×
South Asian Languages:
ন্যাটো জোট, ডিসেম্বর 2013

২০১০ সালের ২৪শে ডিসেম্বর টিউনিশিয়ার সিদি-বুজিদে প্রথম বেন আলির প্রশাসনের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান ঘটেছিল, যা “আরব বসন্তের” শুরু করেছিল. হাতে গোনা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় দুটি প্রশাসনকে জনতার ঝড় ধুয়ে দিয়েছিল, যে দুটিই বহুদিন ধরে পশ্চিমের খুবই ভরসার জোটসঙ্গী হয়ে ছিল.

তারপরে ঘটনাচক্র দিক পরিবর্তন করেছে, আর ছড়িয়ে পড়েছে সেই সমস্ত দেশের উপরে, যাদের বেন আলির টিউনিশিয়া বা হোসনি মুবারকের ইজিপ্টের সঙ্গে খুব কমই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে মিল ছিল. “আরব বসন্ত” তারপরে ১৮০ ডিগ্রী দিক পরিবর্তন করেছে.

২০১৪ সালের পরে, যখন সেই দেশ থেকে পশ্চিমের জোট শক্তির মূল অংশ বেরিয়ে চলে যাবে, তখন আফগানিস্তানের পরিস্থিতি কি রকমের হতে চলেছে, তা নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটো জোটের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যদ্বাণীর ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখতে পেয়েছেন. মস্কোতে আলোচনা শুরু হয়েছে ন্যাটো জোটের প্রতিনিধি কার্যালয় ও রাশিয়ার রাজনৈতিক গবেষণা কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে. এই সব বিতর্কের কারণে সম্মেলনের একটি মুখ্য প্রশ্ন যে, কিভাবে আফগানিস্তানের বিষয়ে সহযোগিতা করা দরকার রয়েছে, তা উত্তর বিহীণ রয়ে গিয়েছে.

আফগানিস্তান থেকে আসা নার্কোটিকের বিপদ ন্যাটো জোটে গৃহীত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জনসমাজের জন্য গুরুতর সমস্যা হিসেবে, এবং তা ২০১৪ সালে মীমাংসিত হওয়া উচিত্.

ন্যাটো জোট তার প্রধান সচিব অ্যান্ডের্স ফগ রাসমুসেনের কর্ম-মেয়াদ, যা ২০১৪ সালের গ্রীষ্মকালে শেষ হচ্ছে, ২০১৪ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রলম্বন করেছে, 

যদিও আন্তর্জাতিক জোটের মূল শক্তি আফগানিস্তান ছেড়ে আগামী বছরে চলে যাবে, তবুও মনে করা হয়েছে যে, আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক সামান্য অংশ সেখানে তাও থেকে যেতে চলেছে. এটাও সত্যি যে, আপাততঃ সম্পূর্ণ ভাবে জানা যায় নি যে, কত সংখ্যক সৈন্য থাকবে, অথবা সেটাও যে, এই সমস্ত সেনারা কি নিয়ে কাজ করবে.

এরই মধ্যে ওয়াশিংটন রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে দরাদরি করে কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার ভয় দেখাচ্ছে, যাতে আফগান প্রশাসন তালিবানের সঙ্গে মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়. তবে এটাও ঠিক যে, এই ধরনের হুমকির সত্যতা খুব কম লোকই বিশ্বাস করেন.

হোয়াইট হাউজ ঘোষণা করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গঠনের পরিকল্পনা গুটিয়ে নেবে না, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত সমস্যা মীমাংসার পরিপ্রেক্ষিত সত্ত্বেও.

মস্কো থেকে নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্র সম্ভার সমৃদ্ধ করার খবরে আমেরিকার বিশেষজ্ঞ মহলে শুরু হয়েছে রাশিয়ার সামরিক শক্তি পুনর্জন্ম নিয়ে খুবই উত্তেজিত তর্কবিতর্ক.

নভেম্বর মাসের শেষে স্ট্র্যাটেজিক সংজ্ঞাবহ রকেট প্রতিরক্ষা বাহিনীর উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়ে অধিবেশনের সময়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন যে, এই বছরেই দুটি বাহিনী সর্বাধুনিক চলমান আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক রকেট ব্যবস্থা পেয়ে যাবে. আর আগামী বছরে রাষ্ট্রপতির কথামতো, স্ট্র্যাটেজিক সংজ্ঞাবহ রকেট প্রতিরক্ষা বাহিনী এই ধরনের আরও ২২টি কমপ্লেক্স পাবে. বিশেষজ্ঞরা দ্রুত এই খবরকে বিশ্লেষণ করেছেন যে, এখানে কথা হচ্ছে “ইয়ারস” নামের রকেটের, যা যেমন চলমান অবস্থায় তেমনই খনি গর্ভে বসানো অবস্থায় রাখা যেতে পারে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, নতুন রকেটগুলো যে কোন ধরনের রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা অতিক্রম করতে সক্ষম.

রাশিয়া ও ন্যাটো জোট আফগানিস্তানে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করায় এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অগ্রগতি অর্জন করেছে.

ন্যাটো জোটের মহাসচিব অ্যান্ডের্স ফগ রাসমুসেন রাশিয়া-ন্যাটো পরিষদের সদস্য দেশগুলিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র উচ্ছেদের প্রশ্ন মীমাংসায় সহায়তার জন্য.

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ রাশিয়া-ন্যাটো পরিষদে অংশগ্রহণের জন্য বুধবার ব্রাসেলসে পৌঁছেছেন.

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি না করলে আফগানিস্তানে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে নতুন করে প্রশিক্ষণ মূলক মহড়া করা সম্ভব হবে না বলে ঘোষণা করেছেন জোটের মহাসচিব আন্দ্রেস ফগ রাসমুস্সেন.

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি, রাশিয়ার সাথে ন্যাটো জোটের শরিকানা বিকাশ, আর তাছাড়া জোটের আসন্ন শীর্ষ সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি মঙ্গলবার ন্যাটো জোটের সদর দপ্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পর্যায়ে সম্মেলনে প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে.

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সাম্প্রতিক সমঝোতা সত্ত্বেও তার রকেট কর্মসূচির জন্য ইরান এখনও ন্যাটো জোটের জন্য বিপজ্জনক. 

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
ডিসেম্বর 2013
ঘটনার সূচী
ডিসেম্বর 2013
1
7
8
10
13
14
15
16
17
19
20
21
22
23
25
26
27
28
29
30
31