×
South Asian Languages:
মহাকাশ, 2010
রাশিয়ার “গ্লোনাস” স্পুতনিক নেভিগেশন ব্যবস্থায় কর্মরত স্পুতনিকের সংখ্যা পৌঁছেছে বাইশে. রবিবার তার পরিপুরণ হয়েছে আরও দুটি স্পুতনিকের দ্বারা, যার একটি থাকবে রিজার্ভে, আর অন্যটি – টেকনিক্যাল সার্ভিসিংয়ের জন্য. রাশিয়ার “রসকসমস” সংস্থায় জানানো হয়েছে যে, স্পুতনিকগুলি কক্ষপথে নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছেছে এবং কাজ করতে শুরু করেছে. এগুলি ৫ই ডিসেম্বর বিফল ক্ষেপণের সময় হারানো তিনটি স্পুতনিকের ক্ষতি পুরণ করবে.
রাশিয়া রবিবার রাতে ২০১০ সালের মহাকাশ বছর শেষ করবে বাইকোনুর থেকে নতুন প্রজন্মের প্রথম ইউরোপীয় যোগাযোগ স্পুতনিক সহ “প্রোটোন” বাহক-রকেট ক্ষেপণ করে. এই স্পুতনিকটি ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলিতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার ব্যবস্থা করবে, যেখানে এখনও পর্যন্ত স্থলভাগে ফাইবার-অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক পাতা হয় নি.কক্ষপথে এ স্পুতনিকটির কাজের মেয়াদ ১৫ বছরের উপর.
যদি রাশিয়া ও ন্যাটো জোট রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিষয়ে প্রত্যেক পক্ষের উপযুক্ত ভূমিকার বিষয়ে সহমতে আসতে না পারে তবে কয়েক বছর পরেই রাশিয়া ও আমেরিকার রাজনীতিবিদেরা কঠিন সমস্যার সামনে পড়বেন বলে মনে করেছেন দিমিত্রি মেদভেদেভ. ভারতে সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি মুম্বাই শহরে ভারতের প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করেছেন ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা করেছেন.
রাশিয়ার উপগ্রহ মারফত দিক নির্ণয় ব্যবস্থা গ্লোনাসস এর জন্য নূতন নিয়ন্ত্রণ ও নথিভুক্ত করণের ব্যবস্থা আন্টার্কটিকার নোভোলাজারেভস্কায়া স্টেশনে কাজ শুরু করেছে.
রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে সুবিধাজনক স্ট্র্যাটেজিক সহযোগিতার স্তরে উন্নীত হতে পেরেছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ নয়া দিল্লী শহরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষ হওয়ার পরে এক যৌথ ঘোষণাতে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন. রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে নূতন সম্ভাবনাময় দিক প্রতি বছরের সাথেই আরও উদ্ভূত হচ্ছে.
ভারতস্থ রুশ রাজদূত আলেকজান্ডার কাদাকিন রুশ ভারত সম্পর্ককে বিশেষ সুবিধা সহ সম্পর্ক বলে নাম দিয়েছেন. আমাদের সাংবাদিক নাতালিয়া বেন্যুখ কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি এই কথা বলেছেন. নাতালিয়া দিল্লী গিয়েছিলেন রেডিও রাশিয়ার সারা ভারত শ্রোতা ক্লাবের সম্মেলনে অংশ নিতে. তাঁদের কথাবার্তার বিষয় হয়েছিল রুশ রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভের আসন্ন ভারত সফর.
বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে “সোয়ুজ তে.এম.এ-২০” মহাকাশযান নিয়ে বাহক রকেট “সোয়ুজ-এফ.গে” যাত্রা শুরু করেছে. তা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে দেবে নতুন কর্মীদলকে, যাঁদের মধ্যে আছেন রাশিয়ার দমিত্রি কন্দ্রাতিয়েভ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথ্রিন কোলম্যান এবং ইতালির পাওলো নেস্পোলি. মস্কো সময় ২২.০৯টায় এ যাত্রা শুরু হয়েছে.
এই ব্যবস্থা অনেক রকমের কাজ করতে পারবে, উইকিলিক্স সাইটে বের হওয়া মার্কিন প্রশাসনের ফাঁস হওয়া দলিল থেকে এই সিদ্ধান্তে এসেছে গার্ডিয়ান. পোল্যান্ড কে পাঠানো ওবামা প্রশাসন থেকে দেওয়া ব্যাখ্যাতে বলা হয়েছে যে, তাদের দেশে রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা শুধু ইরান বা সিরিয়া থেকে উড়ে আসা রকেট কেই আটকাবে না, প্রয়োজনে তাকে আরও নানা কাজ দেওয়া যেতেই পারে.
মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ও রকেট প্রতিরক্ষা, রকেট আক্রমণ সংক্রান্ত সাবধান করার ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা এই সব কিছুকেই একত্রিত করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে. এই ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করবে যৌথ নেতৃত্ব দপ্তর. এর ফলে দেশ সম্ভাব্য রকেট আক্রমণ প্রতিহত করার বিষয়ে আরও সফল ব্যবস্থা নিতে পারবে.
নিকোলাই মাকারভ এক সরকারি সফরে ভারতে যাচ্ছেন, যেখানে তিনি আগামী বছরে সম্মিলিত সামরিক মহড়া ইন্দ্র – ২০১১ র প্রস্তুতির বিষয়ে কথা বলবেন.রিয়া নোভস্তি সংস্থা জানিয়েছে যে, ৭ থেকে ৯ই ডিসেম্বর সফর চলবে, ইন্দ্র – ২০১০ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতে ফলাফল দেখা হবে ও ২০১১ সালের মুখ্য মহড়ার দিক গুলি নিয়ে আলোচনা করা হবে.
রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন বিখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক ল্যারি কিং কে এক সাক্ষাত্কার দিয়েছেন. এই সব প্রশ্ন বর্তমানের প্রধান সমস্যা গুলিকে ঘিরেই ছিল: ইরানের পারমানবিক পরিকল্পনা, উত্তর কোরিয়া ও আফগানিস্থানের পরিস্থিতি, স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জা সংক্রান্ত চুক্তি, উইকিলিক্স সাইটে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে ইতিহাস, আর তার সঙ্গে আগামী নির্বাচন এবং গুপ্তচর বাহিনীদের কাজ.
রাশিয়া ও পশ্চিমের দেশ গুলি বর্তমানে এক সঙ্কটের সামনে উপস্থিত: হয় রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে সম্মিলিত ভাবে তৈরী করার চুক্তি করতে হবে, অথবা নূতন অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হবে. এই সাবধান বাণী শুনতে পাওয়া গিয়েছে জাতীয় সভার উদ্দেশ্যে দেওয়া রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভের ভাষণে. কিন্তু এই সঙ্কেত প্রাথমিক ভাবে দেওয়া হয়েছে রাশিয়ার সীমান্ত পার করেই.
রাশিয়া ঐক্যবদ্ধ ভাবে সমগ্র ইউরোপের জন্য একক রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরীর প্রশ্নে সফল না হতে পারলে আগামী দশকে বাধ্য হবে নূতন আক্রমণাত্মক অস্ত্র তৈরী করতে.
বিশ্ব পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা আরও বেশী করে এক জায়গায় দৌড়নো মনে করিয়ে দিচ্ছে. প্রত্যেকেই স্বীকার করছে যে, কিছু একটা করা দরকার, কিন্তু সকলেই নিজেদের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্ব নিতে তৈরী নয়. মেক্সিকোতে আবার কি করে বিশ্বকে আবহাওয়ার বিপর্যয় থেকে রক্ষা করা যেতে পারে তাই নিয়ে আলোচনা শুরু হতে চলেছে.
উত্তর অতলান্তিকের জোটকে আরও কার্যকরী করা. ন্যাটো জোটের কাঠামো বদলের এইটাই উদ্দেশ্য, যা লিসাবন শহরের শীর্ষবৈঠকে জোটের সদস্য দেশ গুলি সমর্থন করার জন্য তৈরী হচ্ছে. নতুন যা প্রস্তাব আছে – তা হল ন্যাটো জোটের স্ট্র্যাটেজিক ধারণা.
ক্রমানুসারে ষোড়শ রাশিয়া – ভারত আন্তর্প্রশাসনীয় আর্থ- বাণিজ্য, বিজ্ঞান-  প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক এই দিন গুলিতে নয়া দিল্লী শহরে শুরু হতে চলেছে. রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব করবেন এই পরিষদের নূতন সহ সভাপতি রাশিয়ার উপ প্রধানমন্ত্রী সের্গেই ইভানভ. এই পদে তিনি তাঁর পূর্বসূরি সের্গেই সবিয়ানিনের জায়গায় নিযুক্ত হয়েছেন, সবিয়ানিন অক্টোবর মাসের শেষে মস্কো শহরের মেয়রের পদে আসীন হয়েছেন.
সারা পৃথিবীর জ্যোতির্বিদরা আজ রাতে অপরূপ সুন্দর একটি ঘটনা দেখতে পাবেন. পৃথিবী পার হবে লেওনিদ নামে উল্কা স্রোতের মধ্যে দিয়ে. সর্বাধিক উল্কাপাত দেখতে পাওয়া যাবে মস্কো সময় অনুযায়ী রাত তিনটের সময়. উল্কার ধারা সবচেয়ে ভালভাবে ধেখতে পাওয়া যাবে উত্তর গোলার্ধে.
রাশিয়ার মালবাহী “প্রগ্রেস-এম-০৫এম” মহাকাশযানকে আজ কক্ষপথ থেকে সরিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে ডুবিয়ে দেওয়া হবে "মহাকাশ কবরখানায়". মহাকাশযানের অংশগুলির পড়ার জায়গা জাহাজ চলাচলের পথ থেকে দূরে অবস্থিত, নিউজিল্যান্ডের রাজধানী- ওয়েলিংটনের পুবে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার দূরে. এই “প্রগ্রেস” মহাকাশযান কক্ষপথে কাজ করেছে প্রায় ছয় মাস. তিন সপ্তাহ তা “প্রতিফলন” নামে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটারি ছিল.
কক্ষপথে কর্মরত রাশিয়ার দুজন মহাকাশচারী আজ খোলা মহাকাশে বের হবেন. ফেওদর ইউর্চিখিন এবং ওলেগ স্ক্রিপোচকাকে “জ্ভেজদা” নামে মোডুলে যন্ত্রপাতি বসাতে হবে. মহাকাশচারীরা সর্বাধুনিক কম্পিউটারচালিত লিকুইড ক্রিস্টালের ডিসপ্লে সম্বলিত স্ক্যাফান্ডারে প্রায় ছয় ঘন্টা ধরে কাজ করবেন, যা মহাকাশচারীদের কার্যকলাপের সঠিক ক্রমিক, সেই সঙ্গে অননুমিত পরিস্থিতি সম্বন্ধে জানাবে.
রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটো জোটের মধ্যে সহযোগিতার প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন রকমের বাধা দেখতে পাচ্ছে না. এই বিষয়ে জানিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের প্রতিনিধি ফিলিপ ক্রউলি. তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, আগামী সপ্তাহে লিসাবন শহরে রাশিয়া ন্যাটো শীর্ষ বৈঠক হতে চলেছে. রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখানের আলোচ্য বিষয় গুলির মধ্যে থাকবে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2010
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2010
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31