×
South Asian Languages:
পাকিস্তান, এপ্রিল 2011
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সমস্ত দেশকে একত্রে পারমানবিক সন্ত্রাসের মোকাবিলা করার আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত বহাল করেছে. এই দলিল তৈরী করার কাজে সাতটি দেশ অংশ নিয়েছে, তার মধ্যে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে. এই দলিলে বিশেষ কমিটিকে আরও দশ বছর কাজ করার মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা কালো বাজার কে লক্ষ্যে রাখে ও সেখানে গণহত্যার অস্ত্র আসাকে নিরোধ করে.
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চল – বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র বিন্দু. ইস্লামাবাদে এ মত প্রকাশ করেছেন উচ্চপদস্থ মার্কিনী সামরিক অধিনায়ক অ্যাডমিরাল মাইকেল ম্যাল্লেন. তিনি বলেন যে, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে বহু সংখ্যক সন্ত্রাসবাদী দল. তা ওয়াশিংটনে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ জাগাচ্ছে, উল্লেখ করেন ম্যাল্লেন. তাঁর কথায়, পাকিস্তানের ঐক্যবদ্ধ গোয়েন্দা বিভাগ “আই.এস.
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ তাঁর প্রধান কাজ হিসাবে ভারত – পাকিস্তান সম্পর্ক স্বাভাবিক করাকে আখ্যা দিয়েছেন. তিনি বলেছেন – "আমার পদত্যাগ করার আগে, আমি মনে করবো যে, আমার কাজ ভাল করে করা হয়েছে, যদি ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে". বিষয়টিকে বিশদ করেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.
পাকিস্তানে ২০১০ সালে মার্কিনী ড্রোনের আঘাতের শিকার হয়েছে ৯৫৭ জন. এ সম্বন্ধে জানানো হয়েছে পাকিস্তানের মানব অধিকার সংক্রান্ত কমিশনের রিপোর্টে. বেশির ভাগ লোক নিহত হয়েছে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের উপজাতিগুলির এলাকায়, সেখানে মারা গেছে ৮০২ জন. আফগানিস্তানের সাথে সীমান্ত অঞ্চলে আকাশ থেকে ড্রোনের আক্রমণ ওয়াশিংটন ও ইস্লামাবাদের মাঝে গুরুতর বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে.
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রজা গিলানী আশ্বাস দিয়েছেন যে, ইস্লামাবাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিরাপদ রয়েছে. তিনি “রাশিয়া টু-ডে” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন, “আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচি যথেষ্ট নিরাপদ”. তাঁর কথায়, পারমাণবিক কর্মসূচির পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ সাধিত হচ্ছে আইনবিধি ও সংবিধান কঠোরভাবে পালন করে. আমি নিজে এ কাজের নেতৃত্ব করছি. আমাদের দেশে এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সুগঠিত.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোরান পোড়ানো আফগানিস্তানকে বিস্ফোরিত করেছে. "আমেরিকা মুর্দাবাদ!", "ওবামা মুর্দাবাদ!" স্লোগান দিয়ে আমেরিকা বিরোধী মিছিল হয়েছে আফগানিস্তানের দশটি রাজ্যে. শুক্রবারে মাজারি শারীফে মিছিল শুরু হয়েছিল. সেখানে আমেরিকার কোন রাজদূতাবাস বা প্রতিনিধি দপ্তর নেই, তাই রাষ্ট্রসংঘের দপ্তরের উপরেই মিছিল আক্রমণ করেছিল. সাতজন কর্মী খুন হয়েছেন. আহতদের মধ্যে দপ্তরের প্রধান রাশিয়ার পাভেল এরশভ আছেন.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011
1
2
3
5
6
7
8
9
10
11
12
13
16
17
19
20
22
23
24
25
26
27
28
29
30