×
South Asian Languages:
মহাকাশ, নভেম্বর 2013

বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে “প্রোগ্রেস এম-২১এম” মালবাহী মহাকাশযান নিয়ে “সোয়ুজ-উ” বাহক-রকেট সফলভাবে মহাকাশে যাত্রা শুরু করেছে. 

১৯৮৮ সালের ১৫ই নভেম্বর, আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে খুবই উল্লেখযোগ্য এক ঘটনা বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে ঘটেছিল – বৈকনুর মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করেছিল সোভিয়েত দেশে তৈরী বহুবার মহাকাশে যেতে সক্ষম রকেট “এনেরগিয়া-বুরান”. এক দৈত্যাকার মহাকাশে যাওয়ার উপযুক্ত বিমান, “স্পেস- শাটল্”, যেটা মহাকাশে উড়ে গিয়ে আবার পৃথিবীতে এসে নেমেছিল একেবারেই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেটা তার পরেই “গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে” উল্লেখ করা হয়েছিল.

ঐতিহাসিক এক ঘটনা শেষ অবধি ঘটেছে. অলিম্পিকের মশাল উন্মুক্ত মহাকাশ ভ্রমণ করে ফিরেছে. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মহাকাশচারীরা অলিম্পিকের মশাল দৌড়ে অংশ নিয়েছেন. পৃথিবীর কক্ষপথে সোচী শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শীত অলিম্পিকের মুখ্য প্রতীক এক হাত থেকে অন্য হাতে দেওয়া হয়েছে.

মানবচালিত “সোয়ুজ তে.এম.আ-০৯এম” মহাকাশযানের অবতরণ সরঞ্জাম নিরাপদে এসে নেমেছে কাজাখস্তানে, হিসেব করা জায়গার কাছাকাছি.

ভারত থেকে মঙ্গলগ্রহের দিকে ক্ষেপণ করা প্রথম "মার্স অর্বিটার" জোন্ড শুক্রবার নিজের ইঞ্জিন চালু করেছে, যাতে পৃথিবীর নিকটবর্তী কক্ষপথে উচ্চতা বাড়ানো যায়, জানিয়েছে ভারতের প্রচার মাধ্যম. 

ক্রীড়া ইতিহাসে অলিম্পিকের মশাল প্রথম মহাকাশে গিয়েছে. “সইউজ” মহাকাশ যান, অলিম্পিকের প্রধান প্রতীক নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে মস্কো সময় বেলা দুটো বেজে তিরিশ মিনিটে সংযুক্ত হয়েছে.

মহাকাশ যান “সইউজ টিএমএ – ১১এম” যাত্রা শুরু করার ছ’ঘন্টা পরে জোড়া লেগেছে. মহাকাশের কক্ষপথে অলিম্পিকের মশাল পৌঁছে দিয়েছেন এক আন্তর্জাতিক মহাকাশচারীদের দল: রসকসমস সংস্থার মহাকাশচারী মিখাইল ত্যুরিন, জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা থেকে কোইচি ভাকাতা ও নাসা সংস্থার অ্যাস্ট্রোনট রিচার্ড মাস্ত্রাক্কিও. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নতুন আসা মহাকাশচারীদের দল যোগ দিয়েছে সেই সমস্ত মহাকাশচারীদের সঙ্গে যাঁরা এখানে আগে থেকেই ছিলেন: তিনজন রুশ, দু’জন আমেরিকার ও একজন ইতালীয় মহাকাশচারীর সঙ্গে. কক্ষপথের এই স্টেশনে এখন একই সঙ্গে ন’জন মহাকাশচারী থাকবেন আর থাকবে তিনটি জোড়া লাগা মহাকাশ যান.

মঙ্গলবারে ভারত উন্নয়নশীল দেশ গুলোর মধ্যে প্রথম নিজেদের গবেষণার জন্য উপগ্রহ মঙ্গলগ্রহের দিকে পাঠিয়েছে. মঙ্গলের কৃত্রিম উপগ্রহ মঙ্গলযানের সফল উড়ান সেই বিরল ঘটনার একটি হয়েছে, যখন ভারতের পক্ষে সম্ভব হয়েছে চিনকে টপকে যাওয়ার – এই কথা উল্লেখ করেছেন রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজি ও প্রযুক্তি বিশ্লেষণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ভাসিলি কাশিন.

বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে আজ রওনা হয়ে “সোয়ুজ” মহাকাশযান নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছেছে.

ভারত মঙ্গলগ্রহ পরীক্ষা করার জন্য প্রথম মহাকাশ যান “মঙ্গলযান” পাঠাতে সক্ষম হয়েছে. দেশের দক্ষিণের সমুদ্রতীরের এক দ্বীপের মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবারে এই যাত্রা শুরু হয়েছে. ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই যান রক্তিম বর্ণের এই গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ও তার আবহাওয়া পরীক্ষা করতে শুরু করবে. সাফল্য এলে ভারত রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সঙ্ঘের সঙ্গে যোগদান করবে, যাদের পক্ষে মঙ্গল অভিযান করা সম্ভবপর হয়েছে.

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মঙ্গলবার মঙ্গলগ্রহের দিকে বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক জোন্ড সম্বলিত রকেট ক্ষেপণ করেছে.

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
নভেম্বর 2013
ঘটনার সূচী
নভেম্বর 2013
1
2
3
4
9
10
12
13
14
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
27
28
29
30