×
South Asian Languages:
বিশ্ব অর্থনীতি ও রাশিয়ার অবস্থান, জুন 2012
রাশিয়ার বাজেট জ্বালানীর মূল্যে তীক্ষ্ণ ওঠা নামার থেকে নিরাপদ করা দরকার, ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন. তিনি আজ বাত্সরিক বাজেট বক্তৃতা দিয়েছেন. দেশের নেতা বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, খনিজ তেল ও গ্যাসের ঘাটতি কমানোর জন্য অর্থনৈতিক বিকাশের প্রয়োজন রয়েছে. তার মধ্যে কাঁচামালের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, এমন শিল্প ক্ষেত্রের উপরে করের ভার নিশ্চিত করেই তা করা উচিত্.
জাপানের পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র “ফুকুসিমা” বিপর্যয়ের পরে হতাশা বাদী লোকদের পূর্বাভাস মেলে নি. বিশ্বে পারমানবিক শক্তি থেকে নিরত হওয়ার ঘটনা ঘটে নি. বরং উল্টো হয়েছে, অনেক দেশের সংখ্যা বেড়েছে, যেখানে নতুন করে পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র গড়তে চাওয়া হয়েছে.
একশোরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রীদের আগামী ২ দিনে রিও-দে-জেনেরোয় অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের সম্মেলনে তথাকথিত ‘সবুজ অর্থনীতি’ তৈরি করার জন্য ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে. রুশী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দমিত্রি মেদভেদেভ. তিনি আজ পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে ভাষন দেবেন. সম্মেলন চলাকালীন মেদভেদেভ ৫-৬টি দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাত্কারে মিলিত হবেন, যার মধ্যে আছে বান কি মুন ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স স্টলটেনবার্গের সাথে সাক্ষাত্কার.
আজ সেন্ট-পিটার্সবার্গে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম. বহুদিন ধরেই জনগণ ঐ ফোরামকে ‘রুশী ডাভোস’ বলে অভিহিত করেছে. এবারের সম্মেলন, যেখানে সমবেত হবেন রাজনীতিবিদরা, প্রখ্যাত শিল্পপতিরা ও ব্যাঙ্ক মালিকরা, তার এবারের শ্লোগান – ‘কার্যকরী নেতৃত্ব’. প্রথামতো রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ফোরামের উদ্বোধন করেন.
বিশ্বের নেতারা আলোচনা করছেন “সবুজ অর্থনীতি” নিয়ে. ব্রাজিলের রিও-দে-জেনেইরো শহরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরিবেশ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন “রিও+২০” শিখর সম্মেলন ২০ থেকে ২২শে জুন হবে. রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ অংশ নেবেন এখানে.
সেই সব সমস্যা, যা জি ২০ গোষ্ঠীর শীর্ষ সম্মেলনে লক্ষ্য করা হয়েছে, তা নিয়ে রাশিয়ার সভাপতিত্বে “বড় কুড়ি” দেশের গোষ্ঠীতেও আলোচনা করা হবে.
মেক্সিকোর লস-কাবোস শহরে অনুষ্ঠিত জি-২০র সদস্য দেশগুলি ইউরোপীয় সংঘের আর্থিক সংকট মোচনের পরিকল্পনা সমর্থন করেছে. বৈঠক শেষ হওয়ার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে গতকাল সম্মিলিতভাবে সব সদস্য দেশ এই ঘোষণা করেছে. জি-২০র দেশগুলি উল্লেখ করেছে, যে আবার আন্তর্জাতিক বাজারে যখন উত্তেজনা রয়েছে, তখন ইউরোপের সঙ্ঘের সদস্য দেশগুলির আর্থিক ও বিনিয়োগ বিষয়ে স্থিতিশীলতা অর্জন করার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার.
ব্রিকস দেশ গুলির নেতারা ঘোষণা করেছেন যে, ভারত, চিন, ব্রাজিল, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঞ্চয়ে আরও সাত হাজার পাঁচশো কোটি ডলার দিতে তৈরী. এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত “বড় কুড়িটি” অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত দেশের শীর্ষ সম্মেলনে.
ষোড়শ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলন এই বৃহস্পতিবারে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে শুরু হতে চলেছে. এই সম্মেলনের অর্থাত্ “রাশিয়ার দাভোস” বলে আরও যাকে বলা হয়ে থাকে, তার অনুষ্ঠান সূচী এবারে অনেক বেশী করেই সংপৃক্ত.
অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী বা “বড় কুড়িটি” দেশের সম্মেলন কোনও নতুন করে আরও একটি উচ্চ কোটির লোকদের ক্লাবে পরিণত হওয়া উচিত্ নয়, যারা খুবই স্বার্থপর ভাবে শুধু নিজেদের সদস্যদের কথাই ভাববে. সম্মিলিত ভাবে কাজ করার অর্থ হল – বিশ্বের অর্থনীতির স্থিতিশীল বিকাশের জন্য ন্যায় সঙ্গত নিয়মাবলী তৈরী করা.
আজকের দিনের দুনিয়ায় একেবারেই সমস্ত কিছু ভাল নয়. বিশ্বের অর্থনীতির ব্যবস্থা স্থিতিশীল নয়, সশস্ত্র বিরোধ চলছে, রাষ্ট্র গুলির মধ্যে রাজনৈতিক মত পার্থক্য পার হওয়া থেকে অনেক দূরে. এখনকার সবচেয়ে বেদনা দায়ক প্রশ্ন গুলির উত্তর খুঁজতে বিশ্বের বড় কুড়িটি দেশের নেতারা ১৮- ১৯শে জুন মেক্সিকোর লস- কাবোস জি ২০ শীর্ষবৈঠকে কাজ করবেন. এটা জি ২০ কাঠামোর মধ্যে সর্ব্বোচ্চ পর্যায়ে সপ্তম বৈঠক.
 “আরব বসন্তের” ঘটনা, আফগান সমস্যার জটিলতা বৃদ্ধি, কোরিয়া উপদ্বীপ এলাকায় কঠিন পরিস্থিতি প্রাথমিক ক্ষেত্রে ইউরো- এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নকে সামনে এগিয়ে দিয়েছে. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, তার বর্তমানের অবস্থানে, যেখানে সামরিক জোট তৈরী করা বাদ দেওয়া হয়েছে, তখন ক্রমবর্ধমান আশঙ্কা গুলির প্রতি সফল ভাবে প্রতিক্রিয়া করতে পারে কি?
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
জুন 2012
ঘটনার সূচী
জুন 2012
1
2
3
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
22
23
24
25
26
27
29
30