×
South Asian Languages:
অর্থনৈতিক এলাকা, জানুয়ারী 2012
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি স্বত্ত্বেও ইসলামাবাদ ইরান- পাকিস্তান গ্যাস পাইপ লাইন প্রকল্প থেকে হঠে যাবে না, এই ঘোষণা পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি মুখপাত্র আবদুল্লা বশিট করেছেন. বিষয় নিয়ে বিশদ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি  ভানেত্সভ. ইরানের থেকে পাকিস্তান গ্যাস পাইপ লাইন বসানো প্রকল্পের ভাগ্য খুব একটা সহজ নয়. গত শতকের নব্বইয়ের দশকেই এই নিয়ে কথা শুরু হয়েছিল.
প্রতিযোগিতায় সফল শিল্প সমূহের, যা নতুন প্রযুক্তির ভিত্তিতে কাজ করে সেই রকমের নতুন অর্থনীতি রাশিয়ার প্রয়োজন. এই বিষয়ে সোমবার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থী ভ্লাদিমির পুতিন ভেদোমস্তি সংবাদ পত্রের পাতায়. সামনে রাখা লক্ষ্য সাধনে প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি সমাধানও প্রস্তাব করেছেন. প্রথম বিষয়, যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলছেন, তা হল দেশের প্রযুক্তিগত ভাবে পেছিয়ে থাকাকে অতিক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে.
প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন মনে করেন যে, ওষধি নির্মাণ, উচ্চপ্রযুক্তি সহ রসায়ন, বিমান প্রযুক্তি শিল্প, ন্যানো প্রযুক্তি – ইত্যাদি ক্ষেত্রে রাশিয়া বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশ হওয়া উচিত্. তিনি “ভেদোমস্তি” সংবাদ পত্রের জন্য প্রকাশিত নিজের “আমাদের অর্থনৈতিক কর্মসূচী সম্পর্কে” নামের এক প্রবন্ধে এই সম্বন্ধে লিখেছেন.
রবিবারে ইরানের মন্ত্রী আহমেদ কালেখবানি এই রকমের ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন. ইউরোপীয় সঙ্ঘ ২৩ শে জানুযারী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও ইরানের খনিজ তেলের উপরে নিযেধাজ্ঞা বহাল করেছে, তারা ইরানকে নিজেদের জাতীয় পারমানবিক পরিকল্পনা সম্বন্ধে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট করে না দেওয়া ও বিশেষত তাদের এই ক্ষেত্রে সামরিক উদ্দেশ্য না জানানোর দোষে অভিযুক্ত করেছে.
মানব সভ্যতার শেষ জাগতিক ভান্ডার বলে মনে করা হয় আন্টার্কটিকা বা দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে. এই খানের জমি আবিষ্কার করা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে. রুশ সমুদ্র অভিযাত্রী লাজারেভ ও বেল্লিনসহাউজেন এই কাজ করেছিলেন. ১৯৫৬ সালে সেখানে প্রথম সোভিয়েত মেরু স্টেশন "মিরনী" খোলা হয়েছিল.
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদমেদেভ এশিয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার(এ্যাপেক)পরিচালকের দায়িত্ব দেয়ার জন্য রাশিয়ার নাম প্রস্তাব করেছিলেন।আগামী দিনের
রাশিয়া একক শুল্ক কাঠামোর অন্তর্গত থেকেই কাজাকিস্তান ও বেলারুশের সাথে এ্যাপেকভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে অবাধ বানিজ্যনীতি সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা
প্রধান ইউরোপীয় ব্যাঙ্কগুলি ইরানকে দানাশষ্য সরবরাহের জন্য সমস্ত রকমের আর্থিক লেনদেন বন্ধ করেছে, এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন ইউরোপীয় সঙ্ঘের বাণিজ্য সংক্রান্ত পরিষদের প্রতিনিধিরা. জানিয়েছে ইন্টারফ্যাক্স সংস্থা. এর ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাণিজ্য করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে. ইরানের ক্রেতারা চেষ্টা করছেন সরাসরি দাম দিতে, কিন্তু বড় মাপের দাম দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা করা যাচ্ছে না.
রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে এই খবর দেওয়া হয়েছে. আফগানিস্তান নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার এটি পঞ্চম সম্মেলন হতে চলেছে. ২৬ – ২৭ মার্চ এখানে নতুন রেল পথ নির্মাণ নিয়ে কথা হবে, যা মধ্য এশিয়াকে ইরান ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করবে আফগানিস্তানের মধ্য দিয়ে. এই খবর আগে জানিয়েছিলেন তাজিকিস্থানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এশিয়া ও আফ্রিকা বিভাগের প্রধান আর্দাশের কাদিরি.
এই প্রকল্প গুলির দাম বহু হাজার কোটি ডলারের সমান, এই খবর দিয়েছেন রাশিয়ার উপ অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী আন্দ্রেই স্লেপনেভ. সুদূর প্রাচ্যে সয়াবিন, ধান ও অন্যান্য দানা শষ্যের চাষ করা সম্ভব, যা জাপান, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে খুবই জনপ্রিয়. স্লেপনেভের কথামতো রাশিয়ার প্রস্তাব বর্তমানে পূর্ব দেশ গুলিতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে.
তেহরানে আইন গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে অবিলম্বে ইরানের খনিজ তেল ইউরোপীয় সঙ্ঘকে রপ্তানী করা বন্ধ হয়, এমনকি ইউরোপীয় সঙ্ঘের পক্ষ থেকে ১লা জুলাই থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরী হওয়া শুরুর আগেই. এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন ভ্লাদিমির সাঝিন.
ভারত ও পাকিস্তান তুর্কমেনিয়া থেকে আসা গ্যাসের ট্রানজিটের মূল্য বিষয়ে সমঝোতায় আসার কাছে পৌঁছেছে ও সম্মিলিত ভাবে স্ট্র্যাটেজি তৈরী করছে এই মধ্য এশিয়ার দেশের গ্যাস উত্তোলন খনি গুলিতে নিষ্কাশনের ও আমদানীর কাজের জন্য. এই বিষয়ে দিল্লীতে ভারতের খনিজ তেল ও গ্যাস মন্ত্রী জয়পাল রেড্ডী ও তাঁর পাকিস্তানের সহকর্মী আসিম হুসেইনের বৈঠকের পরে আয়োজিত যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়েছে.
চিন, ভারত ও মালয়েশিয়ার জ্বালানী নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক স্বার্থের উপরে নতুন বিপদ ঘনিয়েছে. দক্ষিণ সুদান খনিজ তেল আহরণ বন্ধ করেছে সুদানের রপ্তানী বন্দরগুলির সাথে ট্রানজিটের প্রশ্নে সমাধান হয় নি বলে. চিনের জাতীয় খনিজ তেল কর্পোরেশন (চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল কর্পোরেশন), মালয়েশিয়ার পেত্রোনাস কোম্পানী ও ভারতের অয়েল অ্যান্ড ন্যাচরাল গ্যাস কর্পোরেশন গত বছরের হেমন্ত কাল থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছিল.
খনিজ তেল রপ্তানীকারক দেশ গুলির সংস্থা ওপেক নিজেদের সদস্য দেশ গুলির স্বার্থ রক্ষাকেই মুখ্য মনে করে বলে রবিবারে ইরানের রাজধানীতে বর্তমানের সভাপতি ও ইরাকের খনিজ তেল মন্ত্রী আবদেল করিম আল- লুয়ৈবি ঘোষণা করেছেন. বর্তমান বছরে ইরাক এই সংস্থায় সভাপতিত্ব করছে. “ইরাক চেষ্টা করবে ওপেক সংস্থাকে কোন রাজনৈতিক খেলা থেকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করবে.
রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা চাঁদে যাবেন, সেখানে শীঘ্রই থাকার মতো স্টেশন তৈরী হবে. এর জন্য ২০২০ সালের মধ্যে চাঁদের উদ্দেশ্যে দুটি চাঁদের পিঠে নামার মতো “লুনা – রিসোর্স” ও “লুনা- গ্লোব” নামে মহাকাশযান পাঠানোর কথা হয়েছে. খবর জানিয়েছেন রসকসমস সংস্থার প্রধান ভ্লাদিমির পাপোভকিন. আজ থেকে বছর কুড়ি বাদেই মানুষ চাঁদে ছুটি কাটাতে যেতে পারবেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন.
২০১২ ও ২০১৩ সালের অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলার জন্য বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে।গতকাল শক্রবার জাতিসংঘ থেকে প্রকাশিত ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক
মস্কো শহরের ১৮ থেক ২১ শে জানুয়ারী "রাশিয়া ও বিশ্ব: ২০১২ – ২০২০" ফোরামে রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মচারী ও বিশেষজ্ঞ সমাজ বর্তমানের দশকে রাশিয়ার উন্নতির মডেল নিয়ে আলোচনা করছেন. এই সম্মেলনের এক আয়োজক, অর্থনীতি বিজ্ঞানে ডক্টরেট সের্গেই দ্রোবীশেভস্কি "রেডিও রাশিয়াকে" দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এই দেশের বিশ্ব অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যত ও সামনে উপস্থিত বিষয় গুলি সম্পর্কে নিজের ধারণা ভাগ করে নিয়েছেন.
২০১১ সালে রাশিয়ার পররাষ্ট্র নীতিতে এশিয়ার দিকে লক্ষ্যের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কাজকর্মের হিসাব নিকাশ দিতে গিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান সের্গেই লাভরভ বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, গত বছরে রাশিয়া বহুমুখী ও বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিকস কাঠামোর মধ্যে সম্পর্ককে মজবুত করতে পেরেছে, এশিয়ার নেতৃস্থানীয় দেশ গুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করেছে.
১৮ থেকে ২১শে জানুয়ারী মস্কোতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন "রাশিয়া ও বিশ্ব: ২০১২- ২০২০" চলছে. রাশিয়া ও বিদেশের বিশেষজ্ঞরা আগামী আট বছরের জন্য দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে প্রস্তাব রাখবেন ও আলোচনায় বসবেন.     এই ফোরামের প্রধান বিষয় হবে উদ্ভাবনী উন্নয়ন. রাশিয়াতে ভাল বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতি তৈরী করে দেওয়া, রাশিয়ার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গুলিকে মজবুত করা.
চিনের পরে ভারত এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের খনিজ তেলের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা মানতে অস্বীকার করেছে. এই দেশের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রতিনিধিরা ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের কাছ থেকে খনিজ তেল কেনা অব্যাহত থাকবে. নিউ দিল্লী তাদের মত সমর্থন করেছে এই যুক্তিতে যে, "রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ইরান সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা ভারতবর্ষ মানবে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2012
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2012
1
3
4
5
7
8
9
11
15
17
19
25
29
31