×
South Asian Languages:
আফগানিস্তানের সমস্যা ও রাশিয়ার অবস্থান, ডিসেম্বর 2013

২০১৪ সালের পরে, যখন সেই দেশ থেকে পশ্চিমের জোট শক্তির মূল অংশ বেরিয়ে চলে যাবে, তখন আফগানিস্তানের পরিস্থিতি কি রকমের হতে চলেছে, তা নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটো জোটের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যদ্বাণীর ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখতে পেয়েছেন. মস্কোতে আলোচনা শুরু হয়েছে ন্যাটো জোটের প্রতিনিধি কার্যালয় ও রাশিয়ার রাজনৈতিক গবেষণা কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে. এই সব বিতর্কের কারণে সম্মেলনের একটি মুখ্য প্রশ্ন যে, কিভাবে আফগানিস্তানের বিষয়ে সহযোগিতা করা দরকার রয়েছে, তা উত্তর বিহীণ রয়ে গিয়েছে.

আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই ভারত সফরে গিয়েছিলেন. আসন্ন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের মূল সেনাবাহিনী প্রত্যাহার, কাবুল ও দিল্লীর সামনে খুবই কঠিন প্রশ্ন উপস্থিত করেছে, যেগুলোর সমাধানের উপরে নির্ভর করছে শুধু আফগানিস্তানের ভবিষ্যতই নয়, বরং সমগ্র মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তাও.

আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই – ভারতীয় রাজধানীর এক নিয়মিত অতিথি, কিন্তু তাঁর এই বিগত চার দিনের সফরকে বিশেষ বলে উল্লেখ করা সম্ভব, এই রকম মনে করে আমাদের সমীক্ষক সের্গেই তোমিন বলেছেন:

যদিও আন্তর্জাতিক জোটের মূল শক্তি আফগানিস্তান ছেড়ে আগামী বছরে চলে যাবে, তবুও মনে করা হয়েছে যে, আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক সামান্য অংশ সেখানে তাও থেকে যেতে চলেছে. এটাও সত্যি যে, আপাততঃ সম্পূর্ণ ভাবে জানা যায় নি যে, কত সংখ্যক সৈন্য থাকবে, অথবা সেটাও যে, এই সমস্ত সেনারা কি নিয়ে কাজ করবে.

এরই মধ্যে ওয়াশিংটন রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে দরাদরি করে কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার ভয় দেখাচ্ছে, যাতে আফগান প্রশাসন তালিবানের সঙ্গে মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়. তবে এটাও ঠিক যে, এই ধরনের হুমকির সত্যতা খুব কম লোকই বিশ্বাস করেন.

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
ডিসেম্বর 2013
ঘটনার সূচী
ডিসেম্বর 2013
1
2
3
4
5
6
7
8
10
11
12
13
14
15
17
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31