×
South Asian Languages:
মহাকাশ, 2011
আমুর অঞ্চলে চতুর্থ উড়ান মঞ্চ "ভস্তোচনি" মহাকাশ বন্দরে "সইউজ" মহাকাশযান এবারে যাত্রা শুরু প্রস্তুতি নেবে. ২০১৫ সালে এখান থেকে প্রথম পাইলট বিহীণ যান উড়ান শুরু করবে আর ২০১৮ সালে মহাকাশচারী নিয়ে যাত্রার শুরু হবে. সামারা শহরের "কেন্দ্রীয় নির্মাণ ও প্রকল্প ব্যুরো – প্রোগ্রেস", যারা এই ধরনের রকেট উত্পাদন করে থাকে, তাদের কর্মীরা এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজে সক্রিয় ভাবে কাজ করছেন.
পাল তোলা নৌকা ডেলটা বিশ্ব পরিক্রমার ইউরোপীয় অংশ সমাপ্ত করেছে. পিছনে রয়ে গিয়েছে পুরাতন বিশ্বের বারোটি দেশ, বাল্টিক ও উত্তর সাগর, ইংলিশ চ্যানেল ও বিস্কে উপসাগর. সামনে - অতলান্তিক মহাসমুদ্র. রুশ নাবিকেরা তিন বছরেরও কম সময়ে আশা করেছেন বিশ্ব পরিক্রমা শেষ করার.
   আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন অতিথিদের অপেক্ষায় রয়েছে. বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে সোয়ুজ মহাকাশযানে সপলভাবে যাত্রা করেছে পরবর্তী কর্মীদল. এ দলে রয়েছেন দুজন রাশিয়ার এবং একজন মার্কিনী মহাকাশচারী.    রাশিয়ার বৈমানিক – কর্নেল আন্তোন শ্কাপলেরোভ এবং লেফটেনেন্ট কর্নেল আনাতোলি ইভানিশিনের জন্য এটি হল প্রথম মহাকাশযাত্রা.
    রাশিয়ার যোগাযোগের ব্যবস্থা ও তথ্য প্রযুক্তি বিশ্বের বাজারে আরও বেশী করে জনপ্রিয় হতে চলেছে. জেনেভা শহরের ২৪ থেকে ২৭শে অক্টোবর "টেলিকম – ২০১১" বিশ্ব টেলি যোগাযোগ প্রদর্শনীতে রাশিয়ার উত্পাদকেরা নিজেদের প্রযুক্তির জন্য শুধু ইতিবাচক প্রশংসাই পান নি, বরং বিশাল অঙ্কের চুক্তিও করতে পেরেছেন.
রাশিয়ার সইউজ মহাকাশ যান আগে থেকে নির্ধারিত কাজাখস্থানের মাঠে নেমেছে. পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন রুশ মহাকাশচারী আন্দ্রেই বরিসেঙ্কো, আলেকজান্ডার সামোকুতিয়ায়েভ ও মার্কিন অ্যাস্ট্রোনট রোনাল্ড গেরান – যাঁরা ২৮তম মহাকাশ অভিযানের যাত্রী ছিলেন ও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছয় মাসের কিছু বেশী সময় ধরে কাজ করেছেন.
আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার প্রধান কাজ হবে চাঁদকে জুড়ে নেওয়া. এই ধরনের দৃষ্টিকোণ থেকে নিজস্ব মন্তব্য সের্গেই করোলিয়ভের এক নিকটতম সহকর্মী ও বিখ্যাত সোভিয়েত ও রুশ বিজ্ঞানী – মহাকাশ যান নির্মাতা বরিস চেরতোক প্রকাশ করেছেন.
মস্কো উপকণ্ঠের ঝুকভস্কি শহরে দশম জয়ন্তী বর্ষের ম্যাক্স – ২০১১ বিমান – মহাকাশ প্রদর্শনী শুরু হয়েছে. সমস্ত দিক থেকেই, তার মধ্যে প্রথম প্রদর্শনীও রয়েছে, ম্যাক্স – ২০১১ রেকর্ড করার আশ্বাস দিয়েছে. এই বছরে ২০০ টিরও বেশী বিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য উড়ানের যন্ত্র দেখানো হয়েছে. তাদের মধ্যে একশো টিরও বেশী দর্শকেরা প্রথমবার দেখতে পাবেন.
একই সঙ্গে দুটি সুদূর প্রসারিত মহাকাশ প্রকল্পের কাজ করছে রাশিয়া. এটা – পরবর্তী প্রজন্মের "সইউজ" মহাকাশ যান ও একেবারেই নতুন মহাকাশ ব্যবস্থা রকেট পরিবহনকারী যান "রুশ– এম". এর জন্য উড়ান ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছে সুদূর প্রাচ্যে. সেখান থেকেই ভবিষ্যতে চাঁদে পাইলট সমেত মহাকাশ যান পাঠানো হবে.
    মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে একটি উল্লেখ যোগ্য দিন – ২০ শে জুলাই. ১৯৬৯ সালে এই দিনে পাইলট চালিত "অ্যাপেলো – ১১" মহাকাশ যান প্রথম মানবেতিহাসে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল ও মানুষ প্রথম চাঁদের পিঠে পা দিয়েছিল. আর তার কিছু বছর পরে ১৯৭৬ সালে মঙ্গল পৃষ্ঠে নেমেছিল আমেরিকার স্বয়ংক্রিয় মহাকাশ কেন্দ্র "ভাইকিং – ১".
রাশিয়ার মহাকাশ রকেট তৈরীর কোম্পানী "এনার্জি" কক্ষপথে কৃত্রিম উপগ্রহ মেরামত করার জন্য পাইলট চালিত মহাকাশ যান তৈরী করছে. এই যান একই সঙ্গে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে বিকল হয়ে যাওয়া উপগ্রহ ও মহাকাশের জঞ্জাল জড় করে ফিরিয়ে আনতে পারবে. ২০১৫ সালে "ভস্তোচনি" মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে পাঠানো হবে প্রথম স্বয়ংক্রিয় মহাকাশ যান ও তার তিন বছর পরে এই যান অভিযাত্রী সমেত যাবে.
ভারতীয় স্কুল শিক্ষর্থী সিদহার্ত কালরা বিশ্ব মহাকাশ সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।তার দেওয়া প্রস্তাবে বলা হয় যে,এই ধরনের একটি
১২ই এপ্রিল সারা বিশ্বের রেডিও তরঙ্গের শ্রোতারা মহাকাশ থেকে ইউরি গাগারীনের কন্ঠস্বর নিজেদের যন্ত্রে শুনতে পাচ্ছেন. ঐতিহাসিক ধ্বণির রেকর্ডিং ও তার মধ্য গাগারীনের বিশ্ব বিখ্যাত "চলো যাই!" পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে ছোট উপগ্রহ "কেদর" সম্প্রচার করছে. এই উপগ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারীর পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের সাঙ্কেতিক নাম থেকে.
১২ ই এপ্রিল ১৯৬১ সাল – আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে – সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গাগারীন ইতিহাসের নতুন পাতা উল্টেছেন, তিনিই বিশ্বে প্রথম মহাকাশে পাইলট চালিত উড়ান করেছিলেন. এই যুগান্তরের ঘটনা মানবেতিহাসে মহাকাশ যুগের শুরু ঘোষণা করেছিল, মহাকাশ ও মানুষ এই গবেষণার সম্পূর্ণ একটি দিকের উন্নয়ন করেছিল, নতুন প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্ভব হয়েছিল.
১. বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গাগারীনের ৫০ বছর আগের ঐতিহাসিক মহাকাশ ভ্রমণ, পৃথিবীর মানুষের কাছে অমর হয়ে রয়েছে বহু নিত্য ব্যবহার্য জিনিসের মধ্য দিয়ে. সেই রকমের বহু স্যুভেনিরে – পেয়ালা, টি শার্ট, টুপি ও ডাকটিকিটে আর ফোটো পোষ্টকার্ড ও অন্যান্য বহু ছাপা জিনিসে – পোস্টার ও ক্যালেণ্ডারে.
ইউরি গাগারীনের মহাকাশ ভ্রমণ বিংশ শতাব্দীর এক উজ্জ্বল ও ভাগ্য নির্দেশক ঘটনা হতে পেরেছিল ও তা মানবেতিহাসের এক নূতন অধ্যায়ের সূচনা করেছে. রাশিয়ার লোকেরা এই বিষয়ে গর্ব অনুভব করেন যে, প্রথম ও নির্দিষ্ট পদক্ষেপ মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে তাঁদের দেশের লোকই করেছিলেন.
এবার থেকে ১২ই এপ্রিল সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক প্রথম মহাকাশচারী দিবস পালিত হবে. আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে রাষ্ট্রসংঘের সাধারন সভায় এই সম্বন্ধে ঘোষণা করা হবে. নিউইয়র্কের রাষ্ট্রসংঘের প্রধান দপ্তরে ইউরি গাগারীনের মহাকাশচারনার সুবর্ণ জয়ন্তী উত্সবের প্রাক্কালে এই অনুষ্ঠান হতে চলেছে.     এখন অবধি ১২ই এপ্রিল – শুধু রাশিয়াতেই মহাকাশ গবেষণা দিবস পালিত হত.
৩১শে মার্চ বৃহস্পতিবার ৪৫ বছর হল, যবে থেকে সোভিয়েত দেশে কক্ষপথে প্রথম পৃথিবীর কৃত্রিম উপগ্রহ ও প্রথম মানুষকে পাঠিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানে একটি প্রতীকী উন্নতি প্রদর্শন করেছিল. ১৯৬৬ সালের ৩১শে মার্চ পৃথিবী থেকে প্রথম চাঁদের কৃত্রিম উপগ্রহ "লুনা – ১০" ছাড়া হয়েছিল, যা ছিল মানব ইতিহাসে প্রথম.     বিশ্ব তখনও আগের বৈজ্ঞানিক চাঞ্চল্যকর ঘটনা থেকে শান্ত হতে পারে নি.
ইউরি গাগারীনের মৃত্যুর পরে ৪৩ বছর কেটে গিয়েছে. পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ২৭শে মার্চ ১৯৬৮ সালে এক অনুশীলন মূলক উড়ানের সময়ে দুর্ঘটনায় বিমান ধ্বংস হয়ে মারা গিয়েছিলেন. এই দুঃখের দিনে "রেডিও রাশিয়া" সেই সমস্ত তথ্য প্রকাশ করেছে, যার থেকে আধুনিক অনুসন্ধান কারীরা ইউরি গাগারীনের মৃত্যু সম্পর্কে যে রহস্য রয়েছে, তা উন্মোচিত করার সুযোগ পেতে পারেন.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2011
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2011
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31