×
South Asian Languages:
সিরিয়া, 12 এপ্রিল 2012
সিরিয়া নিকট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আসার প্রতীক্ষায় রয়েছে, যারা হিংসাত্মক ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করা নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আরব রাষ্ট্র লীগের বিশেষ প্রতিনিধি কোফি আননের পরিকল্পনা সব পক্ষের দ্বারা পালন নিয়ন্ত্রণ করবে. এ সম্বন্ধে বৃহস্পতিবার বৃটিশ “স্কাই নিউজ” টেলি-চ্যানেলের প্রত্যক্ষ সম্প্রচারে বলেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারী প্রতিনিধি জিহাদ মাকদেসি.
সিরিয়া সঙ্কটের নিয়ন্ত্রণের সময় সীমা, ইরানের পারমানবিক পরিকল্পনা ও কোরিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলে উত্তেজনা উদ্রেক কারী পরিস্থিতি – ওয়াশিংটনে জি ৮ গোষ্ঠীর দেশ গুলির পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক রাজনীতির মুখ্য সমস্যা গুলি নিয়ে নিজেদের অবস্থান সময়োপোযোগী কি না তা আলোচনা করে দেখেছেন. এই বৈঠক ছিল “জি ৮” শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতির জন্য সবচেয়ে বড় অধ্যায়.
সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ যদি অগ্নি সংবরণের চুক্তি পালন না করে, তাহলে গ্রেট-বৃটেন বিরোধীপক্ষের প্রতি সমর্থন বাড়াতে এবং দামাস্কাসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার দাবি করতে চায়. এ সম্বন্ধে বৃটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেছেন ওয়াশিংটনে. তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সে ক্ষেত্রে তাঁর দেশ দামাস্কাসের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত ও নিষেধাজ্ঞা গ্রহণের জন্য চেষ্টা করবে.
চীন সিরিয়ার সরকারের দেওয়া অগ্নি সংবরনের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানাচ্ছে ও বিরোধীপক্ষের কাছেও অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বাণ জানাচ্ছে. আজ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রচারিত ঘোষণায় এই কথা বলা হয়েছে. চীনের আশা এই, যে দামাস্কাস বাস্তবেই সিরিয়ায় সংকট মোচনের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ ও আরব রাষ্ট্রলীগের বিশেষ দূত কোফি আন্ননের প্রচেষ্টাকে মদত যোগাবে. বেইজিং আরও আশা করে, যে সিরিয়ায় সমস্যার রাজনৈতিক মীমাংসার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে.
সিরিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আরব রাষ্ট্র লীগের বিশেষ প্রতিনিধি কোফি আননের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার পরিকল্পনা অনুযায়ী সিরিয়ায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ( গ্রীনউইচ সময় অনুযায়ী রাত ৩টায়) অগ্নি সংবরণের ব্যবস্থা বলবত্ হয়েছে. এর প্রাক্কালে সিরিয়ার সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, দেশে তথাকথিত “সশস্ত্র বিরোধীপক্ষের” বিরুদ্ধে সমস্ত সামরিক অভিযান বন্ধ করা হবে.
ইয়ান তস্জেচি, এস এম. কৃষ্ণ ও সের্গেই লাভরভ আগামী ১৩ই এপ্রিল মস্কো শহরে বৈঠকে যোগদান করবেন, এই খবর দেওয়া হয়েছে রুশ কূটনৈতিক দপ্তর থেকে, তিন দেশের এই বৈঠকে আলোচনা হবে গত ২০১০ সালের উ-খান শহরের বৈঠকের পরে কি কাজ হয়েছে, আর তার পরে ঠিক করা হবে পরবর্তী সময়ের জন্য কি পরিকল্পনা নেওয়া হবে এই কাঠামোতে সহযোগিতার জন্য.
এপ্রিল 2012
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2012