×
South Asian Languages:
আধুনিকীকরণ, 2010
ঐতিহ্য মেনে প্রতি বারের মত এবারেও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাত্কারের সময়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক, রুশ মার্কিন সম্পর্ক, রাশিয়ার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের সম্ভাবনা ও জাতীয় মুদ্রা রুবলের আন্তর্জাতিক অবস্থান – এই সমস্ত প্রশ্নই প্রাথমিক ভাবে সরকারি তালিকাভুক্ত সাংবাদিকদের জন্য আগ্রহের বিষয় হয়েছিল.     এই ধরনের সাক্ষাত্কার সাধারণতঃ চায়ের কাপ বা শ্যাম্পেনের গ্লাস নিয়ে হয়ে থাকে.
একবিংশ শতাব্দীর বাস্তব নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রুশ রাষ্ট্রের কাজকর্মের দিককেই পরিবর্তিত করে দিয়েছে. এটাই নতুন আইনে খেয়াল করা হয়েছে, যা রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ স্বাক্ষর করেছেন.     ১৯৯২ সাল থেকে চলে আসা আইন বর্তমানের পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাচ্ছিল না.
বাঘের বছর শেষ হতে চলল. পৃথিবীতে এই বছর মানব সমাজ ডোরাকাটা হিংস্র জন্তু টির জন্য কম কিছু করে নি. ইতিহাসে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ব্যাঘ্র সম্মেলন হয়েছে. এই সম্মেলন যে সমস্ত দেশে বাঘ এখনও স্বাভাবিক বন্য পরিবেশে রয়েছে, তাদের প্রশাসনের সমবেত কাজকর্মের সুরের একটা ঐক্যতান হয়েছে.
খারাপ নয়. শেষ হতে চলা বছরে রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি সম্বন্ধে যে রকম মূল্যায়ণ করেছেন রাষ্ট্রপতি     দিমিত্রি মেদভেদেভ, তাকে এক কথায় এই রকমই বলা যেতে পারে. মূল বিষয় হল যে, সঙ্কটের পরিণতি অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে ও ভাল সম্ভাবনার দিকে বের হওয়া গিয়েছে, ২০১০ সালের অর্থনৈতিক উন্নতির বিষয় নিয়ে আয়োজিত অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এই ঘোষণা করেছেন.
রাশিয়ার ত্রাণ কর্মীদের জন্য ২০১০ সাল ছিল বিশেষ বছর. ২৭ শে ডিসেম্বর সবচেয়ে পুরুষত্ব প্রমাণ যোগ্য ও ঝুঁকি জড়িত পেশার লোকেরা বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয় গঠনের ২০ বছর পালন করছেন. কুড়ি বছরের ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে এই মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা মনে করেন দশ লক্ষেরও বেশী প্রাণ, যা তাঁরা বাঁচাতে পেরেছেন, সেটাই প্রধান সাফল্য.
গত দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের বাজারে খনিজ তেলের দাম হয়েছে সবচেয়ে বেশী. ব্যারেল তেল বিক্রী হচ্ছে ৯৫ ডলার করে. মার্কিন অর্থনীতির ইতিবাচক উন্নতির ইঙ্গিত পেয়ে বিনিয়োগ কারীরা আশাবাদী হয়েছেন. তাঁরা আশা করছেন উত্পাদনের উন্নতি হবে অন্যান্য দেশেও, যার ফলে "কালো সোনা"র চাহিদা বৃদ্ধি পাবে.     নববর্ষের সময়ে সাধারণতঃ তেলের দাম বাড়ে – এটা সবার জানা ঘটনা.
মস্কো উপকণ্ঠের স্কোলকোভো উদ্ভাবনী কেন্দ্র এই অনুদান পাচ্ছে. বাজেট থেকে এই পরিমান অর্থ দেওয়ার নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন. অর্থ উচ্চ প্রযুক্তি বিষয়ে বিনিয়োগের জন্য কাজে লাগবে, স্কোলকোভো কেন্দ্রের কাজ শুধুই সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, বরং আরও বেশী করে ব্যবসার কাজে লাগিয়ে এই গুলিকে উত্পাদন যোগ্য করা. কেন্দ্র জাতীয় অর্থনীতিতে আধুনিকীকরণের কাজে মূল ভূমিকা নেবে.
রাশিয়াতে মাংসের খাবার ভারত রপ্তানী করার কথা বলেছে. রাশিয়ার কৃষি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিষয়ে ভারতে রাশিয়ার এই সংস্থার প্রধান সের্গেই দাঙ্কভের্ত ও ভারতীয় শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের কৃষি জাত ও অন্য খাদ্য রপ্তানী পরিষদের প্রধান অমর ত্রিপাঠী আলোচনা করেছেন.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ রুশ ও আমেরিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা সংক্রান্ত চুক্তিকে ২০১০ সালের একটি প্রধান ফলাফল হিসাবে নাম দিয়েছেন.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ আজ বিগতপ্রায় বছরের হিসেব-নিকেশ করবেন রাশিয়ার প্রধান প্রধান টেলি-চ্যানেলের প্রত্যক্ষ সম্প্রচারে. এই রূপে তিনি টেলি-সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেছেন প্রায় দশবার. ২০০৯ সালের গোড়ায় তিনি "দমিত্রি মেদভেদেভের সাথে কথাবার্তা" নামে অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ প্রকাশ করেন, যার কাঠামোতে প্রতি মাসে সবচেয়ে জরুরী প্রশ্নাবলি সম্পর্কে নিজের ব্যাখ্যা দেন.
যদি রাশিয়া ও ন্যাটো জোট রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিষয়ে প্রত্যেক পক্ষের উপযুক্ত ভূমিকার বিষয়ে সহমতে আসতে না পারে তবে কয়েক বছর পরেই রাশিয়া ও আমেরিকার রাজনীতিবিদেরা কঠিন সমস্যার সামনে পড়বেন বলে মনে করেছেন দিমিত্রি মেদভেদেভ. ভারতে সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি মুম্বাই শহরে ভারতের প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করেছেন ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা করেছেন.
মুম্বাই শহরে সফরে এসে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করেছেন. রাশিয়ার দেশ নেতা অংশতঃ উল্লেখ করেছেন যে, "ন্যাটো জোটের উচিত মস্কোর সঙ্গে রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্ত প্রশ্নে সহমত হওয়া.
২০১০ সালে অনুসন্ধানে পাওয়া রাশিয়ার সঞ্চিত খনিজ তৈলের পরিমান পঁচাত্তর কোটি টন ও গ্যাসের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক আট হাজার কোটি কিউবিক মিটারের ও বেশী.     এই তথ্য সমস্ত সন্দেহ বাতিক লোকের প্রশ্নের উত্তর হতে পারে, যারা প্রতি বছরই বলে চলেছে যে, রাশিয়াতে গ্যাসের সঞ্চয় এই শীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে আর খনিজ তেল আনতে হবে সমুদ্র পার থেকে.
রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে সুবিধাজনক স্ট্র্যাটেজিক সহযোগিতার স্তরে উন্নীত হতে পেরেছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ নয়া দিল্লী শহরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষ হওয়ার পরে এক যৌথ ঘোষণাতে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন. রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে নূতন সম্ভাবনাময় দিক প্রতি বছরের সাথেই আরও উদ্ভূত হচ্ছে.
রুশ-ভারত সম্পর্ক “বিশেষ প্রাধান্যমূলক স্ট্র্যাটেজিক শরিকানার” চরিত্র ধারণ করেছে. এ কথা আজ বলেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী মনমোহন সিং নয়া-দিল্লিতে আলাপ-আলোচনার ফলাফল সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলনে. মেদভেদেভ আবার বলেছেন যে, পণ্য-আবর্তন বৃদ্ধির কর্তব্য এখনও জরুরী রয়েছে, যার ৭০ শতাংশের উপর নবায়নভিত্তিক.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ সোমবার রাত্রে নয়া দিল্লীতে সরকারি সফরে এসে পৌঁছেছেন. মঙ্গলবার থেকেই রুশ দেশের প্রধান নয়া দিল্লী, আগ্রা, মুম্বাই ইত্যাদি জায়গায় সফর করবেন, যেখানে তিনি শুধু আলোচনাই নয়, বরং বিশ্বের একটি অন্যতম আশ্চর্য “তাজমহল” ও “ফিল্ম স্টুডিও বলিউড” দেখতেও যাবেন.
বিশ্বের বহু দেশেই বেশ কয়েক শ বহু দূর প্রসারিত অনুষ্ঠান – এই ছিল বিদায়ী বছরে "রুশ পৃথিবী" তহবিলের কাজের ফল. রাশিয়ার এই সামাজিক সংস্থা, বিদেশে রুশ ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারের জন্য তৈরী করা হয়েছে. সংস্থার উদ্ভব হওয়ার পরে গত তিন বছরে প্রচুর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও মিলেছে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ভারতে তিন দিনের সফরে চলেছেন. সূচীতে রয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী প্রতিভা পাতিলের সঙ্গে আলোচনা ও সাক্ষাত্কার, প্রধানমন্ত্রী ও এমনকি বিরোধী পক্ষের নেতার সঙ্গেও সাক্ষাত্কার. এছাড়া রাশিয়ার দেশ নেতা আগ্রা শহরে একাধারে কবর স্থান ও মসজিদ "তাজ মহল" দেখবেন, মুম্বাই শহরে তাঁর কথা রয়েছে সেখানকার ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করার ও ভারতের বিখ্যাত সিনেমা স্টুডিও এলাকা "বলিউড" যাওয়ার.
ভারত ও রাশিয়ার বিদ্যুত্শক্তি ও জ্বালানী সংক্রান্ত নিরাপত্তার স্বার্থের মিল আছে, বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী এস.এম.কৃষ্ণ. নয়া-দিল্লিতে রাশিয়ার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভারত – ক্রমবর্ধমান তেল ও গ্যাসের পরিভোগী, আর রাশিয়া – তেল ও গ্যাসের কাঁচামালে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্ উত্পাদনকারী এবং সে এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য শরিক খুঁজছে.
ভারত ও রাশিয়ার বিদ্যুত্শক্তি ও জ্বালানী সংক্রান্ত নিরাপত্তার স্বার্থের মিল আছে, বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী এস.এম.কৃষ্ণ. নয়া-দিল্লিতে রাশিয়ার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভারত – ক্রমবর্ধমান তেল ও গ্যাসের পরিভোগী, আর রাশিয়া – তেল ও গ্যাসের কাঁচামালে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্ উত্পাদনকারী এবং সে এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য শরিক খুঁজছে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2010
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2010
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31