগা ছেড়ে পালাচ্ছে. এর আগে তারা পালিয়েছে ভূমধ্যসাগরের আরও একটি বন্দর শহর বেন- ঝাওয়াদা থেকে.     প্রতিঘাত করার সময়ে সরকারি ফৌজ ট্যাঙ্ক ও কামান ব্যবহার করেছে, যার ফলে সশস্ত্র বিদ্রোহী পক্ষের যোদ্ধারা ভীত হয়ে উঠেছে.
লিবিয়ার বিদ্রোহী যোদ্ধারা আন্তর্জাতিক জোটের আগুনে সহায়তায় ভূ মধ্য সাগর উপকূলে পূর্বের পাঁচটি শহর জিতে নিয়েছে ও পশ্চিমে ত্রিপোলির দিকে এগিয়ে চলেছে. এই জয় বাস্তবে একটিও গুলি না করে করা সম্ভব হয়েছে. মুহম্মর গাদ্দাফির প্রতি অনুগত সেনারা পশ্চিমের বিমান বহরের ও সামুদ্রিক শক্তির সাঁজোয়া গাড়ী ও অস্ত্র ভাণ্ডারের উপর আঘাতের নীচে হঠে যাচ্ছে.
রাশিয়াতে জলদস্যূ প্রতিরোধ করার জন্য বিশেষ বাহিনী তৈরী করা হচ্ছে. ভারত মহাসাগরে দূরের এলাকায় বাণিজ্য জাহাজ প্রতিরক্ষার জন্য ২০১৩ সালে এই বাহিনী তৈরী হয়ে যাবে. দেশের সামরিক নৌবহরের দপ্তর থেকে যেমন বলা হয়েছে যে, এই নতুন জোটের জন্য কৃষ্ণ সাগরের বাহিনীর জাহাজ গুলি অংশ নেবে.
পশ্চিমের দেশ গুলির লিবিয়াতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ হঠাত্ করেই অনিয়ন্ত্রিত ভাবে করা হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে. যদিও আজ এক সপ্তাহ হতে চলল নির্বিচারে বোমা ফেলার, তবুও কোন একক নিয়ন্ত্রণ অথবা লক্ষ্যের বিষয়ে স্ট্র্যাটেজিক বোধ বর্তমানের কাজের ক্ষেত্রে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, শুধু রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে মুহম্মর গাদ্দাফি যাতে সরে যায়, তার ইচ্ছাই প্রকট.
রাশিয়ার পার্লামেন্ট ঘোষণা করেছে যে, লিবিয়াতে সামরিক শক্তি প্রযোগ করা চলছে বিনা বিচারে. "লিবিয়ার পরিস্থিতি" নামের এক বিজ্ঞপ্তিতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও তার বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে. রাশিয়ার পার্লামেন্ট সদস্যরা ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, কানাডা ও অন্যান্য দেশের পার্লামেন্টের সদস্যদের অবিলম্বে সামরিক শক্তি প্রযোগ বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সহায়তা করতে বলেছেন.
মঙ্গলবারে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি র বাস্তবায়ন করার জন্য তথ্য বিনিময় করবে. এই বিষয়ে চুক্তির একটি বিশেষ বাধ্যতামূলক দলিলে আগে থেকেই উল্লেখ করা হয়েছে.     তথ্য বিনিময় সম্বন্ধে নিয়ম দুই চুক্তিবদ্ধ দেশের কাছেই আগের চুক্তি অনুযায়ী খুব ভাল করেই করা রয়েছে, যার নাম ছিল প্রথম স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা নিয়ন্ত্রণ চুক্তি.
ভাগ্যের পরিহাসে, পশ্চিমের জোটের লিবিয়াতে সামরিক হানা শুরু হওয়ার দিন প্রায় একই সঙ্গে পশ্চিমের জোটের আরও একটি স্মরণীয় বর্ষপূর্তি দিবসের সাথে এক হয়েছে. ২০০৩ সালে ২০ শে মার্চ ইরাকে অনুপ্রবেশ শুরু হয়েছিল. জামাহিরি উদ্দেশ্যে প্রথম রকেট গুলি ছোঁড়া হয়েছিল ১৯ শে মার্চ. কিন্তু এটাই একমাত্র মিল নয়. এই বিষয়ের দিকে বহু পর্যবেক্ষক লক্ষ্য করেছেন.
মুহম্মর গাদ্দাফির প্রশাসন ও বিরুদ্ধ পক্ষের যোদ্ধাদের মধ্যে লড়াই শুধু যুদ্ধ ক্ষেত্রেই হচ্ছে না, সংবাদ মাধ্যমেও তা চলছে. প্রত্যেক পক্ষই দেশের পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মত প্রচার করছে: সরকার বলছে একটি মূল শহর এজ জাউইয়া দখল করেছে, আর বিরোধী পক্ষ বলছে যে, গাদ্দাফি মিথ্যা কথা বলছে. আর রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ তৈরী হচ্ছে লিবিয়ার প্রশাসনের বিরুদ্ধে নতুন সিদ্ধান্তের প্রকল্প বিচার করে দেখতে.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
মার্চ 2011
ঘটনার সূচী
মার্চ 2011
2
3
5
6
7
8
9
10
12
13
15
17
18
19
20
21
25
26
27
29
31