×
South Asian Languages:
উদ্ভাবনী, জুলাই 2011
বিগত সময়ে সমস্ত উচ্চ প্রযুক্তি নির্মাণ কোম্পানীরা মানুষের মুখ চেনার প্রোগ্রাম তৈরীর মতো সম্ভাবনাময় প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করছে. এই প্রযুক্তি শুধু কোন ফোটোতেই মুখ চিনতে সাহায্য করে না, বরং বাস্তব সময়ে ফোটো ও ভিডিও ছবি তোলার সময়ে তাদের অনুসরণও করতে পারে.     প্রযুক্তির যেমন পক্ষের লোক, তেমনই বিপক্ষের লোকেরাও আছেন.
বর্তমানের রাশিয়াতে অন্যান্য উন্নত দেশগুলিতে, যেখানে সঙ্কটের ফল এখনও টের পাওয়া যাচ্ছে, তাদের তুলনায় সহজে বিনিয়োগ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করেছেন রাশিয়ার ঝুঁকি পূর্ণ বিনিয়োগ বাজারের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি পূর্ণ বিনিয়োগ কোম্পানীর বিশেষজ্ঞরা. ঝুঁকি পূর্ণ প্রকল্প গুলি, যেগুলির অর্থনৈতিক ভাবে লাভের সম্ভাবনা প্রচুর, সেই গুলিকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে মস্কোর ব্যবসার জন্য উদ্ভাবনী ফোরামে.
রাশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলির সংস্থা আসিয়ানের আলোচনা সক্রিয় ভাবেই উন্নতি করছে. এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের প্রধান সের্গেই লাভরভ রাশিয়া ও আসিয়ান সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে. তা স্বত্ত্বেও বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক ভাবে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে একেবারেই যথেষ্ট রকমের ব্যবহার করা সম্ভব হয়ে ওঠে নি.
একই সঙ্গে দুটি সুদূর প্রসারিত মহাকাশ প্রকল্পের কাজ করছে রাশিয়া. এটা – পরবর্তী প্রজন্মের "সইউজ" মহাকাশ যান ও একেবারেই নতুন মহাকাশ ব্যবস্থা রকেট পরিবহনকারী যান "রুশ– এম". এর জন্য উড়ান ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছে সুদূর প্রাচ্যে. সেখান থেকেই ভবিষ্যতে চাঁদে পাইলট সমেত মহাকাশ যান পাঠানো হবে.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দুই বছরের মধ্যে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমান বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে চেয়েছে, অর্থাত্ তা দশ হাজার কোটি ডলার করতে চায়. এই বিষয়ে খবর দিয়েছেন ওয়াশিংটনের "ফরেন পলিসি" নামের সাপ্তাহিক পত্রিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধি, তিনি মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রসচিব শ্রীমতী হিলারি ক্লিন্টনের ভারত সফর প্রসঙ্গে.
    মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে একটি উল্লেখ যোগ্য দিন – ২০ শে জুলাই. ১৯৬৯ সালে এই দিনে পাইলট চালিত "অ্যাপেলো – ১১" মহাকাশ যান প্রথম মানবেতিহাসে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল ও মানুষ প্রথম চাঁদের পিঠে পা দিয়েছিল. আর তার কিছু বছর পরে ১৯৭৬ সালে মঙ্গল পৃষ্ঠে নেমেছিল আমেরিকার স্বয়ংক্রিয় মহাকাশ কেন্দ্র "ভাইকিং – ১".
রাশিয়াতে নতুন ধরনের পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরী করা হতে চলেছে. দ্রুত নিউট্রন ও সীসা – বিসমাথ তার পরিবাহক সমেত প্রথম রিয়্যাক্টর (এস ভে বে এর – ১০০) উলিয়ানভস্কে স্থাপন করা হতে চলেছে. দ্রুত নিউট্রন চালিত রিয়্যাক্টরকে মনে করা হয় সবচেয়ে নিরাপদ. এই ধরনের রিয়্যাক্টর গত শতকের পঞ্চাশের দশকে প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিল, কিন্তু বিনিয়োগের অভাবে তা নিয়ে গবেষণা বন্ধ ছিল.
রাশিয়ার মহাকাশ রকেট তৈরীর কোম্পানী "এনার্জি" কক্ষপথে কৃত্রিম উপগ্রহ মেরামত করার জন্য পাইলট চালিত মহাকাশ যান তৈরী করছে. এই যান একই সঙ্গে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে বিকল হয়ে যাওয়া উপগ্রহ ও মহাকাশের জঞ্জাল জড় করে ফিরিয়ে আনতে পারবে. ২০১৫ সালে "ভস্তোচনি" মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে পাঠানো হবে প্রথম স্বয়ংক্রিয় মহাকাশ যান ও তার তিন বছর পরে এই যান অভিযাত্রী সমেত যাবে.
রাশিয়া- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দত্তক নেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, ভিসা ব্যবস্থা সহজ করার বিষয়ে সহমতে এসেছে ও ইউরোপে আমেরিকার রকেট বিরোধী ব্যবস্থা নিয়ে কথাবার্তা চালু রেখেছে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান সের্গেই লাভরভের তিন দিন ব্যাপী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফরের এটি হল প্রধান ফলাফল.
আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার বিশেষজ্ঞরা রুশ দেশের উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা মূল্যায়ণ করছেন. আর্খাঙ্গেলস্ক অঞ্চলে শুরু হয়েছে বহুমুখী দূর্ঘটনা বিরোধী প্রশিক্ষণ (১৩ -১৪ জুলাই) "আর্কটিকা – ২০১১". এর লক্ষ্য হল – এই অঞ্চলের পারমানবিক বিকীরণ ও দূষণ সংক্রান্ত বিপদের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা.     আর্খাঙ্গেলস্ক রাজ্য – এটি রাশিয়ার পারমানবিক জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র.
নমনীয় চাকা, যা রেলগাড়ীর গতিকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে, পাইলট বিহীণ বিমান ও অতি ক্ষুদ্র অ্যান্টেনা ওমস্ক শহরে আয়োজিত উচ্চ প্রযুক্তি ও অস্ত্র ব্যবস্থার প্রদর্শনীতে ("ভি ভি টি ভি – ওমস্ক – ২০১১") দেখানো হয়েছে. এই প্রদর্শনীতে সামরিক অস্ত্র সম্ভার ছাড়াও দ্বৈত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরী করা বহুবিধ যৌথ ক্ষেত্রে ব্যবহার যোগ্য ও সামাজিক প্রয়োজনীয় জিনিসও দেখানো হয়েছে.
রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমস GLONASS ও GPS এর জন্য অনন্য উপকরণ তৈরী করেছেন।এটি পূর্বের তুলনায় বস্তুর সঠিক অবস্থান
কি ধরনের ব্যবস্থা নিলে তা অর্থনৈতিক ভাবে বিভেদের অগ্রগতি রোধ করতে পারবে? এই প্রশ্ন বর্তমানে আরও বেশী করে বাস্তব হয়ে দাঁড়াচ্ছে. এর একটি লক্ষণ হল পৃথিবীতে সমাজের মধ্যেই স্তর বিভেদ শুধু বেড়েই চলেছে – সবচেয়ে বেশী দামের জিনিস পত্রের চাহিদা বিশ্বে অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময়েই অনেক বেড়ে গিয়েছে.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জুলাই 2011
ঘটনার সূচী
জুলাই 2011
1
2
3
4
6
7
8
9
11
15
16
17
19
23
24
25
27
29
30
31