×
South Asian Languages:
মঙ্গল গ্রহ

সিঝান মহাকাশ উড়ান ক্ষেত্র থেকে “ইউইটু” চন্দ্রযান নিয়ে “চাঙ্গ-এ- ৩” মহাকাশ যানের সফল উড়ান হয়েছে. ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের পিঠে চন্দ্রযান ইউইটু অথবা “লাল খরগোশ বাগি” নেমে পড়বে, যাতে চাঁদের মাটির নমুনা নেওয়া সম্ভব হয় ও সেখানে প্রয়োজনীয় খনিজের সন্ধান করা যেতে পারে. এর পরের অধ্যায় হবে চিনের মহাকাশচারীদের চাঁদে যাওয়া, যা ২০২০ সালের পরে হতে পারে.

ভারত থেকে মঙ্গলগ্রহের দিকে ক্ষেপণ করা প্রথম "মার্স অর্বিটার" জোন্ড শুক্রবার নিজের ইঞ্জিন চালু করেছে, যাতে পৃথিবীর নিকটবর্তী কক্ষপথে উচ্চতা বাড়ানো যায়, জানিয়েছে ভারতের প্রচার মাধ্যম. 

মঙ্গলবারে ভারত উন্নয়নশীল দেশ গুলোর মধ্যে প্রথম নিজেদের গবেষণার জন্য উপগ্রহ মঙ্গলগ্রহের দিকে পাঠিয়েছে. মঙ্গলের কৃত্রিম উপগ্রহ মঙ্গলযানের সফল উড়ান সেই বিরল ঘটনার একটি হয়েছে, যখন ভারতের পক্ষে সম্ভব হয়েছে চিনকে টপকে যাওয়ার – এই কথা উল্লেখ করেছেন রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজি ও প্রযুক্তি বিশ্লেষণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ভাসিলি কাশিন.

ভারত মঙ্গলগ্রহ পরীক্ষা করার জন্য প্রথম মহাকাশ যান “মঙ্গলযান” পাঠাতে সক্ষম হয়েছে. দেশের দক্ষিণের সমুদ্রতীরের এক দ্বীপের মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবারে এই যাত্রা শুরু হয়েছে. ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই যান রক্তিম বর্ণের এই গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ও তার আবহাওয়া পরীক্ষা করতে শুরু করবে. সাফল্য এলে ভারত রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সঙ্ঘের সঙ্গে যোগদান করবে, যাদের পক্ষে মঙ্গল অভিযান করা সম্ভবপর হয়েছে.

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মঙ্গলবার মঙ্গলগ্রহের দিকে বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক জোন্ড সম্বলিত রকেট ক্ষেপণ করেছে.

    'নাসা' মঙ্গল গ্রহে ২০২০ সালে পাড়ি দেওয়ানোর উদ্দেশ্যে প্রথম আট জন আমেরিকানকে বাছাই করলো. 'নাসা' প্রচারিত কম্যুনিকে এই সম্পর্কে জানাচ্ছে.     আট জন সৌভাগ্যবান ও সৌভাগ্যবতীদের মধ্যে চার জন নারী ও চার জন পুরুষ. সফল প্রার্থীরা দেড় বছর ধরে কঠিনতম মনস্তাত্বিক ও শারিরীক পরীক্ষা দিয়ে গেছেন এবং মেডিক্যাল বোর্ডের বিভিন্ন টেস্ট অতিক্রম করেছেন.
তারার সাথে ৭১ ঘন্টা একাকী বসবাস আর পৃথিবীর কক্ষপথে ৪৮ বার প্রদক্ষিণ । হ্যাঁ, ভালেন্তিনা তেরেশকোভার কথা বলছি ।
    আজকের দিনে মহাকাশ যানের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকারী প্রযুক্তির মান উঁচুমাত্রার মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয়তা থেকে মানবচালিত মহাকাশযানকে রক্ষা করতে পারবে না. বৃহস্পতিবার ক্যালিফোর্ণিয়া স্টেটের প্যাসাডিনে রি-এ্যাকটিভ মোশান ল্যাবরেটরিতে নাসার বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন. মঙ্গল গ্রহ পরিব্রাজক 'কিউরিওসিটি'র লোহিত গ্রহ অভিমুখে উড়ানের সময় পরিমাপক যন্ত্র থেকে ভূপৃষ্ঠে পাঠানো মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয়তার মান বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন.
২০২৩ সালে কিছু লোককে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে রাখা হবে বলে মার্স ওয়ান নামক প্রকল্পে একসাথে দশ হাজারেরও বেশী চিনে লোক নাম দিয়েছিল. তা স্বত্ত্বেও তাদের মধ্যে এখন এই প্রকল্প সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ জেগেছে.
রসকসমস ২০১৫ সাল থেকে মহাজাগতিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পাঠানো শুরু করবে চাঁদের ঠিকানায়, তারপরে সেখানে শিবির ও মানমন্দির স্থাপণ করা হবে. শুক্রবার ‘রাশিয়া-২৪’ টেলিচ্যানেল থেকে এই কথা জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান ভ্লাদিমির পপোবকিন. বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, যে চাঁদের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জল আছে, তা যাচাই করে দেখা দরকার. ২০১৫-২০১৬ সাল থেকে রাশিয়া চাঁদে উড়ান শুরু করবে.
মঙ্গলগ্রহ সূর্যের আড়ালে হেলে পড়ার দরুন সেখানে পদব্রাজক রোবট ‘কিউরিওসিটি’র যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে. বিরতি চলবে মে মাসের শুরু পর্যন্ত. এই গোটা সময়টায় কিউরিওসিটির ডেকে শুধুমাত্র দুটি যন্ত্র কাজ করবে – আবহাওয়া স্টেশন রেমস, যে মঙ্গলগ্রহে তাপমাত্রা, চাপ ও আর্দ্রতার মান সংগ্রহ করে ও রাড নামক ডোজমিটার, যা সেখানে তেজস্ক্রিয়তার মান সংগ্রহ করে.
আসন্ন কয়েক দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে চীন ও রাশিয়া সহ একসারি দেশের কাছ থেকে বিপদের হুমকির সম্মুখীন হবে. মার্কিনী জাতীয় গোয়েন্দা দপ্তরের বার্ষিক রিপোর্টে আধুনিককালের বিপদের প্রসঙ্গে এই বক্তব্য পেশ করেছেন দপ্তরের প্রধান জেমস ক্ল্যাপার. তার কথায়, অন্যান্য দেশ মহাকাশে আমেরিকার আধিপত্য স্বীকার করে ও নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি গড়ছে.
চিন একমাত্র বৃহত্ রাষ্ট্র, যারা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়. কিন্তু এই বছরে চিন, মনে হচ্ছে, এটাকে সবচেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছে. এই বছরের গ্রীষ্মে চিনের তিনজন তাইকোনট (মহাকাশচারী) চিনের থেকে পাঠানো কক্ষপথে থাকা স্টেশন “আকাশ প্রাসাদ” বাসযোগ্য ও সাজানো গোছানো করতে যাবেন.
মহাকাশ থেকে বিপদের হুমকি নিয়ে খবর পাওয়া গিয়েছে – আরও একটি গ্রহাণু অত্যন্ত কাছ দিয়ে যাবে, উল্কা পাতের খবর খুবই ভয় পাইয়ে দেওয়ার মতো নিয়মিত ভাবেই আসতে শুরু করেছে. এই রকমই একটি শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর দেওয়া যাক. আগামী বছরের অক্টোবর মাসে মঙ্গলগ্রহের সঙ্গে ধাক্কা খেতে পারে এক বড় ধুমকেতু.
১৫ই ফেব্রুয়ারী রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরের কাছে উল্কা পতনের সম্বন্ধে প্রতি নতুন দিনই নতুন সব ধারণা নিয়ে আসছে. বিজ্ঞানীদের থেকে সাংবাদিক বা রাজনীতিবিদরাও পিছিয়ে নেই. কেউ বলছেন এক সুকৌশলে করা বিশ্বজোড়া যঢ়যন্ত্র নিয়ে আবার কেউ কেউ বলছেন এটা নতুন প্রজন্মের কোন খুবই চালাকি করে তৈরী করা অস্ত্র পরীক্ষা হয়েছে.
মহাকাশ থেকে আসা বিপদের মোকাবিলা করার জন্য গ্রহ প্রতিরক্ষা কেন্দ্রের সাত বছরের বেশী সময় লাগবে না ব্যবস্থা তৈরী করতে. এখনই বিজ্ঞানীদের কাছে রয়েছে অন্তত চব্বিশ রকমের ঘটনা পরম্পরার বিবরণ, যা দিয়ে আমাদের গ্রহকে উল্কা ধুমকেতু ও অন্যান্য বিপজ্জনক মহাকাশের বস্তুর হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব.
নাসার বিশেষজ্ঞরা মঙ্গল গ্রহ পরিব্রাজক রোবট কিউরিওসিটির ড্রিল যন্ত্র সফলভাবে নিরীক্ষা করেছেন. এবার সেটা ঐ গ্রহের ভূমির নমুনা সংগ্রহ করার জন্য তৈরী. তারপরে কিউরিওসিটিতে বসানো স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষাগারে তা অধ্যয়ন করা হবে. ড্রিল করার সময় যে ধুলো জমা হবে, তা পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা হবে. কিউরিওসিটির আয়ু ২ বছরের জন্য নির্ধারিত. এই সময়ের মধ্যে রোবটটি মঙ্গল গ্রহের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ অধ্যয়ন করবে.
দুই লক্ষ কোটি রুবলের বেশী (প্রায় ৬৪৫ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশী) রাশিয়ার ২০১৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নেওয়া মহাকাশ প্রকল্প গুলিতে ব্যয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে রসকসমস সংস্থার ওয়েবসাইটে খবর দেওয়া হয়েছে. এই অর্থের প্যাকেজে ধরা হয়েছে বাজেট বহির্ভূত বিনিয়োগ গুলিকেও, বলা হয়েছে খবরে.
আমেরিকার বিজ্ঞানীদের একটি দল সাহারা মরুভূমিতে এমন একটা মঙ্গলগ্রহের উল্কার টুকরো আবিস্কার করেছে, যার বয়স ২০০ কোটি বছরের বেশি. পাথরটার ওজন ৩২০ গ্রাম. ওটাকে খুঁজে পেয়েছিল বেদুইনরা মরক্কোর ভূখন্ডে ও তারপরে মার্কিনী বিজ্ঞানকেন্দ্রকে সেটা বিক্রি করে দিয়েছিল. গবেষকদের মূল্যায়ণ অনুযায়ী মঙ্গলগ্রহ থেকে স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক অভিযাত্রী ‘কিউরিওসিটি’ গ্রহপৃষ্ঠের যেসব নমুনা পাঠিয়েছে গতবছর, এই পাথরটি তার অনুরূপ.
বিশ্বের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত করেছেন বছরের দশটি প্রধান বৈজ্ঞানিক উন্নতির উদাহরণ. বাস্তবে তার প্রায় প্রত্যেকটিতেই সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে রুশী মানুষরা. তা মঙ্গল গ্রহে মহাকাশযান কিউরিওসিটি সফল ভাবে নামানই হোক আর অথবা পরীক্ষা মূলক ভাবে সেই বহু দিন আগে সোভিয়েত পদার্থবিদ্যায় বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী ছায়া পথের গতির হিসাবই হোক.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
নভেম্বর 2017
ঘটনার সূচী
নভেম্বর 2017
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30