×
South Asian Languages:
গ্রেট ব্রিটেন, জুন 2013
পশ্চিম ও আরব রাষ্ট্র গুলি সকলে মিলে সাহায্য করলেও বাশার আসাদের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগামী কয়েক বছর ধরে পেরে উঠবে না বিরোধী পক্ষের জঙ্গীরা, এই রকমের ঘোষণা করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান দামাস্কাসে. তাঁর মতে পশ্চিমের তরফ থেকে অস্ত্র সরবরাহ খালি এই দেশে রক্তক্ষয় বৃদ্ধি করবে.
আমেরিকার বিশেষ পরিষেবার কর্মী হিসাবে এডওয়ার্ড স্নোডেন এমন কিছু খবর রাখতো, যা গণ প্রজাতান্ত্রিক চীনের জাতীয় নিরাপত্তার মুখ্য প্রশ্নগুলিকে স্পর্শ করে. তার হংকংয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরে প্রকাশ করে দেওয়া তথ্য হয়েছে বাস্তবিক ভাবেই চাঞ্চল্যকর.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালিবান আন্দোলনের মধ্যে সরাসরি আলোচনা বাকী রাখা হয়েছে. এই পিছিয়ে দেওয়ার কারণ হয়েছে আফগানিস্তানের সরকারি পক্ষের উল্টো পথে চলার জন্য, যারা শান্তি প্রক্রিয়াতে নাম ভূমিকায় থাকতে চেয়েছে. আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়াতে আরও একটি তৃতীয় পক্ষ রয়েছে, যারা নিজেদের এইখানে প্রচার না করা ভূমিকাকেই মনে করে থাকে মুখ্য বলে. তা হল পাকিস্তান.
     কূটনীতির মুখ্য কর্তব্য - দেশেদের মধ্যে বিরোধের নিরসন. এই শুভ লক্ষ্য সাধন করার জন্য সব উপায়ই গ্রহণযোগ্য, এমনকি গোপনও. রুশী কূটনীতিজ্ঞদের মধ্যে বহু এমন ডাকসাইটে ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যারা অবধারিত যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করেছেন. তাদেরই অন্যতম গ্রাফ সিমিওন ভোরোন্তসোভ ১৭৮৫ থেকে ১৮০৬ সাল পর্যন্ত গ্রেট ব্রিটেনে রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষা করেছিলেন.
সিরিয়ার পরিস্থিতিকে আলোচ্যের কেন্দ্রীয় বিষয়ে রেখে উত্তর আয়ারল্যান্ডে “বৃহত্ অষ্টদেশের” শীর্ষ সম্মেলনকে সফল বলা যেতে পারে. অন্তত পক্ষে মস্কোর মতে, বিশ্বের নেতৃস্থানীয় রাষ্ট্র গুলির এই দেশের সঙ্কট অবসান নিয়ে দৃষ্টিকোণ এবারে অনেকটাই কাছাকাছি হয়েছে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন লখ-এর্ন শীর্ষ সম্মেলনের পরে বলেছেন যে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান সের্গেই লাভরভ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব জন কেরি সিরিয়াতে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাধানের নীতি সংক্রান্ত প্রধান কাজ নিজেদের দায়িত্বে করবেন.
    রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিনী রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ৩রা-৪ঠা সেপ্টেম্বর মস্কোয় পরবর্তী শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হওয়া মনস্থ করেছেন. উত্তর আয়ার্ল্যান্ডে 'জি-৮'-এর চত্বরে তাদের দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাতের পরে প্রকাশিত প্রচারবার্তায় এই খবর পরিবেশন করা হয়েছে. আগামী শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের গঠণমুলক দিকগুলির ভিত মজবুত করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে.
উত্তর আয়ারল্যান্ডে সিরিয়ার সঙ্কট ‘জি-৮’ শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনের আলোচ্য তালিকায় একটি মুখ্য স্থান নিয়েছে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি এই প্রশ্ন শুধু দ্বিপাক্ষিক ভাবে আলোচনার সময়ে ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের নেতাদের সঙ্গেই তোলেন নি, তিনি এই নিয়ে আলোচনা করেছেন বড় পরিসরেও – ‘জি-৮’ দেশের সমস্ত নেতাদের সম্মিলিত ভাবে অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সান্ধ্যভোজের সময়েও.
উত্তর আয়ারল্যান্ডের লখ-এর্ন শহরে সোমবার থেকে বৃহত্ অষ্টদেশের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে. রেডিও রাশিয়ার সাংবাদিকের দেওয়া খবর অনুযায়ী এই দুই দিন ব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে বিশ্ব অর্থনীতির প্রশ্নাবলী নিয়ে ও আলোচনা দুই দিনই হবে.
পাকিস্তানের স্রষ্টার মৃত্যুর ৬৫ বছর পরে এই দেশ আজ কি ইমেজ তৈরী করেছে, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন করে জ্বলে উঠেছে. এক অভূতপূর্ব দুষ্কর্মের ঘটনা, “বেলুচিস্তান মুক্তি বাহিনী” নামের চরমপন্থী গোষ্ঠী ঘটিয়েছে. বিচ্ছিন্নতাবাদীরা “পরিচ্ছন্ন ঐস্লামিক রাষ্ট্রের” স্থপতি মহম্মদ আলি জিন্নার বাস ভবন জ্বালিয়ে দিয়েছে.
    লন্ডনে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, যে সিরিয়ায় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে না. রোববারে তিনি গ্রেট ব্রিটনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সাথে আলাপচারিতায় মিলিত হয়েছিলেন. যুগ্ম সাংবাদিক সম্মেলনে জেমস ক্যামেরন বুঝিয়ে দিয়েছেন, যে সিরিয়ায় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহের কোনো অভিপ্রায় তার দেশের ছিল না.
রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন গ্রেট ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উত্তর আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আগামী বৃহত্ অষ্ট দেশের শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে লন্ডন শহরে হওয়া এক বৈঠকে সিরিয়ার বিরোধ নিয়ে মুখ্যতঃ আলোচনা করেছেন. সিরিয়ার বিষয়ে উভয় নেতাই একমত যে, অনেক গুলি মতবিরোধ অতিক্রমের প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু রাশিয়া ও ব্রিটেনের লক্ষ্য একটিই – রক্তক্ষয় বন্ধ করা.
ব্রিটেনের সংবাদপত্র দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট নিজস্ব উত্স থেকে পাওয়া খবর হিসাবে এই সংবাদ প্রকাশ করেছে. বলা হয়েছে যে, সিরিয়া যাবে চার হাজার ইরানী সেনা. সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের গেই নেওয়া হয়েছিল. এই নির্বাচনে জিতেছেন মধ্যপন্থী হাসান রোহানি.
সৌদী আরবের প্রশাসন পরিকল্পনা করেছে সিরিয়ার জঙ্গীদের জন্য ইউরোপীয় সঙ্ঘে বানানো জেনিথ রকেট ব্যবস্থা পাঠানোর. এই বিষয়ে রবিবারে সংবাদ প্রকাশ করেছে জার্মানীর সাপ্তাহিক পত্রিকা স্পীগেল, তারা উত্স হিসাবে উল্লেখ করেছে জার্মানীর গুপ্তচর বিভাগের এক গোপনীয় দলিলের. প্রকাশনা উল্লেখ করেছে যে মাটি থেকে আকাশে ছোঁড়ার উপযুক্ত রকেট ব্যবস্থা ম্যানপ্যাড নীচু দিয়ে ওড়া বিমান ধ্বংস করতে পারে.
“আমরা আমাদের মতবিরোধ পার হতে পারি, যদি স্বীকার করি, যে পরিণামে ঐক্যবদ্ধ সমাধানের দিকেই যেতে চাই: বিরোধের অবসান ঘটানো, সিরিয়াকে টুকরো হয়ে যেতে না দেওয়া, সিরিয়ার মানুষের হাতেই সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দেওয়া, তাদের কে শাসন করবে. আমরা রাষ্ট্রপতি পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেছি, কি করে বৃহত্ অষ্টদেশের ব্যবস্থাকে এই সমস্ত সমাধান করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে”, বলেছেন ক্যামেরন.
“খুবই আশা করছি যে, জি৮ এর মঞ্চে আলোচনা ইতিবাচক ভূমিকা নেবে”, বলেছেন গ্রেট ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে আলোচনার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে পুতিন. ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ডেভিড ক্যামেরনের আলোচনার সময়েই শুধু সিরিয়া প্রধান বিষয় হয় নি, তা আগামী জি৮ শীর্ষ বৈঠকেরও প্রধান আলোচ্য হবে ও রুশ প্রজাতন্ত্র এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের আলোচনার সময়েও হতে চলেছে.
       রাষ্ট্রসংঘের করা হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীতে সব খাদ্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ জঞ্জালে ফেলা হয়. তার উত্পাদনের পেছনে বিশাল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যার অনেক কিছুই পূরণ করা কষ্টসাধ্য. প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য রাষ্ট্রসংঘ মানুষকে "ভাবো - খাও - রক্ষা করো" - এই মূলনীতি পালন করার ডাক দিচ্ছে.
সিরিয়ার বিরোধীপক্ষ দেশের রাষ্ট্রপতি বাশার আসদের সম্পূর্ণ পদত্যাগের গ্যারান্টি ছাড়া সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো আলাপ-আলোচনা চালাবে না. এ সম্বন্ধে বুধবার “বি.বি.সি” রেডিওতে বলেছেন বিরোধীপক্ষের সর্বোচ্চ সামরিক পরিষদের প্রধান সেলিম ইদ্রিস. এইভাবে, “বি.বি.সি” উল্লেখ করেছে যে, এ মাসে জেনেভায় সিরিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের পরিপ্রেক্ষিত ক্রমেই বেশি অনির্দিষ্ট হয়ে উঠছে.
পারমানবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবারে নিজেদের চিরাচরিত দিক পরিবর্তন করতে শুরু করেছে এশিয়ার দিকে সরে গিয়ে. এশিয়াতে সবচেয়ে বেশী গণহত্যার অস্ত্র স্টকহোমের আন্তর্জাতিক বিশ্ব সমস্যা গবেষণা ইনস্টিটিউটের রিপোর্ট অনুযায়ী আয়ত্ত্ব করেছে চিন. নিজেদের পক্ষ থেকে ভারত, পাকিস্তানের সঙ্গে পারস্পরিক বিরোধে নিরত অবস্থায় আরও একটি বাস্তব সমস্যা সমাধান করতে বাধ্য হয়েছে – চিনের হুমকি নিরাকরণ করাতে.
পৃথিবীর ৬০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি সোমবার অস্ত্র ব্যবসার আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে. বিশেষ করে তা স্বাক্ষর করেছে গ্রেট-বৃটেন, ফ্রান্স ও ফেডারেল জার্মানি. এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া তা স্বাক্ষর করে নি. এ চুক্তি বলবত্ হবে, যদি তা অনুমোদন করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদস্য ৫০টি দেশ.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
জুন 2013
ঘটনার সূচী
জুন 2013
1
6
7
8
9
10
12
13
14
15
22
23
26
27
28
29
30