×
South Asian Languages:
মহাকাশ

বাহক-রকেট “রোকোত” রাশিয়ার সামরিক উদ্দেশ্যের তিনটি স্পুতনিক-কে কক্ষপথে স্থাপন করেছে, জানানো হয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে.

"চাঙ্গ-৩" কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোয় সফল হওয়ার পরে চিনের নেতৃত্ব স্থির করেছে আগামী ২০১৭ সালে "চাঙ্গ-৪" উপগ্রহ পাঠানোর, যেখানে আরও একটি চাঁদের পিঠে চলার উপযুক্ত যান রাখা হবে. খবর দিয়েছে সোমবারে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সংস্থা থেকে. পরের বারে চাঁদ থেকে মাটি আনার কথা হয়েছে. শনিবারে চাঁদের উপগ্রহ চাঁদের মাটিতে নেমেছে ও তার থেকে বেরিয়ে "ইউইটু" চন্দ্রযান ইতিমধ্যেই চাঁদের পিঠের ছবি পাঠিয়েছে.

চাঁদের পৃষ্ঠদেশ অধ্যয়নের জন্য চীনের সরঞ্জাম “ইউইতু”(“নেফ্রাইটের খরগোশ”) গত রাতে অবতরণ যান ছেড়ে চাঁদের পৃষ্ঠদেশে নেমেছে.

রকেট পরিবাহক প্রোটন-এম দ্রুত অগ্রগতির জন্য ব্রিজ-এম ব্লক সমেত ইমারস্যাট-৫এফ১ উপগ্রহ মহাকাশে কক্ষপথের নীচে যাত্রাপথ অবধি পৌঁছে দিয়েছে বলে রসকসমস সংস্থা থেকে রবিবার সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে. আশা করা হচ্ছে যে, লক্ষ্য পথে এই কৃত্রিম উপগ্রহ পৌঁছে যাওয়া ও তার থেকে অগ্রগতির জন্য ব্রিজ-এম ব্লক আলাদা হয়ে যাওয়া ৯ই ডিসেম্বর সকালেই ঘটবে.

সিঝান মহাকাশ উড়ান ক্ষেত্র থেকে “ইউইটু” চন্দ্রযান নিয়ে “চাঙ্গ-এ- ৩” মহাকাশ যানের সফল উড়ান হয়েছে. ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের পিঠে চন্দ্রযান ইউইটু অথবা “লাল খরগোশ বাগি” নেমে পড়বে, যাতে চাঁদের মাটির নমুনা নেওয়া সম্ভব হয় ও সেখানে প্রয়োজনীয় খনিজের সন্ধান করা যেতে পারে. এর পরের অধ্যায় হবে চিনের মহাকাশচারীদের চাঁদে যাওয়া, যা ২০২০ সালের পরে হতে পারে.

বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে “প্রোগ্রেস এম-২১এম” মালবাহী মহাকাশযান নিয়ে “সোয়ুজ-উ” বাহক-রকেট সফলভাবে মহাকাশে যাত্রা শুরু করেছে. 

১৯৮৮ সালের ১৫ই নভেম্বর, আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে খুবই উল্লেখযোগ্য এক ঘটনা বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে ঘটেছিল – বৈকনুর মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করেছিল সোভিয়েত দেশে তৈরী বহুবার মহাকাশে যেতে সক্ষম রকেট “এনেরগিয়া-বুরান”. এক দৈত্যাকার মহাকাশে যাওয়ার উপযুক্ত বিমান, “স্পেস- শাটল্”, যেটা মহাকাশে উড়ে গিয়ে আবার পৃথিবীতে এসে নেমেছিল একেবারেই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেটা তার পরেই “গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে” উল্লেখ করা হয়েছিল.

ঐতিহাসিক এক ঘটনা শেষ অবধি ঘটেছে. অলিম্পিকের মশাল উন্মুক্ত মহাকাশ ভ্রমণ করে ফিরেছে. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মহাকাশচারীরা অলিম্পিকের মশাল দৌড়ে অংশ নিয়েছেন. পৃথিবীর কক্ষপথে সোচী শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শীত অলিম্পিকের মুখ্য প্রতীক এক হাত থেকে অন্য হাতে দেওয়া হয়েছে.

মানবচালিত “সোয়ুজ তে.এম.আ-০৯এম” মহাকাশযানের অবতরণ সরঞ্জাম নিরাপদে এসে নেমেছে কাজাখস্তানে, হিসেব করা জায়গার কাছাকাছি.

ভারত থেকে মঙ্গলগ্রহের দিকে ক্ষেপণ করা প্রথম "মার্স অর্বিটার" জোন্ড শুক্রবার নিজের ইঞ্জিন চালু করেছে, যাতে পৃথিবীর নিকটবর্তী কক্ষপথে উচ্চতা বাড়ানো যায়, জানিয়েছে ভারতের প্রচার মাধ্যম. 

ক্রীড়া ইতিহাসে অলিম্পিকের মশাল প্রথম মহাকাশে গিয়েছে. “সইউজ” মহাকাশ যান, অলিম্পিকের প্রধান প্রতীক নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে মস্কো সময় বেলা দুটো বেজে তিরিশ মিনিটে সংযুক্ত হয়েছে.

মহাকাশ যান “সইউজ টিএমএ – ১১এম” যাত্রা শুরু করার ছ’ঘন্টা পরে জোড়া লেগেছে. মহাকাশের কক্ষপথে অলিম্পিকের মশাল পৌঁছে দিয়েছেন এক আন্তর্জাতিক মহাকাশচারীদের দল: রসকসমস সংস্থার মহাকাশচারী মিখাইল ত্যুরিন, জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা থেকে কোইচি ভাকাতা ও নাসা সংস্থার অ্যাস্ট্রোনট রিচার্ড মাস্ত্রাক্কিও. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নতুন আসা মহাকাশচারীদের দল যোগ দিয়েছে সেই সমস্ত মহাকাশচারীদের সঙ্গে যাঁরা এখানে আগে থেকেই ছিলেন: তিনজন রুশ, দু’জন আমেরিকার ও একজন ইতালীয় মহাকাশচারীর সঙ্গে. কক্ষপথের এই স্টেশনে এখন একই সঙ্গে ন’জন মহাকাশচারী থাকবেন আর থাকবে তিনটি জোড়া লাগা মহাকাশ যান.

মঙ্গলবারে ভারত উন্নয়নশীল দেশ গুলোর মধ্যে প্রথম নিজেদের গবেষণার জন্য উপগ্রহ মঙ্গলগ্রহের দিকে পাঠিয়েছে. মঙ্গলের কৃত্রিম উপগ্রহ মঙ্গলযানের সফল উড়ান সেই বিরল ঘটনার একটি হয়েছে, যখন ভারতের পক্ষে সম্ভব হয়েছে চিনকে টপকে যাওয়ার – এই কথা উল্লেখ করেছেন রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজি ও প্রযুক্তি বিশ্লেষণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ভাসিলি কাশিন.

বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে আজ রওনা হয়ে “সোয়ুজ” মহাকাশযান নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছেছে.

ভারত মঙ্গলগ্রহ পরীক্ষা করার জন্য প্রথম মহাকাশ যান “মঙ্গলযান” পাঠাতে সক্ষম হয়েছে. দেশের দক্ষিণের সমুদ্রতীরের এক দ্বীপের মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবারে এই যাত্রা শুরু হয়েছে. ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই যান রক্তিম বর্ণের এই গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ও তার আবহাওয়া পরীক্ষা করতে শুরু করবে. সাফল্য এলে ভারত রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সঙ্ঘের সঙ্গে যোগদান করবে, যাদের পক্ষে মঙ্গল অভিযান করা সম্ভবপর হয়েছে.

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মঙ্গলবার মঙ্গলগ্রহের দিকে বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক জোন্ড সম্বলিত রকেট ক্ষেপণ করেছে.

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন “মহাজাগতিক যন্ত্রনির্মাণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের” ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ রকেট-মহাকাশ কর্পোরেশন গঠন সম্পর্কে উপ-প্রধানমন্ত্রী দমিত্রি রগোজিনের দ্বারা প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন. 

পেন্টাগনে মনে করা হচ্ছে যে, চীন গত সপ্তাহে স্পুতনিক-বিরোধী অস্ত্র পরীক্ষা করেছে. 

টেলি-কমিউনিকেশন স্পুতনিক “আস্ত্রা-২ই” সহ “ব্রিজ-এম” ব্লক রাশিয়ার “প্রোতোন-এম” বাহক রকেট থেকে পৃথক হয়েছে.

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আরও একদল অভিযাত্রী গিয়ে পৌঁছেছেন. পাইলট চালিত মহাকাশ যান “সইউজ”- এর উড়ান ও তা মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া স্বাভাবিক অবস্থাতেই হয়েছে. ৩৮তম রুশ মহাকাশচারীদের অভিযাত্রী দলের ওলেগ কোতভ ও সের্গেই রিয়াজান্তসেভ এর জন্য এখানে বহু সংখ্যায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করা ছাড়াও এক বিশেষ মিশন রয়েছে. নভেম্বরে তাঁরা খোলা মহাকাশে “সোচী- ২০১৪” অলিম্পিকের মশাল নিয়ে বের হবেন.

কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে বৃহস্পতিবার “সোয়ুজ-এফ.গে” বাহক রকেট মানবচালিত মহাকাশযান “সোয়ুজ তে.এম.আ-১০এম” নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের দিকে রওনা হয়. 

আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
সেপ্টেম্বর 2017
ঘটনার সূচী
সেপ্টেম্বর 2017
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30