×
South Asian Languages:
টিউনিশিয়া, নভেম্বর 2012
ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনের হামাস গোষ্ঠীর লোকরা এখনও শান্তি স্থাপন নিয়ে কোনও চুক্তিতে আসতে পারছে না. আরও বেশী করেই তারা বাইরের খেলোয়াড় দলে টানছে. প্যালেস্টাইনের লোকদের স্বার্থ দেখছে ইজরায়েল ও টিউনিশিয়া. আর কাতারের আমীর ঘোষণা করেছে যে, আরব বসন্তের পরে জোট বদ্ধ মুসলিম বিশ্বের উচিত্ এবারে ইজরায়েলকে কড়া জবাব দেওয়া. কিন্তু গাজা সেক্টরে বিরোধের থেকে প্রধানতঃ লাভবান হতে চলেছে ইরান.
তিউনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাফিক আবদুল সালাম শনিবার এক সংক্ষিপ্ত সফরে গাজা আসেন. ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ গাজাবাসীদের প্রতি সহানুভূতি জানানোর জন্যই তিনি গাজা আসেন. সেখানে দেওয়া এক বক্তৃতায় আবদুল সালাম ইসরাইলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানান এবং এ ঘটনাকে তিনি মানবাধিকার লংঘন বলে উল্লেখ করেন. উল্লেখ্য, মিশরের প্রধানমন্ত্রী হিশাম কান্দিলের গাজা সফরের পরের দিনই তিউনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় আসেন.
মিশরের দৃষ্টান্ত অনুযায়ী টিউনিশিয়াও গাজা অঞ্চলে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠাবে. আগে জানানো হয়েছিল যে মিশরের প্রধানমন্ত্রী হিশাম কান্ডিল সেখানে যাবেন সরেজমিনে পরিচিত হতে চান পরিস্থিতির সাথে. মিশরে ও টিউনিশিয়ায়, যেখানে জয়লাভ করেছে “আরব্য বসন্ত”, ক্ষমতায় এসেছে ইস্লামিক মহলের লোকেরা, যাদের মতাদর্শ “হামাসের” কাছাকাছি. উভয় দেশই ইস্রাইলী অভিযানের শুরু থেকেই প্যালেস্টাইনীদের পক্ষে ছিল.
সমস্ত রকমের সম্ভাব্য সামরিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ, রক্তপাত ও নাগরিকদের হত্যা, যুদ্ধের নিয়মও ভঙ্গ করা ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘণ – এই সবই গত দেড় বছর ধরে লিবিয়াতে চলছে. গণতন্ত্রের প্রতীক, যেটির জন্য মুহম্মর গাদ্দাফিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বর্তমানে তা হয়েছে মুখে দাড়ি ও হাতে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র সমেত লোক, যে যথেচ্ছ চারদিকে গুলি বর্ষণ করছে.
আবু জিহাদ ইজরায়েলের হাতেই নিহত হয়েছে, বলে জানিয়েছে ইজরায়েলের সংবাদ মাধ্যম. বহুদিন ধরেই ইজরায়েলকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্দেহ করা হচ্ছিল কিন্তু সামরিক সেন্সর শুধু এই বৃহস্পতিবারেই ১৯৮৮ সালে টিউনিশিয়া দেশে করা এক গুপ্ত অন্তর্ঘাতের তথ্যের উপর থেকে “গোপনীয়তার বন্ধন” তুলে নিয়েছে.
টিউনিশিয়ার রাষ্ট্রপতি মনসেফ আল-মারজুকি দেশে প্রায় দু বছর ধরে বলবত্ জরুরী পরিস্থিতির ব্যবস্থা ২০১৩ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত প্রলম্বন করেছেন. এ সম্বন্ধে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় তথ্য এজেন্সি “টি.এ.পি” এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সাংবিধানিক অ্যাসেম্বলির অধিকর্তার সাথে পরামর্শের পর, দেশে বিদ্যমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি উপলক্ষে.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
নভেম্বর 2012
ঘটনার সূচী
নভেম্বর 2012
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
17
19
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30