×
South Asian Languages:
লিবিয়া ও আরব বিশ্ব

সিরিয়া সঙ্কট সমাধানের জন্য “জেনেভা – ২” আন্তর্জাতিক সম্মেলনের শুরু হতে আর এক মাসের কম সময় রয়েছে. কিন্তু এখনও কারা অংশগ্রহণ করবে তা ঠিক হয় নি. বিরোধী পক্ষ ঠিক করে উঠতে পারছে না সুইজারল্যান্ডে কি নিজেদের প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে, আর তা যদি হয়, তবে ঠিক কাকে. আর ইরানের যোগদান নিয়ে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও সমঝোতায় পৌঁছতে পারছে না.

২০১০ সালের ২৪শে ডিসেম্বর টিউনিশিয়ার সিদি-বুজিদে প্রথম বেন আলির প্রশাসনের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান ঘটেছিল, যা “আরব বসন্তের” শুরু করেছিল. হাতে গোনা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় দুটি প্রশাসনকে জনতার ঝড় ধুয়ে দিয়েছিল, যে দুটিই বহুদিন ধরে পশ্চিমের খুবই ভরসার জোটসঙ্গী হয়ে ছিল.

তারপরে ঘটনাচক্র দিক পরিবর্তন করেছে, আর ছড়িয়ে পড়েছে সেই সমস্ত দেশের উপরে, যাদের বেন আলির টিউনিশিয়া বা হোসনি মুবারকের ইজিপ্টের সঙ্গে খুব কমই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে মিল ছিল. “আরব বসন্ত” তারপরে ১৮০ ডিগ্রী দিক পরিবর্তন করেছে.

পশ্চিমে বর্তমানে একটা ধারণা তৈরী হয়েছে যে, বাশার আসাদের শক্তি জয়ী হওয়া – সিরিয়াতে সম্ভাব্য সমস্ত ঘটনা পরম্পরার মধ্যে সবচেয়ে ভাল. ইউরোপীয় ও আমেরিকার সরকারি নেতারা আপাততঃ সরাসরি এই বিষয়ে কথা বলছেন না, কিন্তু সিরিয়ার বিদ্রোহীদের দিকে সহায়তা ক্রমশ কমিয়ে দিচ্ছে. তারই মধ্যে দামাস্কাস পরিকল্পিত ভাবেই নিজেদের রাসায়নিক অস্ত্রের ভাণ্ডার ধ্বংস করার কাজ করে চলেছে. এই প্রক্রিয়া নিরাপদে করার কাজে সাহায্যের আশ্বাস তাদের দিয়েছে রাশিয়া.

সিরিয়াতে বিশেষ ভাবে রাসায়নিক অস্ত্র বহনের উপযুক্ত রুশ মালবাহী গাড়ীর প্রথম দফায় পাঠানো দল পৌঁছে গিয়েছে. এই দেশের এলাকায় থাকা বিষাক্ত পদার্থের ভাণ্ডার থেকে এবারে লাতাকিয়া বন্দরে পাঠানোর কাজ শুরু হতে চলেছে, সেখানে এই বিষাক্ত পদার্থ জাহাজে চড়ানো হবে.

প্রথমে ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সবচেয়ে বিপজ্জনক রাসায়নিক অস্ত্র সিরিয়া থেকে ৩১শে ডিসেম্বরের আগেই নিয়ে যাওয়া হবে. এই প্রসঙ্গে সেগুলো বন্দরে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব থাকবে সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর. কিন্তু দামাস্কাসের কাছে এই ধরনের দায়িত্বপূর্ণ কাজ করার মতো প্রয়োজনীয় গাড়ী নেই. কারণ বিষাক্ত বস্তু বিপজ্জনক ও তা সাধারণ মালবাহী গাড়ীতে চড়ানোর উপায় নেই. তার ওপরে এই ধরনের পদার্থের পরিমাণ প্রায় ১৩০০ টন. এই ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলে ও বিশেষ রকমের যন্ত্রপাতি না থাকলে তা করা অসম্ভব, এই রকম মনে করেই রিসি নামক প্রতিরক্ষা গবেষণা সংক্রান্ত কেন্দ্রের প্রধান গিওর্গি তিশ্যেঙ্কো বলেছেন:

সিরিয়ার জাতীয় বিরোধী ও বৈপ্লবিক জোট এই প্রথম ইরানের “জেনেভা-২” সম্মেলনে যোগদানের সম্ভাবনা মেনে নিয়েছে. এটাও সত্যি যে, তারা নিজেদের সহমত হওয়ার ব্যাপারে খুব একটা স্পষ্ট করে না দেওয়া শর্ত দিয়ে ঘোষণা করেছে.

সিরিয়াকে ঘিরে “জেনেভা -২” সম্মেলনের ভবিষ্যত নিয়ে মন্তব্য করেছেন সমীক্ষক ভ্লাদিমির সাঝিন.

সিরিয়ার বিরোধী গোষ্ঠীগুলো, যাদের পশ্চিমে মনে করা হয়েছে মধ্যপন্থী বলেই, তারা এবারে সিরিয়াতে গেরিলা ফ্রন্ট তৈরী করেছে, যাতে বেশী সফল ভাবে “ঝেভাত-আন-নুসরা”, “ঐস্লামিক ফ্রন্ট” ও “ইরাক ও লেভান্তে এলাকায় ঐস্লামিক রাষ্ট্রের” বাহিনীদের জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয়. এই নিয়ে তুরস্কের সংবাদপত্র হুরিয়ত খবর দিয়েছে. এই ধরনের পদক্ষেপ বিরোধীরা নিয়েছে গত সপ্তাহে সিরিয়ার স্বাধীন সেনাবাহিনীর অস্ত্র ও রসদের ভাণ্ডার ঐস্লামিকেরা দখল করে নেওয়ার পরে ও তার পরেই সেই বাহিনীর প্রধান সলিম ইদ্রিস দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরে.

পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে জড়ো হয়ে এই সপ্তাহে ঐস্লামিক সহযোগিতা সংস্থা ২২শে জানুয়ারী ২০১৪ সালে “জেনেভা- ২” আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজনকে সমর্থন জানিয়েছে আর ঠিক করেছে যে, বিরোধীদের এই সংস্থায় সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করতে দেবে না. এই বিষয়ে জানিয়েছেন “রিয়া নোভস্তি” সংস্থাকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া জাখারভা.

ভূমধ্য সাগরীয় এলাকায় নিরপেক্ষ জলসীমায় সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র বিষমুক্ত করা হতে চলেছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র “কেপ রে” নামের জাহাজে এই অস্ত্র নষ্ট করে ফেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে. রবিবারে এই নিয়ে হোয়াইট হাউসের সরকারি প্রতিনিধি খবর দিয়েছেন. মস্কো এই অপারেশনের প্রস্তুতিতে সহায়তা করছে. রাশিয়াতে সামরিক বিষাক্ত পদার্থ নষ্ট করে ফেলার জন্য বহুদিন আগে থেকেই হাইড্রোলাইসিস প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অল্প কিছুদিন আগেও রাসায়নিক অস্ত্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়ে থাকত.

দামাস্কাসে রাশিয়ার দূতাবাসে গোলাবর্ষণ – এটা সন্ত্রাসবাদ, ঘোষণা করা হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলি মনে করিয়ে দিয়েছে কূটনৈতিক মিশনের অস্পৃষ্টতার বিষয়ে ও সমস্ত দোষীদের বিচারের আহ্বান করেছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে করা সরকারি ঘোষণাতেও বলা হয়েছে যে “কোন রকমের আন্তর্জাতিক আইন সঙ্গত ব্যক্তি ও জায়গার উপরে আক্রমণ অপরাধ” ও তার সমালোচনা করা হয়েছে.

সিরিয়াতে বিরোধের সময়ে এগারো হাজারের বেশী শিশুর অকাল মৃত্যু হয়েছে. এই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা অক্সফোর্ড রিসার্চ গ্রুপ. বেশীর ভাগ শিশুর মৃত্যু হয়েছে গোলা ও বোমা বিস্ফোরণে. প্রায় হাজার খানের বাচ্চাকে গুলি করে মেরেছে স্নাইপার জঙ্গীরা, আর প্রায় একশ জন অল্প বয়সী অত্যাচার সহ্য করে উঠতে পারে নি. আপাততঃ সিরিয়াতে চলছে এক সশস্ত্র যুদ্ধ, সেখানে বাচ্চাদের ও নিরীহ মানুষদের নিহত হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়ে উঠছে না.

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ভূমিতে নষ্ট করা নিয়ে সহমতে আসা সম্ভব হচ্ছে না. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার বিশেষজ্ঞরা এবারে তা সমুদ্রে নষ্ট করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন. নিরপেক্ষ জলসীমা কতখানি বিষাক্ত দ্রব্য নষ্ট করার জন্য উপযুক্ত জায়গা, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন “রেডিও রাশিয়ার” বিশেষজ্ঞরা.

রাশিয়াতে ইতিবাচক মনে করা হয়েছে যে, সিরিয়ার বিরোধী পক্ষদের জাতীয় জোটের তরফ থেকে মস্কো শহরে পরামর্শের জন্য আসা. এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই লাভরভ. তিনি এর আগে এই জোটের কাছে যোগ্য আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন.

লাভরভ উল্লেখ করেছেন যে, “আমরা এই আমন্ত্রণের প্রতিক্রিয়া জানতে পেরেছি, যার অর্থ এই যে, জোট আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে”.

লিবিয়াতে মুহম্মর গাদ্দাফি প্রশাসনের পতনের পরে সেই দেশ এখন খণ্ডিত হয়ে যাওয়ার মুখে. পশ্চিমের থেকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা দেওয়া “আরব বসন্তের” এখানে এখন এটাই বাস্তব পরিণাম. বিভিন্ন ধরনের গোষ্ঠী ও প্রজাতি এখানে নৃশংস ভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, ঐতিহাসিক ভাবে সব থেকে নীচু হয়েছে খনিজ তেল উত্পাদনের মাত্রা, দেশের জনগনের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে দুর্ভিক্ষ: এখনই এখানে খাবার জিনিষ কম পড়েছে. লিবিয়াকে খণ্ডিত হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচানোর কোন প্রেসক্রিপশন পশ্চিম সেই লিবিয়াকে আর দিল না.

সিরিয়াতে শান্তিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য “জেনেভা-২” সম্মেলনের তারিখ আবারও পিছিয়ে দেওয়া হল. এবারের দেরী করা জড়িত সেই কারণের সঙ্গে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী পক্ষকে একজোট করতে সক্ষম হয় নি ও তাদের আলোচনায় প্রবৃত্ত করতে পারে নি. তার ওপরে আবার সিরিয়ার বিরোধী পক্ষ ও আমেরিকা নিজেই চাইছে না যে, ইরান “জেনেভা-২” সম্মেলনে যোগ দিক.

“জেনেভা-২” সম্মেলনের প্রস্তুতির পথে নতুন সমস্যা উদ্ভব হয়েছে. সিরিয়ার ছড়িয়ে থাকা বিরোধী পক্ষের নেতারা কোন ভাবেই একটা সর্বজন সম্মত অবস্থান নিতে পারছে না, যা এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য দরকার. আর ওয়াশিংটন থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, তারা এদের উপরে প্রভাব ফেলতে অশক্ত – যদিও আশা করছে যে, বিরোধী পক্ষের লোকরা বুঝবে: রাজনৈতিক আলোচনার কোন বিকল্পই নেই.

কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, বিরোধীরা তাও সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে. হোয়াইট হাউস থেকে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে বুঝতে দেওয়া হয়েছে যে, বাশার আসাদের প্রশাসনকে উল্টে দেওয়া নিয়ে তারা এবারে মত পাল্টে ফেলেছে. আর আমেরিকার সমর্থন ছাড়া তুরস্ক ও আরব রাজতন্ত্রগুলো সামরিক অনুপ্রবেশের পথে কোন দিনও যাবে না.

এই গত সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি অবধিও পশ্চিমের সংবাদ মাধ্যমে মৃগী রোগীর মত চেহারা ওয়ালা খবর, যা সিরিয়া নিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, তা এখন আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না. সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ত্যাগ ও বাস্তবে আন্তর্জাতিক “জেনেভা-২” সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি হাওয়া বদলের ভূমিকা নিয়েছে, অপপ্রচারের ধোঁয়াশা তাতে কিছুটা কমেছে বৈকী. আর এবারে একেবারে শেষ অবধি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, সিরিয়ার ঘটনাগুলোকে আর এক রক্তপিপাসু প্রশাসক, যে কিনা তার নিজের দেশের লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে আর এই সময়ে আবার প্রতিবেশীদের ভয় দেখাচ্ছে বলে সেই রূপকথার মোড়কে আর রাখা যাচ্ছে না.

সিরিয়াতে রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য মিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে. তৃতীয় অধ্যায় হতে চলেছে সবচেয়ে বেশী জটিল ও দীর্ঘ সময়ের.

রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করে দেওয়া নিয়ে যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা অনুযায়ী ১লা নভেম্বরের মধ্যে সিরিয়ার প্রশাসনের প্রয়োজন ছিল রাসায়নিক অস্ত্র উত্পাদনের জন্য সমস্ত রকমের কল কারখানা ও তা পৌঁছনোর জন্য সমস্ত রকমের ব্যবস্থা নষ্ট করে ফেলা. ঠিক সেটাই করা সম্ভব হয়েছে.

খনিজ তেলের সবচেয়ে বড় সঞ্চয় বিগত কুড়ি বছরের মধ্যে এই প্রথম আলজিরিয়াতে পাওয়া গিয়েছে. এই সঞ্চয়ের পরিমাণ মূল্যায়ণ করে দেখা হয়েছে প্রায় একশ কোটি ব্যারেলের বেশী. এই খবর উদয় হয়েছে প্রায় একই সঙ্গে, যখন ওপেক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০২০ সালে বিশ্বে জ্বালানীর চাহিদা বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণ হতে চলেছে. এই ধরনের পরিস্থিতিতে আলজিরিয়ার খনিজ গ্যাস ও তেলের সঞ্চয় একটা খুবই লোভনীয় খণ্ড হতে চলেছে. তাহলে এই দেশে কি এখন “রঙীণ বিপ্লবের” আশা করা যেতে পারে কি, যা বিশ্বের “গণতান্ত্রিকীকরণের” ধ্বজাধারীরা সমর্থন করবেন?

রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আরব রাষ্ট্রদের লীগের বিশেষ প্রতিনিধি লাখদার ব্রাহিমি দামাস্কাসে এসেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও দেশের আভ্যন্তরীণ বিরোধী পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত্কার করতে. আলজিরিয়ার এই কূটনীতিবিদের জন্য এখন খুবই কঠিন এক মিশন সামনে রয়েছে: তাঁকে বিরোধী পক্ষকে রাজী করাতে হবে, তাঁরই নিজের কথামতো একটি “সলিড ডেলিগেশন” অথবা মর্যাদা ও ক্ষমতা সম্পন্ন প্রতিনিধিদল তৈরী করে জেনেভা শহরে শান্তি সম্মেলনে পাঠানোর জন্য. তা হওয়ার কথা ২৩শে নভেম্বর, কিন্তু আবারও সেটা প্রশ্নের সম্মুখীণ হয়েছে.

আগামী দিন দুয়েকের মধ্যেই সিরিয়া নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে সমঝোতা হতে পারে. এই বিষয়ে রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী গেন্নাদি গাতিলভ জানিয়েছেন. তাঁর মূল্যায়ণ অনুযায়ী দুই পক্ষই এবারে সমঝোতা করতে রাজী হয়েছে. অংশতঃ এই দলিলে খুব সম্ভবতঃ রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদের তৃতীয় ধারা সম্বন্ধে উল্লেখ করা থাকবে, কিন্তু এটা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের থেকে বাড়তি সিদ্ধান্ত না পেয়ে দামাস্কাসের উপরে শক্তি প্রয়োগ করতে দেবে না.

আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
অক্টোবর 2017
ঘটনার সূচী
অক্টোবর 2017
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31