×
South Asian Languages:
মহাকাশ, সেপ্টেম্বর 2012
মঙ্গলগ্রহ-যান "কিউরিওসিটি" এ প্রমাণ পেয়েছে যে, মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠদেশে এক সময়ে জলের প্রবাহ ছিল, “নাসা”-র বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে এ সম্বন্ধে জানিয়েছে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সি. সাত সপ্তাহ গ্রহের অধ্যয়নের পরে মঙ্গলগ্রহ-যান পৃথিবীতে গোলাকার পাথরের ফোটো পাঠিয়েছে. বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, পাথরগুলি এমন আকার ধারণ করেছে জলের প্রভাবে. রোবোট লাল গ্রহের পৃষ্ঠভাগে নামে আগস্ট মাসের গোড়া.
ইন্টারফ্যাক্স সংস্থাকে বুধবারে উড়ান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে এক উত্স এই খবর দিয়েছে. কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা এই মহাকাশের জঞ্জাল থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য উড়ানের গতিপথে বদলের হিসাব কষছেন. ২৭শে সেপ্টেম্বর দিনের দ্বিতীয় ভাগে এই জঞ্জাল থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ইউরোপের মাল পরিবহনকারী মহাকাশযানের ইঞ্জিন চালানো হতে পারে.
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে “এ.টি.ভি-৩” ইউরোপীয় মালবাহী মহাকাশযান-কে সরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল গত রাতে, কিন্তু এখন তা হবে অন্ততপক্ষে একদিন পরে. মস্কোর উপকণ্ঠে মহাকাশযাত্রা পরিচালনা কেন্দ্রে জানানো হয়েছে যে, এর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়. কোন সময়ে তা করা হবে সে সম্পর্কেও কোনো খবর নেই.
১৫৫ বছর আগে (১৭ই সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্মেছিলেন আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানের জনক কনস্তানতিন শিয়ালকোভস্কি. পৃথিবী – মানব সভ্যতার শিশু বয়সের পালঙ্ক, কিন্তু চিরকাল বাচ্চার দোলনায় থাকা সম্ভব নয়, - তিনি বলতেন. মহাকাশ যুগের বহু দিন আগেই এই জিনিয়াস বিজ্ঞানীর পক্ষে সম্ভব হয়েছিল সেই ফর্মুলা আবিষ্কার করার, যা ব্যবহার করে আজও রকেট পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে পার হয়ে যেতে পারছে.
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের তিন জন মহাকাশচারীকে নিয়ে “সোয়ুজ তে.এম.আ-০৪এম” মহাকাশযানের অবতরণ সরঞ্জাম সোমবার সকালে পৃথিবীতে ফিরে এসেছে. সংবাদ এজেন্সি “ইন্টারফাক্স” জানিয়েছে যে, মস্কো সময় সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে কাজাখস্তানের আরকালিক শহরের কাছে পরিকল্পিত এলাকায় অবতরণ ক্যাপসিউলটি নেমেছে.
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন “এম.কা.এস-৩২”-এর কম্যান্ডার গেন্নাদি পাদালকা এবং তাঁর সহকর্মী সের্গেই রেভিন, যাঁরা জোসেফ আকাবা-র সাথে ১৭ই সেপ্টেম্বর পৃথিবীতে ফিরবেন “সোয়ুজ তে.এম.আ-০৪এম” মহাকাশযানে, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন.
রাশিয়া এবং ভারত চুক্তি করেছে ভারতবর্ষে রাশিয়ার একসাথে অনেক গোলা ছোঁড়ার ব্যবস্থা সহ রকেট ব্যবস্থা “স্মের্চ” এর রকেট গোলা উত্পাদনের যৌথ প্রকল্প তৈরী করারও এই ব্যবস্থায় ব্যবহৃত গোলার বিক্রয় পরবর্তী পরিষেবার ব্যবস্থা করার. এই বিষয়ে জানানো হয়েছে “রসআবারোনএক্সপোর্ট” সংস্থা থেকে. বিষয় নিয়ে বিশদ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.
বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, রাশিয়ার উচিত্ হবে মহাকাশে সৌর চালিত বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরী করা. এর ফলে বিশ্বের জ্বালানীর বাজারে এক নেতৃ স্থানীয় অবস্থান বজায় রাখা সম্ভব হবে. ২০১৬ সালেই এই ধরনের বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রাথমিক গঠন দেশে দেখতে পাওয়া যেতে পারে, এই খবর “রেডিও রাশিয়াকে” দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যন্ত্র নির্মাণের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মী ভিতালি মেলনিকভ.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
সেপ্টেম্বর 2012
ঘটনার সূচী
সেপ্টেম্বর 2012
1
2
3
5
7
8
9
10
12
13
14
15
16
18
19
20
21
22
23
24
25
29
30