×
South Asian Languages:
আফ্রিকা, এপ্রিল 2011
আফ্রিকার দেশগুলির সাথে সহযোগিতা সংক্রান্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বিশেষ প্রতিনিধি মিখাইল মার্গেলোভ মার্কিনী পক্ষকে "লিবিয়ার পদ্ধতি" অন্যান্য অস্থিতিশীলতার কেন্দ্রে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন.
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সমস্ত দেশকে একত্রে পারমানবিক সন্ত্রাসের মোকাবিলা করার আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত বহাল করেছে. এই দলিল তৈরী করার কাজে সাতটি দেশ অংশ নিয়েছে, তার মধ্যে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে. এই দলিলে বিশেষ কমিটিকে আরও দশ বছর কাজ করার মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা কালো বাজার কে লক্ষ্যে রাখে ও সেখানে গণহত্যার অস্ত্র আসাকে নিরোধ করে.
"নিজাভিসিমায়া গাজেতা" (স্বাধীন সংবাদপত্র) আজ লিখেছে যে, লিবিয়ার অস্থায়ী সরকারের প্রতিনিধি মাহমুদ আওয়াদ শাম্মাম মুহম্মর গাদ্দাফির বিরোধী পক্ষের কাছে অস্ত্রের অভাব বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন. তাঁর কথামতো, মুহম্মর গাদ্দাফির প্রশাসন "রাশিয়ায় তৈরী সর্বাধুনিক অস্ত্র" সরবরাহ পেয়ে চলেছে.
পারমানবিক শক্তি ব্রিকস সংগঠনের দেশগুলির ভবিষ্যতের জ্বালানী শক্তি বিষয়ক উত্সের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ তম অঙ্গ থাকবেই. এই বিষয়ে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকার বৈঠক শেষে গৃহীত সম্মিলিত ঘোষণা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে.
    রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি আজ চিনে পৌঁছেছেন, তিনি এখানে দ্রুত উন্নতিশীল দেশগুলির শীর্ষবৈঠকে যোগ দেবেন. এই প্রথমবার বৈঠকে যোগদানকারী দেশগুলি হবে: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত এবং চিন ছাড়াও সদ্য অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকা. সংক্ষিপ্ত ভাবে ব্রিক নাম ছিল, তাই এখন নাম হল ব্রিকস (সাউথ আফ্রিকার আদ্যক্ষর এস).
রাশিয়া ও চিনের আর্থ – রাজনৈতিক সমীকরণ, উত্তর আফ্রিকায় সংঘর্ষের সমাধান, প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক ও দেশের ভবিষ্যত. এই গুলি ও আরও নানা বিষয়ে চিনের কেন্দ্রীয় টেলিভিশনের সাংবাদিকদের কাছে তাঁর চিনের হাইনান শহরে ব্রিকস (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) সংস্থার শীর্ষবৈঠক উপলক্ষে সফরের প্রাক্কালে রুশ রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ কথা বলেছেন.
লিবিয়ার সরকার আফ্রিকা সংঘের প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবিত দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছে. এই সম্বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি মধ্যস্থতা সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলের একজন হিসাবে ঘোষণা করেছেন. রবিবারে জুমা ও তাঁর সঙ্গে একসাথে মাউরিটাস, মালী ও কঙ্গোর রাষ্ট্রপতিরা ত্রিপোলি শহরে লিবিয়ার নেতা মুহম্মর গাদ্দাফির সঙ্গে দেখা করেছেন.
পশ্চিমের জোটের লিবিয়ায় সামরিক অপারেশনের দ্বিতীয় সারিতে গৌণ ভূমিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছা অবসর ও লিবিয়ার সমস্যা সমাধানে সমস্ত পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগের সক্রিয়তা বৃদ্ধি দিয়ে হোয়াইট হাউসের দেশকে আবার করে একটি ঝুঁকি সমেত খুবই অস্পষ্ট ভবিষ্যতের অপারেশনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনিচ্ছা স্পষ্টই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে.
উত্তর আফ্রিকা ও নিকট প্রাচ্যের দেশগুলির উত্তাল পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ঐস্লামিক চরমপন্থীদের লক্ষ্যনীয় ভাবে সক্রিয় করেছে. পরিস্থিতির টালমাটাল অবস্থা বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়াতেও পৌঁছেছে. সোমবারে বাংলাদেশে ঐস্লামিক দল গুলির সম্মিলিত বন্ধ হয়েছে. এই বন্ধের অংশীদারেরা সরকারের কাছ থেকে দেশে শারীয়াতের আইন চালু করে দেশের মহিলাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পুরুষের সমানাধিকার দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টাকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছে.
লিবিয়ার প্রশাসন এখন আলোচনা করতে প্রস্তুত. গাদ্দাফি প্রশাসনের সরকারি প্রতিনিধি মুসা ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন যে, ত্রিপোলি রাজনৈতিক কাঠামোর সংশোধন করতে রাজী. কিন্তু এই খবরে গাদ্দাফির বিরোধী পক্ষের মানসিকতা পরিবর্তনে কোন উত্সাহের জোয়ার আনতে পারে নি. এই বিরোধের সমাধানের জন্য মুহম্মর গাদ্দাফির পক্ষের লোকেদের প্রস্তাব "বিশ্বাস উত্পাদন করে না".
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোরান পোড়ানো আফগানিস্তানকে বিস্ফোরিত করেছে. "আমেরিকা মুর্দাবাদ!", "ওবামা মুর্দাবাদ!" স্লোগান দিয়ে আমেরিকা বিরোধী মিছিল হয়েছে আফগানিস্তানের দশটি রাজ্যে. শুক্রবারে মাজারি শারীফে মিছিল শুরু হয়েছিল. সেখানে আমেরিকার কোন রাজদূতাবাস বা প্রতিনিধি দপ্তর নেই, তাই রাষ্ট্রসংঘের দপ্তরের উপরেই মিছিল আক্রমণ করেছিল. সাতজন কর্মী খুন হয়েছেন. আহতদের মধ্যে দপ্তরের প্রধান রাশিয়ার পাভেল এরশভ আছেন.
লিবিয়াতে যে আজ দুই সপ্তাহ ধরে বোমা বর্ষণ হয়ে চলেছে, তা পশ্চিমের জোটের মধ্যে সঙ্কটকে প্রকট করে তুলেছে. তাদের পক্ষে গাদ্দাফির প্রশাসনের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে দাবিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় নি, যারা এখনও সমস্ত বিদ্রোহী যোদ্ধাদের দখল করা জায়গা থেকে তাড়িয়ে চলেছে.
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদ, যিনি আজ রয়েছেন, তাঁর পদে যোগ্য প্রার্থী নেই. দেশে সংগঠিত কোন বিরোধী পক্ষও নেই – সুতরাং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন লিবিয়ার মত উত্তাল হবে না. প্রতিবেশী আরব দেশগুলি থেকে প্রতিবাদের ঢেউ এসে আছড়ে পড়া সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে বেশীর ভাগ রাজনীতিবিদই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন.
মুয়ম্মর গাদ্দাফি ও বিরোধীপক্ষের মাঝে সঙ্ঘর্ষের শুরু থেকে দেশ ছেড়ে যাওয়া লিবিয়াবাসীদের সংখ্যা ৪ লক্ষে পৌঁছেছে. এ তথ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থীদের ব্যাপার সংক্রান্ত হাই-কমিশনার আন্তোনিউ গুতেরিশ. তিনি উল্লেখ করেন যে, জামাহিরিতে মানবতাবাদী পরিস্থিতি বিপর্যয়ের কাছাকাছি. গুতেরিশের কথায়, এখন মিসুরাত শহরের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আছে বিশ্ব জনসমাজের সাহায্যের, যেখানে হাসপাতালগুলি আহত লোকে পরিপূর্ণ.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011
2
3
6
8
9
10
16
17
18
19
20
22
23
24
25
26
27
28
29
30