×
South Asian Languages:
বিজ্ঞান, এপ্রিল 2013
সোচী শহরে ২০১৪ সালের শীত অলিম্পিকের আগের মশাল দৌড়ের মশাল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হবে, তার সঙ্গে এটা আবার উন্মুক্ত মহাকাশেও বের করা হবে. তা একে অপরকে আনুষ্ঠানিক ভাবেই হস্তান্তর করবেন দুই রুশ মহাকাশচারী ওলেগ কোতভ ও সের্গেই রিয়াজানস্কি, যাঁরা সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই স্টেশনের অভিযাত্রীদের মধ্যে থাকবেন.
বলা হয়ে থাকে যে, নিজের দেশে কোন নবী নেই. কিন্তু সেই ভারতের জন্যই নবী, আর বাকী সারা দুনিয়ার জন্যও হয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ – এমন মনে করেছেন একজন প্রধান ভারতবিদ্ প্রফেসর রস্তিস্লাভ রীবাকভ. মানব সমাজের এখনও সেই পথ দিয়ে যাওয়া বাকী রয়েছে, যা তিনি নির্দেশ করে গিয়েছেন – উল্লেখ করেছেন রাশিয়ার এই গবেষক.
রাষ্ট্রীয় মহাকাশ সংস্থা রসকসমস মহাকাশ ও বড় ধরনের বিপর্যয় সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদপত্রে স্বাক্ষর করছে. সেই সমস্ত দেশ, যারা এই সনদে সামিল হয়েছে, তারা বিপর্যয় ক্লিষ্ট দেশ গুলিকে ত্রাণের কার্যে সহায়তা দিয়ে থাকে. অংশতঃ, তাদের কাছে মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখার তথ্য দেয়, যা বিপর্যস্ত অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়.
ইরানের পারমানবিক শক্তি সংস্থার প্রধান ফেরেইদুন আব্বাসী দেওয়ানী আরও একবার ঘোষণা করেছেন যে যদি সেই রকমের দরকার পড়ে, যেমন কিছু জাহাজ বা ডুবো জাহাজের জন্য, তবে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারে শতকরা ৫০-৬০ ভাগ পর্যন্ত. তাঁর কথামতো, ইরানের গবেষকদের পারমানবিক ডুবোজাহাজের প্রয়োজন পড়তে পারে আরও বড় ধরনের জলের নীচে কাজ করার জন্যে.
সেই দিনের পর থেকে, যখন সারা বিশ্ব জেনেছিল যে, রাশিয়ার বিমান চালক ইউরি গাগারিন মহাকাশে উড়ে গিয়েছেন, বাহান্ন বছর কেটে গিয়েছে. আর শুধু এখন রাশিয়াতে একটি চলচ্চিত্র তোলা হয়েছে, গাগারিনের জীবনের উপরে ভিত্তি করে. আজ ১২ই এপ্রিল – মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস – মস্কো শহরে “গাগারিন. মহাকাশে প্রথম” নামের চলচ্চিত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রথম দেখানো হয়েছে.
ভারত রাশিয়ার অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করবে জাতীয় সঙ্কট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিকাশের জন্য. এই লক্ষ্য নিয়ে রাশিয়াতে বর্তমানে ভারতের এক প্রতিনিধি দল এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের নেতৃত্বে. মন্ত্রী রাশিয়ার রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে গিয়েছিলেন.
রসকসমস ২০১৫ সাল থেকে মহাজাগতিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পাঠানো শুরু করবে চাঁদের ঠিকানায়, তারপরে সেখানে শিবির ও মানমন্দির স্থাপণ করা হবে. শুক্রবার ‘রাশিয়া-২৪’ টেলিচ্যানেল থেকে এই কথা জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান ভ্লাদিমির পপোবকিন. বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, যে চাঁদের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জল আছে, তা যাচাই করে দেখা দরকার. ২০১৫-২০১৬ সাল থেকে রাশিয়া চাঁদে উড়ান শুরু করবে.
রকেট পরিবাহক ‘আর-৭’ অর্ধশতাব্দীরও বেশিকাল ধরে রাশিয়ার মহাকাশশিল্পের সেবায় নিয়োজিত. ঐগুলো ১৯৫৭ সালে পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাকাশে পৌঁছে দিয়েছিল এবং প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গাগারিনকেও. প্রথমে ‘আর-৭’ নির্মাণ করা হয়েছিল ব্যালিস্টিক হিসাবে, যা পৃথিবীর যেকোনো বিন্দুতে পারমানবিক আঘাত হানতে সক্ষম ছিল.
মঙ্গলগ্রহ সূর্যের আড়ালে হেলে পড়ার দরুন সেখানে পদব্রাজক রোবট ‘কিউরিওসিটি’র যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে. বিরতি চলবে মে মাসের শুরু পর্যন্ত. এই গোটা সময়টায় কিউরিওসিটির ডেকে শুধুমাত্র দুটি যন্ত্র কাজ করবে – আবহাওয়া স্টেশন রেমস, যে মঙ্গলগ্রহে তাপমাত্রা, চাপ ও আর্দ্রতার মান সংগ্রহ করে ও রাড নামক ডোজমিটার, যা সেখানে তেজস্ক্রিয়তার মান সংগ্রহ করে.
শিশু ও কিশোর খেলাধূলার উন্নতির জন্য বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার. এই ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস করেন আইস হকিতে একাধিক বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় সভার সদস্য ভিয়াচেস্লাভ ফেতিসভ. রেডিও রাশিয়ার বেতার তরঙ্গে তিনি মত দিয়েছেন যে, রাষ্ট্রের প্রাথমিক কাজ হওয়া উচিত নবীন প্রজন্মকে খেলাধূলার শিক্ষা দেওয়া.
২০১৫ সালের মধ্যে চিন পরিকল্পনা করেছে আন্টার্কটিকা এলাকায় নিজেদের বৈজ্ঞানিক স্টেশনের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ করার. বিশেষজ্ঞদের মতে আন্টার্কটিকায় নিজেদের উপস্থিতি প্রসারিত করে ও আর্কটিক এলাকাতেও নিজেদের গবেষণা বৃদ্ধি করে বেজিং নিজেদের বিশ্বজোড়া প্রভাবকেই শক্তিশালী করতে চাইছে. আন্টার্কটিকা এলাকায় গবেষণা করার আগ্রহ চিনের বৈজ্ঞানিকরা তুলনামূলক ভাবে অল্পদিন হল শুরু করেছে.
আপনারা শুনছেন বা পড়ছেন আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠানঃ “রাশিয়া-ভারতীয় উপ-মহাদেশঃ ঘটনাবলী-মানুষবর্গ-স্মরণীয় তারিখগুলি”. আমাদের আজকের সম্প্রচারের বিষয় – এপ্রিলের স্মরণীয় তারিখগুলি. আমাদের এই মাসিক অনুষ্ঠানে আমরা সেইসব তারিখ ও ব্যক্তিদের কথা স্মরণ করি, যেগুলি ও যারা রাশিয়া ও ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বা রেখেছেন. বহুবছর ধরে রাশিয়া ও ভারত যৌথভাবে মহাকাশ প্রান্তর অধ্যয়ন করে.
রাশিয়ার বৈজ্ঞানিক- উত্পাদন জোট ইঝমাশ চারটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের গুলি চালানোর ব্যবস্থা তৈরী করতে শুরু করেছে. নতুন পিস্তল, গ্রেনেড লঞ্চার, রাইফেল ও মেশিনগানের মধ্যে কার্তুজের বিষয়ে তফাত থাকবে. তা তৈরী করার সময়ে ইঞ্জিনিয়াররা নতুন ব্যালিস্টিক সমাধান ব্যবহার করেছেন. তাছাড়া. নতুন ধরনের আকারের অস্ত্রের কথাও ভাবা হচ্ছে.
রাষ্ট্রসঙ্ঘের “সহস্রাব্দের নতুন লক্ষ্য” পরিকল্পনার প্রথম অধ্যায় শেষ হওয়ার জন্য বাকী রয়েছে ১০০০ দিন. ২০০০ সালে এক সিদ্ধান্ত ঘোষণা গ্রহণ করে একটি মুখ্য কাজ বলে বলা হয়েছিল চরম নিঃস্বতা অতিক্রম করাকে – সেই পরিস্থিতিকে, যখন বিশ্বের বহু কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বাস করছেন.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
এপ্রিল 2013
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2013
6
7
10
13
14
15
16
17
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29