×
South Asian Languages:
ধর্ম, এপ্রিল 2011
আজেরবাইজানের রাজধানীতে আন্তঃসংস্কৃতি সংলাপ সংক্রান্ত বিশ্ব সম্মেলনের কাজ শুরু হচ্ছে. তাতে অংশগ্রহণ করছে ২০টি দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রী, প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার নেতারা, সেই সঙ্গে ইউনেস্কো, ইউরোপীয় পরিষদ, ইউরোপীয় পরিষদের পার্লামেন্টারী অ্যাসেম্বলি, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সভ্যতা সংক্রান্ত জোটের, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিল্পকলাবিদরা. প্রথম অধিবেশনের স্লোগান হল- “আসুন, বিশ্বের ভাগ-বাঁটোয়ারা বন্ধ করি!
উত্তর আফ্রিকা ও নিকট প্রাচ্যের দেশগুলির উত্তাল পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ঐস্লামিক চরমপন্থীদের লক্ষ্যনীয় ভাবে সক্রিয় করেছে. পরিস্থিতির টালমাটাল অবস্থা বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়াতেও পৌঁছেছে. সোমবারে বাংলাদেশে ঐস্লামিক দল গুলির সম্মিলিত বন্ধ হয়েছে. এই বন্ধের অংশীদারেরা সরকারের কাছ থেকে দেশে শারীয়াতের আইন চালু করে দেশের মহিলাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পুরুষের সমানাধিকার দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টাকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছে.
লিবিয়ার প্রশাসন এখন আলোচনা করতে প্রস্তুত. গাদ্দাফি প্রশাসনের সরকারি প্রতিনিধি মুসা ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন যে, ত্রিপোলি রাজনৈতিক কাঠামোর সংশোধন করতে রাজী. কিন্তু এই খবরে গাদ্দাফির বিরোধী পক্ষের মানসিকতা পরিবর্তনে কোন উত্সাহের জোয়ার আনতে পারে নি. এই বিরোধের সমাধানের জন্য মুহম্মর গাদ্দাফির পক্ষের লোকেদের প্রস্তাব "বিশ্বাস উত্পাদন করে না".
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোরান পোড়ানো আফগানিস্তানকে বিস্ফোরিত করেছে. "আমেরিকা মুর্দাবাদ!", "ওবামা মুর্দাবাদ!" স্লোগান দিয়ে আমেরিকা বিরোধী মিছিল হয়েছে আফগানিস্তানের দশটি রাজ্যে. শুক্রবারে মাজারি শারীফে মিছিল শুরু হয়েছিল. সেখানে আমেরিকার কোন রাজদূতাবাস বা প্রতিনিধি দপ্তর নেই, তাই রাষ্ট্রসংঘের দপ্তরের উপরেই মিছিল আক্রমণ করেছিল. সাতজন কর্মী খুন হয়েছেন. আহতদের মধ্যে দপ্তরের প্রধান রাশিয়ার পাভেল এরশভ আছেন.
লিবিয়াতে যে আজ দুই সপ্তাহ ধরে বোমা বর্ষণ হয়ে চলেছে, তা পশ্চিমের জোটের মধ্যে সঙ্কটকে প্রকট করে তুলেছে. তাদের পক্ষে গাদ্দাফির প্রশাসনের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে দাবিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় নি, যারা এখনও সমস্ত বিদ্রোহী যোদ্ধাদের দখল করা জায়গা থেকে তাড়িয়ে চলেছে.
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদ, যিনি আজ রয়েছেন, তাঁর পদে যোগ্য প্রার্থী নেই. দেশে সংগঠিত কোন বিরোধী পক্ষও নেই – সুতরাং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন লিবিয়ার মত উত্তাল হবে না. প্রতিবেশী আরব দেশগুলি থেকে প্রতিবাদের ঢেউ এসে আছড়ে পড়া সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে বেশীর ভাগ রাজনীতিবিদই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন.
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় মুসলমান ধর্মীয় দপ্তর লিবিয়ায় কোয়ালিশন বাহিনীর সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দে করেছে. এ সংস্থায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ অভিযান বলপ্রয়োগের পরিসর ও রূপের দিক থেকে পূর্ণপরিসরের আগ্রাসনে পরিণত হয়েছে, যার গতিতে লিবিয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে, আর প্রধান বিষয়- এর ফলে শান্তিপূর্ণ অধিবাসীরাও মারা যাচ্ছে.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011
2
3
6
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30