×
South Asian Languages:
দুর্নীতি, 30 অক্টোবর 2013

আমেরিকার রাষ্ট্রীয় ঋণ নিয়ে শেষ হয়ে যাওয়া যুদ্ধ ও আরও একবার রাষ্ট্রীয় ঋণের সর্ব্বোচ্চ সীমা বৃদ্ধি করাটা দেখিয়ে দিয়েছে যে, সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আমেরিকার অর্থনীতি ও ডলারের কাছে কতখানি বাঁধা পড়ে গিয়েছে. এখন এটাই একমাত্র সঞ্চয়ের মুদ্রা, যার উপরে সব সময়েই চাহিদা রয়েছে. বাস্তবে সারা বিশ্বই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঋণদাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু অনন্তকাল ধরে এটা চলতে পারে না, বিশেষ করে যদি কয়েকদিন আগে হওয়া সেই দেশের বাজেট সঙ্কটের থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়.

একটা বহুল প্রচারিত ধারণা থাকা স্বত্ত্বেও যে, বিশ্বের রাজনীতি- এটা শুধু বৃহত্ রাষ্ট্র আর কম করে হলেও বড় আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর শুধু আয়ত্বের বিষয়, খুবই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা কিন্তু আন্তর্জাতিক ব্যাপারে ছোট দেশরাও নিতে পারে. সবচেয়ে ভাল উদাহরণ এই ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস হতে পারে. সেই দেশ স্বাধীনতা পাওয়ার পরে নিজেদের “মহান প্রতিবেশী” ভারতবর্ষের ছায়ায় মোটেও ঢাকা পড়ে যায় নি.

হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জোর করে ঘোষণা যে, রাষ্ট্রপতি জানতেন না বিশ্বের নেতাদের উপরে আড়িপাতা হচ্ছে, তা অবশেষে সেই জায়গাতেই এসে পৌঁছেছে, যেখানে আগে হোক বা পরেই হোক পৌঁছান হতই. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরদের সমাজ এবারে একদম সহ্যের শেষ সীমা অবধি বিরক্ত হয়েছে যে, বিশ্বজোড়া গুপ্তচর বৃত্তির দায়ভার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা এই কাজ করেছে তাদের উপরেই, কিন্তু যারা তার জন্য “আসলে বরাত দিয়েছে”, তাদের উপরে নয়. আর এবারে বারাক ওবামা নিজের বাড়ীতেই “দ্বিতীয় যুদ্ধের ফ্রন্ট” পেয়েছেন, যা ইউরোপের পক্ষ থেকে অসন্তুষ্টির সঙ্গেই যোগ হয়েছে. যদি আমেরিকার খবরের কাগজগুলোকে বিশ্বাস করা হয়, তবে এই ফ্রন্ট দেশের সমস্ত গুপ্তচর সমাজকেই জুড়ে তৈরী হয়েছে.

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
অক্টোবর 2013
ঘটনার সূচী
অক্টোবর 2013
1
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
29