×
South Asian Languages:
বিজ্ঞান

রাশিয়াতে ইওটাফোন নামের স্মার্টফোন বিক্রী হওয়া শুরু হয়েছে. এটা রাশিয়াতে তৈরী এক অনন্য প্রকল্প. এর প্রধান বিশেষত্ব হল – দুটো স্ক্রীণ. বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই ইওটাফোন বিশ্বের ইলেকট্রনিক পণ্যের বাজারে রাশিয়ার এক বিরাট দূরত্ব অতিক্রমের সাক্ষ্য বলে স্বীকার করেছেন.

ইওটাফোন মানুষের মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করে দিয়েছে. তাতে দুটো স্ক্রীণ রয়েছে. সামনের দিকে- অভ্যস্ত রঙীণ সেন্সর সমেত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে. যার ডায়াগোনাল ৪, ৩ ইঞ্চি. দ্বিতীয়, ফোনের পিছন দিকে একই সাইজের একটা সাদা-কালো ডিসপ্লে, তথাকথিত ইলেকট্রনিক ইঙ্ক ডিসপ্লে, খুবই ইকনমিক্যাল. তাই এই গ্যাজেট সবসময়েই চালু থাকতে পারে, যার ফলে ব্যবহারকারীরা মূল টেলিফোন চালু না করেই খবরাখবরের দিকে নজর রাখতে পারবেন, এই কথা “রেডিও রাশিয়াকে” উল্লেখ করে এই টেলিফোন যারা পরিকল্পনা করেছেন, সেই ইওটা ডিভাইসেস কোম্পানীর জেনারেল ডিরেক্টর, ভ্লাদ মার্তীনভ বলেছেন:

বিমানবাহী জাহাজ “বিক্রমাদিত্য”, যা দশ দিন আগে ভারতের নৌবাহিনীকে হস্তান্তর করা হয়েছিল, ভারতে রওনা হয়েছে, জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের “সেভমাশ” জাহাজ-নির্মাণ ডকের প্রতিনিধি.

অবশেষে চেলিয়াবিনস্কের উল্কাকে জলের তলা থেকে তোলা গেছে. চেবারকুল হ্রদের গভীরে দেড়মাস ধরে এর সন্ধান চলছিল. যখন আর কোনো আশা প্রায় বাকি ছিল না, তখন সৌভাগ্যবশত সবচেয়ে বড় খন্ডটাকে পাওয়া গেছে. তার ওজন ৬০০ কিলোগ্রামের কাছাকাছি, সঠিক ওজন জানানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ দাড়িপাল্লা তার ওজন সামলাতে না পেরে ভেঙে পড়েছে.

রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক অঞ্চলের একটি লেক থেকে প্রায় ৫৭০ কিলোগ্রাম ওজনের উল্কার খন্ড উদ্ধার করা হয়েছে ।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাবতিয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটার। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত হবে এই প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

উরালে চেলিয়াবিনস্ক নগরীর উপকন্ঠে চেবারকুল হ্রদের তলা থেকে ডুবুরিরা ফেব্রুয়ারি মাসে পড়া দুটি মহাজাগতিক পদার্থের খন্ড আবিষ্কার করেছেন. জলের নমুনা পরীক্ষা করে তারা আরও একটা বড় খন্ডের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছেন, কিন্তু সেটা এইবারেই পড়া কিনা, সে সম্পর্কে তারা নিঃসন্দেহ নন.

রাশিয়ার সামরিক নৌবাহিনী প্রযুক্তির অধুনাতম নমুনা ভারতের কোচিন বন্দরে আয়োজিত প্রথম সামরিক- নৌবাহিনী প্রদর্শনী “নেমেকস্পো-২০১৩” উপলক্ষে ২৩ থেকে ২৭শে সেপ্টেম্বর দেখাতে চলেছে. “রসআবারোনএক্সপোর্ট” কোম্পানীর উদ্যোগে ভারতে নিজেদের প্রযুক্তি প্রদর্শনী করবার জন্য নিয়ে গিয়েছে রাশিয়ার সংযুক্ত জাহাজ নির্মাণ কর্পোরেশন – সামুদ্রিক প্রযুক্তি নির্মাণ ব্যুরো “রুবিন”, কোম্পানী “মালাখিত”, বৈজ্ঞানিক- উত্পাদন জোট “মার্স”.

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মাল বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন মালবাহী মহাকাশযান “সিগনুস” বুধবারে ভার্জিনিয়া রাজ্যের ওয়ালল্পস দ্বীপে নাসা সংস্থার মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে রওয়ানা হয়েছে. এতে সাত টন খাবার, জামাকাপড় ও পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য জিনিষ পাঠানো সম্ভব হয়েছে.

ভারত আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা চালাতে সফল হয়েছে।

চাঁদে অনেক জল রয়েছে, কিন্তু তা রয়েছে অনেক গভীরে. এই রকম একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভারতের “চান্দ্রায়ণ – ১” মহাকাশযান থেকে পাওয়া তথ্যের উপরে গবেষণা করে. বিজ্ঞানীরা এই রকম একটা সম্ভাবনাকে বাদ দিচ্ছেন না যে, ভবিষ্যতের অভিযান নিয়ে, আর তার মধ্যে আবার পাইলট চালিত অভিযানগুলোর পরিকল্পনা করার সময়ে এই রকমের একটা সম্ভাবনার কথা হিসাবের মধ্যে রাখার দরকার হবে.

মস্কো উপকণ্ঠের বিজ্ঞান নগরী ঝুকোভস্কিতে আন্তর্জাতিক বিমান মহাকাশ প্রদর্শনী ম্যাক্স-২০১৩ চলছে. ম্যাক্স-২০১৩- এটা বিশ্বের চুয়াল্লিশটি দেশ থেকে এক হাজারেরও বেশী কোম্পানী, নয়টি ওস্তাদ বিমান চালকদের দল ও আকাশে কয়েকশো বিমান আর মাটিতেও আরও একশোর বেশী উড়ানের যন্ত্র – যেগুলি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে.

নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে জিএসএটি-সেভেন নামের কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে ভারত।

রাশিয়ায় অভূতপূর্ব ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার বিমান নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে. নতুন বিমানটি সম্ভবত হবে চালকবিহীন, সেটার পাইলটিং করবে কৃত্রিম মগজ.

রাশিয়ার বিমান প্রকৌশলীরা ইতিমধ্যে ৬ষ্ঠ প্রজন্মের চালকবিহীন বিমান(ড্রোন) তৈরীর কাজ শুরু করেছেন। রাশিয়ার বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান জেনারেল পেওটার দেইনেকিন মাক্স-২০১৩ বিমান প্রদর্শনীর চুড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পর্কে গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া বিবৃতিতে একথা বলেন।

আন্তর্জাতিক বিমান মহাকাশ প্রদর্শনী (ম্যাক্স- ২০১৩) ২৭শে আগষ্ট মস্কো উপকণ্ঠের ঝুকোভস্কি শহরে শুরু হতে চলেছে. ঐতিহ্য মেনেই রাশিয়ার কেন্দ্রীয় পরীক্ষা করার ঘাঁটিতে – যেখানে রয়েছে উড়ান ও গবেষণা ইনস্টিটিউট – আর যে ইনস্টিটিউটের নাম দেওয়া হয়েছে মহান পাইলট মিখাইল গ্রোমভের নামে.

আংশিক ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে চুক্তির আজ ৫ই আগষ্ট পঞ্চাশ বছর হল. বহু বছর ধরে আলোচনার পরে মস্কো শহরে সোভিয়েত দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন. এই চুক্তি, যাকে “মস্কো চুক্তি” বলা হয়ে থাকে, তা পরীক্ষামূলক ভাবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেছিল আবহাওয়াতে, মহাকাশে ও জলের নীচে.

ঠিক পঁচিশ বছর আগে যুদ্ধ প্রহরায় নিযুক্ত করা হয়েছিল সোভিয়েত আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক রকেট “আর-৩৬এম২” – “ছত্রপতি”. নিজের ধ্বংসের ক্ষমতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ও যে কোন ধরনের রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা পার হয়ে যাওয়ার বিরল সম্ভাবনা সমেত এই রকেট ছিল ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময়ের এক প্রখ্যাত অস্ত্র.

ধর্মীয় কট্টর পন্থার ঢেউ ঐস্লামিক বিশ্বে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপরই উঠে থাকে – আর তার পরেই তা আবার কমে যায়. এখন স্পষ্টই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে আরও একটি উত্থানের সময়, যাকে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যেমন বাস্তব দিয়ে তেমনই তুলনা মূলক সমস্ত কারণ দিয়েও. কিন্তু এর পরেই আশা করা যেতে পারে একটা পতনের সময়.
২০১৪ সালে চিনের নতুন পারমাণবিক শক্তি চালিত পারমাণবিক রকেট সমেত আধুনিক ডুবোজাহাজের প্রস্তুতি মূলক যুদ্ধের ক্ষমতা লাভ অপেক্ষা করা যেতে পারে. কয়েকদিন আগেই পরীক্ষা করে দেশের নৌবহরের মধ্যে ডিজেল- বিদ্যুত চালিত বিশেষ রকেটবাহী ০৩২ প্রকল্পের ডুবোজাহাজ গ্রহণ করা হয়েছে, যা রকেট পরীক্ষার জন্যই তৈরী. এটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি চালিত নয়, এমন ডুবোজাহাজ.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
অক্টোবর 2017
ঘটনার সূচী
অক্টোবর 2017
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31