×
South Asian Languages:
সের্গেই লাভরভ, মে 2011
লিবিয়ার নেতা মুহম্মর গাদ্দাফি নিজের আইন সঙ্গত থাকা নিজেই নষ্ট করেছেন, আর প্রয়োজন হচ্ছে, তাঁকে চলে যেতে সাহায্য করা, মস্কো এই বিষয়ে মধ্যস্থতা করতেই পারে. এই বিষয়ে আজ দোভিলে রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন.
লিবিয়াতে হিংসার অবসান ঘটিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় শান্তি আনয়নের প্রয়োজন – মস্কোর এই অবস্থান উত্তর আফ্রিকার আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীক্ষ্ণ সঙ্কট গ্রস্ত দেশের সমস্যা সমাধানের জন্য. আর তা শুনেছে যেমন গাদ্দাফির শিবিরে, তেমনই বিদ্রোহীদের ঘাঁটিতে.     রাশিয়া এই প্রথম বলে নি যে, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের লিবিয়া সংক্রান্ত ১৯৭৩ নম্বর সিদ্ধান্তের ন্যাটো জোটের বাস্তবায়নের পদ্ধতিকে সমর্থন করতে পারছে না.
রাশিয়া যে এই সমর্থন করেছে, তা বলা হয়েছে মস্কো শহরে গতকাল দুই দেশের রাষ্ট্রপতির আলোচনার পরে যৌথ বিবৃতিতে. বিষয়টি বিশদ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.     পাকিস্তানের এই মনোভাবে রাশিয়া সমর্থন জানায় – এই কথা যদি চাঞ্চল্যকর নাও বলা যায়, তবে লক্ষ্যনীয় বলা ঠিক হবে.
লিবিয়াতে বর্তমানে যা ঘটছে, তা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজের কাঠামোর থেকে অনেক দূর বেরিয়ে গিয়েছে. মুহম্মর গাদ্দাফি ও তাঁর পরিবারের নিকট জনদের বর্তমানে আইন সঙ্গত ভাবে লক্ষ্য বানানোর প্রচেষ্টা – "এটা একেবারেই বাড়াবাড়ি", ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই লাভরভ. "জোট স্পষ্ট ভাবেই খোলাখুলি ভাবে বলছে যে, তাদের কাজ হল প্রশাসন পাল্টানো.
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের অতিরিক্ত ভাবেই আন্তর্জাতিক সামরিক জোট লিবিয়াতে শক্তি প্রয়োগ করাতে রাশিয়াও বিশ্ব সমাজের সঙ্গে সমানভাবে উদ্বিগ্ন হয়েছে. রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে এই কথা বলেছেন.
মস্কো থেকে লিবিয়াতে মানবাধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে. এই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার পক্ষ থেকে স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন নিরাপত্তা পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে ঘোষণা করেছেন. ন্যাটো জোটের সামরিক অপারেশনের সময়ে যে রকমের তুলনাহীণ শক্তি প্রয়োগ চালু রয়েছে, তাতে লিবিয়ার স্থানীয় জনসাধারন ও সামাজিক পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে প্রভূত পরিমানে.
ত্রিপোলি শহরের গাদ্দাফির বাসস্থানের উপরে শনিবার থেকে রবিবারের ভোর রাতে ন্যাটো জোটের বিমান থেকে বোমা ফেলে আক্রমণ করা হয়েছে. বোমার গায়ে মুহম্মর গাদ্দাফির ছোট ছেলে ২৯ বছর বয়সী সৈফ আল- আরব ও তিন নাতির মৃত্যু হয়েছে.    লিবিয়ার নেতা ও তাঁর কাছে থাকা স্ত্রীর কোন ক্ষতি হয় নি.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
মে 2011
ঘটনার সূচী
মে 2011
2
3
4
6
7
8
9
10
14
15
16
17
18
20
21
22
23
24
25
26
28
29
30
31