×
South Asian Languages:
সামরিক, 26 জুন 2012
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বেথলেহেম শহরে প্যালেস্তিনীয় জাতীয় প্রশাসনের নেতা মাখমুদ আব্বাসের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ও সেখানে রুশ বিজ্ঞান সংস্কৃতি কেন্দ্র উদ্বোধনে অংশ নিয়েছেন. ভ্লাদিমির পুতিন নিকট প্রাচ্যে সফর করছেন. জেরুজালেম থেকে তিনি বেথলেহেম শহরে এসেছেন.
সম্ভবতঃ বিশ্বে খুব একটা বেশী জায়গা পাওয়া যাবে না, যেখানে সূর্য প্রায় সারা বছর ধরেই আলো করে রাখে. এই রকমের একটি আকর্ষণীয় জায়গা হল পারস্য উপসাগরের এলাকা. কিন্তু বিগত ছয় মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার উপসাগরের সবচেয়ে সংকীর্ণ সামুদ্রিক এলাকা – খরমুজ প্রণালীর উপরের আকাশে রাজনৈতিক আবহাওয়া খারাপ হচ্ছে.
সিরিয়ার দ্বারা ধ্বংস করা তুরস্কের ফাইটার বিমান ন্যাটো জোটের প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপ ঘটায় নি, কারণ জোট যুদ্ধের ক্ষতির ভয় পাচ্ছে সিরিয়ার সুবিকশিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য. এ সম্বন্ধে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন রাশিয়ার সামাজিক সভার সদস্য, রাজনৈতিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর সের্গেই মার্কোভ. বিশেষজ্ঞের কথায়, জোট তাছাড়া ভয় পাচ্ছে রাডিক্যাল ইস্লামপন্থীদের শাসন ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনার.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সিরিয়ার বিরোধীদের সাহায্যের ক্ষেত্র আলাদা করে বেছে নিয়েছে.মার্কিনরা সাহায্য করছে অস্ত্র দিয়ে, দুটি আরব রাজতন্ত্র – অর্থ দিয়ে, আর তুরস্ক নিজেদের এলাকা দিয়ে. এই ধরনের সমঝোতার অস্তিত্ব অনেকদিন আগেই অনুমান করা হয়েছিল, কিন্তু শুধু এখনই এই বাস্তব একটা সমর্থন পেয়েছে.
তুরস্ক জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আবেদনপত্র পাঠিয়েছে, যেখানে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী কতৃক তাদের বিমান ধ্বংসের ঘটনাকে ঐ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে হুমকি বলে উল্লেখ করা হয়েছে. ঐ আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, যে বিমানটিকে ভূপাতিত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক আকাশে. আবেদনপত্রে তুরস্ক সিরিয়ার তীব্র নিন্দা করে বলেছে, যে বিমানের উপর গোলা চালানো তুরস্কের সার্বভৌমত্বের পক্ষে হুমকি.
জুন 2012
ঘটনার সূচী
জুন 2012