×
South Asian Languages:
কোরিয়া, জুন 2013
রবিবারে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, উত্তর কোরিয়া সীমান্ত এলাকায় নতুন রকেট ব্যবস্থা বসাচ্ছে. এই খবরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মচারীদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, এই সব রকেট গুলি ৭০ কিলোমিটার অবধি উড়ে যেতে পারে. সেই গুলিকে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওল ও তার সংলগ্ন এলাকায় আগাত হানার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে.
জন গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কোরিয়া আবার দক্ষিণ কোরিয়াকে আন্তর্কোরিয়া সঙ্কট সৃষ্টি করা নিয়ে অভিযোগ করে এক ঘোষণা প্রকাশ করেছে. পিয়ংইয়ং থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষকে আহ্বান করা হয়েছে, যাতে তারা প্রচারের উদ্দেশ্য কাগজের টুকরো সমেত গ্যাস বেলুন উত্তর কোরিয়ার উদ্দেশ্যে না পাঠায়.
বিগত সপ্তাহে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান ইউকিও আমানোর সঙ্গে দেখা করেছেন. এই সংস্থার সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতার ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করেছেন, আর তারই সঙ্গে তথাকথিত সমস্যা সঙ্কুল দেশ গুলির পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যাদের পারমানবিক পরিকল্পনা বিশ্বে উদ্বেগের কারণ হয়েছে.
ভারত ও জাপান সক্রিয়ভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিস্তার করছে. এর প্রমাণ হয়েছে মে মাসে টোকিও শহরে ভারত-জাপান শীর্ষ সম্মেলন. দুই দেশের কাছে আসা, তাদের নতুন “টোকিও – নিউ দিল্লী” নামের এক স্ট্র্যাটেজিক অক্ষ তৈরীর প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত. তার ওপরে ভারত মহাসাগর ও পূর্ব চিন সাগরের নিরাপত্তার সমস্যার দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে.
মার্কিনী কর্তৃপক্ষ চীন থেকে কাজ করা উত্তর কোরিয়ার ডায়েডঙ্গ ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে সীমিতকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে. এ সম্বন্ধে শুক্রবার জানিয়েছে মার্কিনী “ওয়াল-স্ট্রীট জার্নাল” পত্রিকা. নিষেধাজ্ঞা তাছাড়া প্রবর্তন করা হয়েছে ব্যাঙ্কের এক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে, যিনি, অনুমান করা হচ্ছে যে, লক্ষ লক্ষ ডলার উত্তর কোরিয়াতে পাঠাচ্ছিলেন.
রাশিয়া আগামী বছর গুলিতে নিরাপদ ও সর্বাধুনিক রিয়্যাক্টর ব্যবহার করে পারমানবিক বিদ্যুত শক্তি উত্পাদন বৃদ্ধি করতে চলেছে. এই বিষয়ে মস্কো শহরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান ইউকিও আমানোর সঙ্গে আলোচনার সময়ে.
দক্ষিণ কোরিয়া জুলাই মাসের গোড়ায় ব্রুনেইয়ে আঞ্চলিক “আসিয়ান” সম্মেলনের নেপথ্যে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাত্ আয়োজনের সম্ভাবনা বাদ দেয় না. এ সম্বন্ধে সোমবার জানিয়েছে “ইওনহাপ” সংবাদ এজেন্সি দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক মহলের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধির উদ্ধৃতি দিয়ে.
দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের চরিত্র সারা পৃথিবীর পরিস্থিতি যথেষ্ট মাত্রায় প্রভাবিত করে. এ সম্বন্ধে বলেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি পাক কীন হে বৃহস্পতিবার কোরিয়ার ঐক্য সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শ পরিষদের বৈঠকে. তিনি তাছাড়া আন্তঃকোরীয় সম্পর্কের উন্নতির জন্য নিজের আকাঙ্ক্ষার কথা জোর দিয়ে বলেন.
কোরিয়া উপদ্বীপ এলাকাকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করাই ছিল প্রয়াত নেতা কিম ইর সেন ও বর্তমানের নেতা কিম চেন ঈনের পিতা এবং রাষ্ট্রের স্রষ্টা কিম ইর সেনের শেষ ইচ্ছা, তাই উত্তর কোরিয়া চায় সমস্ত আগ্রহী পক্ষ ও ছয় মধ্যস্থতাকারী পক্ষের মধ্যে আলোচনা যত দ্রুত সম্ভব শুরু করার, এই কথা বলেছেন সেই দেশের উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী কিম গে গ্ভান.
    সংবাদ মাধ্যম প্রচারিত খবর অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রনেতা কিম চেন ঈন দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারিদের জার্মান নাত্সীবাদের জনক অ্যাডল্ফ হিটলারের রচনা 'মাইন ক্যাম্ফ' উপহার পাঠিয়েছেন. নেতৃত্বদানের ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কিম তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যথোপযুক্ত মনযোগের সাথে হিটলারের বুনিয়াদি রচনা হৃদয়ঙ্গম করার. চীনে অবস্থিত উত্তর কোরিয়ের সূত্র ধরে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলি এই খবর প্রচার করছে.
উত্তর কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ খবর খণ্ডন করেছে যে দেশের নেতা কিম চেন ঈন রাষ্ট্রীয় উচ্চপদস্থ কর্মীদের অ্যাডল্ফ হিটলারের “মাইন কাম্ফ” বইটি পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন, এবং এ খবরের রচয়িতাদের ধ্বংস করার ভয় দেখিয়েছে. এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে কোরিয়ার কেন্দ্রীয় টেলিগ্রাফ এজেন্সির দ্বারা বুধবার প্রচারিত খবরে.
    পারস্পরিক যোগসাজোস রেখে কার্যকলাপ সমন্বয় করার মহড়া দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর সদর দফতরগুলির প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহে. এর লক্ষ্য হবে সম্ভাব্য জৈব রাসায়নিক সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ করা. দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, যে এতে দুই দেশের সরকারের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন.
     পীত সাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে জল সীমান্তে উত্তর কোরিয়া আধা অথবা পূর্ণ নিমজ্জিত অবস্থায় দ্রুতগতিতে চলতে সক্ষম সামরিক জাহাজ জড়ো করেছে.      নাশকতাকারীদের গন্তব্যস্থলে পাচার করার উদ্দেশ্য সাধনকারী এই জাহাজগুলি জলের তলায় ঘন্টা পিছু ৭০ কিলোনিটার পর্যন্ত গতি তুলতে সমর্থ.
উত্তর কোরিয়া বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে যে, সেওলের প্ররোচনামূলক কার্যকলাপ সহ্য করবে না, যার দরুণ আলাপ-আলোচনা ছিন্ন হয়েছে, জানিয়েছে “ইওনহাপ” সংবাদ এজেন্সি উত্তর কোরিয়ার প্রচার মাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে. উত্তর কোরিয়ার মতে, দক্ষিণের গোড়া থেকেই আলাপ-আলোচনা চালানোর অভিপ্রায় ছিল না.
ফানমুঞ্চজমে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে. অথচ মাত্র দুই মাস আগেই পিয়ংইয়ং এর সরকারি প্রতিনিধিরা সিওল শহরকে আগুনের সমুদ্র বানানোর ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের উপরে পারমানবিক আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিল. ওপর থেকে দেখলে, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে কিছুই পাল্টায় নি, কিন্তু পিয়ংইয়ং থেকে এখন একেবারেই অন্য ভাষণ দেওয়া হচ্ছে.
দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া শেষ অবধি সমঝোতায় আসতে পেরেছে যে, তারা প্রশাসনিক স্তরে সিওলে ১২ই জুন বৈঠক আয়োজন করবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার জন্য. দুই দেশের প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ফানমুঞ্চজম সীমান্তে এক আলোচনার সময়ে শেষ অবধি এই ধরনের সমঝোতা করতে পেরেছে.
    আমেরিকা ও চীন অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে উত্তর কোরীয়াকে পারমানবিক অস্ত্রশস্ত্র বর্জন করে কোরীয় উপদ্বীপে পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণের নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য করার নীতি অনুসরন করে চলবে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সহকারী টমাস ডেনিলোন দুই দেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে দুই দিনব্যাপী বৈঠকের পরে এই উক্তি করেছেন. মার্কিনী রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা চীনের রাষ্ট্রপ্রধানকে আপ্যায়ন করেছিলেন ক্যালিফোর্ণিয়ার সানিল্যান্ডসে. আন্তর্জাতিক সমস্যাবলীর ক্ষেত্রে দুই শীর্ষনেতার আলোচনার বিষয়সূচীতে ছিল সিরিয়ায় পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ চীনের ভূমিকার বিষয় এবং এশীয়- প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ.         দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাশামতো মার্কিনী রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা সাইবার প্রান্তরের নিরাপত্তার প্রশ্নকে মুখ্য বলে উত্থাপণ করেছিলেন, কারণ চীনের হ্যাকাররা আমেরিকার রাষ্ট্রীয় দফতরগুলির সাইটগুলিতে প্রতিনিয়ত সিঁদ খুঁড়ছে. চীন প্রথম থেকেই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে, কিন্তু এই শীর্ষবৈঠকে সি জিনপিং এই বিষয়ে সংলাপ শুরু করার আবশ্যকতা মেনে নিয়েছেন.
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে রোববার আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষ হয়েছে। নিজেদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অমিমাংসিত বিষয় নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ
চীনের সভাপতি সি জিনপিন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সাক্ষাত্ হবে শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে. উভয় দেশের সরকারী প্রতিনিধিদের বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা এ শীর্ষ সাক্ষাতের প্রতি বিপুল মনোযোগ দিচ্ছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক সমস্যাবলির বহু বিষয় আলোচনা করতে চায়.
দক্ষিণ কোরিয়া পিয়ংইয়ংয়ের সাথে আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বনিয়াদ সৃষ্টির আশা করে, যদি উভয় পক্ষ আগামী সপ্তাহে আলাপ-আলোচনা শুরু করে. এ সম্বন্ধে শুক্রবার বলেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রেস-সেক্রেটারি লি চুন হেন.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
জুন 2013
ঘটনার সূচী
জুন 2013
1
2
8
11
12
14
15
16
18
21
22
23
25
27