×
South Asian Languages:
গণ অভ্যুত্থান, ডিসেম্বর 2013

বিরোধী পক্ষের তরফ থেকে ব্যাঙ্ককে থাই-জাপান মৈত্রী ষ্টেডিয়াম দখল করার আরও একটা প্রচেষ্টা বন্ধ করতে গিয়ে এই দেশের পুলিশ বাহিনী বাধ্য হয়ে টিয়ার গ্যাস ও রবারের গুলি ব্যবহার করেছে. ষ্টেডিয়ামে দেশের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে দেশের পার্লামেন্ট নির্বাচনে যাঁরা অংশ নিতে চান, তাঁদের তরফ থেকে দলিল পত্র গ্রহণ করছে.

২০১০ সালের ২৪শে ডিসেম্বর টিউনিশিয়ার সিদি-বুজিদে প্রথম বেন আলির প্রশাসনের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান ঘটেছিল, যা “আরব বসন্তের” শুরু করেছিল. হাতে গোনা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় দুটি প্রশাসনকে জনতার ঝড় ধুয়ে দিয়েছিল, যে দুটিই বহুদিন ধরে পশ্চিমের খুবই ভরসার জোটসঙ্গী হয়ে ছিল.

তারপরে ঘটনাচক্র দিক পরিবর্তন করেছে, আর ছড়িয়ে পড়েছে সেই সমস্ত দেশের উপরে, যাদের বেন আলির টিউনিশিয়া বা হোসনি মুবারকের ইজিপ্টের সঙ্গে খুব কমই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে মিল ছিল. “আরব বসন্ত” তারপরে ১৮০ ডিগ্রী দিক পরিবর্তন করেছে.

প্রশাসন বিরোধী মিছিল ব্যাঙ্ককের সমস্ত রাস্তা গাড়ী চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেবে আর একদিন শুধু পায়ে হেঁটেই যাওয়া যাবে. “গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য জনতা সভা” নামের স্বঘোষিত দলের সাধারন সম্পাদক ও নেতা সুথেপ থীয়াকসুবান আজ অনেকদিন ধরেই থাইল্যান্ডে সরকার বিরোধী সমাবেশ ও মিছিল চালিয়ে যাচ্ছেন, তিনি বলেছেন যে, তাঁর দলের “তিরিশ লক্ষ কর্মী পাঁচটি বড় ও দশটি ছোট স্কোয়ারে সমাবেশ করতে আসবে ও মিছিল করে শহরের সমস্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেবে”, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “আগে ভাবা হয়েছিল যে, এই সমস্ত মিটিং ও মিছিল রবিবারে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছটার মধ্যেই শেষ হবে, তবে এখন মনে হচ্ছে যে, তা চলবে সোমবার সকাল পর্যন্ত”.

ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ বলেছেন যে, তিনি সেই সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করবেন, যারা ইউরোপীয় সঙ্ঘের সঙ্গে যোগদানের বিষয়ে ইউক্রেনের হয়ে দলিল তৈরী করেছে. এই দলিল তৈরী করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি করে, তিনি এই ঘোষণা করেছেন এক গোল টেবিল বৈঠকে, যা সারা দেশের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে. এই প্রসঙ্গে ইয়ানুকোভিচ আশ্বাস দিয়েছেন যে, ইউক্রেন ইউরোপীয় সমাকলনের বিষয় না করছে না ও তা করতেও চায় না.

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ঈঙ্গলাক চিনাভাত দেশে প্রশাসনের পরিবর্তন নিয়ে জনমত গ্রহণের ধারণার কথা তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন. থাইল্যান্ডের টেলিভিশনে তিনি বলেছেন যে, তিনি পদত্যাগ করতেই পারেন, যদি এটা থাইল্যান্ডের বেশীরভাগ লোক চান. এই দেশে প্রশাসন বিরোধী কাজ কারবার দু’সপ্তাহের বেশী সময় ধরে চলছে. দেশের মিছিলের লোকরা, যা ঈঙ্গলাক চিনাভাত নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে, আন্দোলন করছে, কারণ তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাক্সিম চিনাভাতের ভগ্নী, যাঁকে ২০০৬ সালে দেশে সামরিক অভ্যুত্থানের পরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল.

থাইল্যান্ডের সরকার প্রধান বিরোধী নেতা সুতেপ তাউগসুবানের সমর্থকদের ও ব্লু-স্কাই টেলিভিশন চ্যানেলের কর্তা ও কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে চায়, কারণ তারা প্রশাসন বিরোধী গোলমালকে সমর্থন করেছে আর ব্যাঙ্কক শহরের মেয়র দপ্তরের কর্মীরাও ছাড়া পাবেন না.

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
ডিসেম্বর 2013
ঘটনার সূচী
ডিসেম্বর 2013
1
2
3
4
5
7
9
10
11
12
13
15
16
17
18
19
20
21
23
25
27
28
29
30
31