×
South Asian Languages:
কোরিয়া, 2012
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন যে, রাশিয়া বিভিন্ন দেশে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের অভিযান আইনসঙ্গত করার প্রচেষ্টার চূড়ান্ত বিরোধিতা করে যেতে চায়. ২০১৩ সালে রাশিয়ার কূটনীতির প্রাধান্যের কথায় এসে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া আগের মতোই “রক্ষার দায়িত্ব” পতাকা তলে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের অভিযান আইনসঙ্গত করার চেষ্টার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে যাবে.
চলতি বছরে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি বৃদ্ধির হার আগেকার পূর্বাভাস মতো ৩,৩% হবে না, হবে ২,১%. দেশের অর্থ মন্ত্রণালয় আগে দেওয়া পূর্বাভাস পুণর্বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে. দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থমন্ত্রকের মুখপাত্র চোই সান মোক এর কারন হিসাবে ইউরোপের জটিল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা বলেছেন. মন্ত্রীসভার নতুন পূর্বাভাস অনুসারে ২০১৩ সালে উদ্বৃত্ত আয়ের পরিমান হবে ৩ হাজার কোটি ডলার.
ভ্লাদিমির পুতিনের বড় প্রেস কনফারেনস শুধু রাশিয়াতেই নয়, তার সীমানার বাইরেও বহু অনুরণন তুলেছে. সারা বিশ্বের বিশেষজ্ঞরাই খুব মনোযোগ দিয়ে রাশিয়ার নেতার বক্তব্য শুনেছেন. নিজেদের মনোভাব তাঁরা “রেডিও রাশিয়ার” সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন. ভ্লাদিমির পুতিনের বড় সাংবাদিক সম্মেলন – একটা বিশ্ব রাজনীতির বিরল ঘটনা.
রাশিয়া, জনপ্রিয় বিষয়, আমাদের সহযোগিতা, আফগানিস্থান, সের্গেই লাভরভ, নৌবাহিনী, পুতিন, আরব, রাশিয়া-সন্ত্রাস, আদমসুমারি- রাশিয়া, ইন্টারনেট, রাশিয়া- সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিমান, মেদভেদেভ, সন্ত্রাস, রুশ- মার্কিন, পারমানবিক, কোরিয়া, মহাকাশ, ককেশাস, মাদক, ইউরোপীয় সংঘ, ধর্ম, রাষ্ট্রসংঘ, যৌথ নিরাপত্তা, ইরাক, আধুনিকীকরণ, বিজ্ঞান, সম্মেলন, তুরস্ক, স্বাধীন রাষ্ট্র সমূহ, দুর্নীতি, বিতর্কিত অঞ্চল, ন্যাটো জোট, আফ্রিকা, জাপান, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, নিকট প্রাচ্য, চিন, ব্রিকস, সামরিক, লিবিয়া, সিরিয়া, ইজরায়েল, রাশিয়ার নির্বাচন, ফ্রান্স, জার্মানী, বড় কুড়ি, নিষেধাজ্ঞা, উত্সব, রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সৌদি আরব, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, গাজা অঞ্চল, রাশিয়া, কুরিল দ্বীপপুঞ্জ, ইসলাম, ইউরো-অঞ্চল, জর্জিয়া
বিগত এক বছরে মস্কো শহরে পঞ্চাশ লক্ষ পর্যটক এসেছেন. এটা রাজধানীর জন্য রেকর্ড. প্রসঙ্গতঃ সবচেয়ে বেশী আসছেন এশিয়ার দেশ গুলি থেকে, আর খরচা করছেন বেশী ইউরোপের পর্যটকরা, এই ব্যাপারটাই বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন. ২০১১ সালের তুলনায় এবারে শতকরা ১৫ ভাগ বেশী পর্যটক এসেছেন. সবচেয়ে বেশী এশিয়া থেকেই: চিন, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, জাপান ও সিঙ্গাপুর থেকে.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়া উপলক্ষ্যে পাক কীন হেকে অভিনন্দন জানিয়ে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছেন. পুতিন দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমোন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ও এই অভিমুখে পাক কীন হের সাথে যৌথভাবে সক্রিয় কাজকর্ম করার ব্যাপারে তার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন. পুতিন দক্ষিণ কোরিয়ার সদ্য নির্বাচিত মহিলা রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন নববর্ষ উপলক্ষ্যেও আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন.
ইরানের পার্লামেন্টারী প্রতিনিধিদলের প্রধান হামিদ রেজা তারাগি উত্তর কোরিয়ায় বলেছেন যে, পিয়ংইয়ং স্পুতনিক সহ রকেট ক্ষেপণের পরিকল্পনা সম্পর্কে তেহেরানকে জানিয়েছিল সরকারী ঘোষণার এক মাস আগে, এ ঘোষণা করা হয়েছিল ১লা ডিসেম্বর. এ সম্বন্ধে জানিয়েছে “এন.এইচ.কে” টেলি-চ্যানেল.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, পিয়ংইয়ংয়ের বর্তমান রাজনীতি তাদের বাধ্য করছে উত্তর কোরিয়ার উপর চাপ বাড়ানোর উপর জোর দিতে. এ সম্বন্ধে ওয়াশিংটনে এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ড.
চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার বিরূদ্ধে বাধানিষেধ জারি করার প্রশ্নে গুরুতর মতভেদ ঘটছে. তাই জাতিসংঘের কূটনীতিজ্ঞরা মনে করছেন, যে এই বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ঘোষনাপত্র গ্রহণে বিলম্ব হতে পারে. নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশনামা অগ্রাহ্য করে রকেট নিক্ষেপ করাটাকে অজুহাত হিসাবে নিয়ে আমেরিকা পিয়ং-ইয়ংয়ের উপর চাপ বাড়াতে উত্সুক.
উত্তর কোরিয়া কিম চেন ইরের স্মৃতিতে তিন মিনিট মৌন্যতা পালন করেছে. তিনি নিজের দেশে আরও একটি পর্যবেক্ষণ সফরের সময়ে ২০১১ সালের ১৭ই ডিসেম্বর দেহত্যাগ করেছিলেন. তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাশিয়া, চিন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও নিউজিল্যান্ড থেকে কোরিয়ার লোকদের প্রতিনিধি দল পিয়ংইয়ং শহরে এসেছেন.
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম চেন ঈন “কোয়ানমিওনসন-৩” কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের সফল ক্ষেপণের পরে বিজ্ঞানী ও প্রাকৌশলিকদের সাফল্যের উচ্চ মূল্যায়ন করেছেন এবং কোরিয়ার শ্রম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন. এ সম্বন্ধে আজ জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় টেলিগ্রাফ এজেন্সি.
দক্ষিণ কোরিয়া ঠিক করেছে, যে পিয়ং-ইয়ং দূরপাল্লার রকেট নিক্ষেপ করার পরে অন্তঃকোরিয় আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে তারা সংযমী হবে. দেশের উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে মিলন বিষয়ক মন্ত্রীসভার এক প্রতিনিধি এই কথা ঘোষনা করেছেন. তিনি আরও বলেছেন, যে রকেট নিক্ষেপ বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করেছে, যাকে এড়িয়ে চলা সম্ভব নয়.
চলতি সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে, তার কাজকর্মের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখা দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা এখনো কোনো বিচ্যুতি দেখতে পাননি. দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার এই তথ্য যুগিয়েছে সেউলের সংবাদ মাধ্যমগুলি. প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, যে স্যাটেলাইটটা স্বাভাবিকভাবেই কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে. তবে ঠিক কি কাজ সেটা করছে, তার হদিস বিজ্ঞানীরা এখনো পাননি.
  মহাকাশ প্রান্তর নিয়ন্ত্রণের মার্কিনী ব্যবস্থা উত্তর কোরিয়ার রকেটবাহী স্যাটেলাইট উত্ক্ষেপনের পরে পৃথিবীর কক্ষপথে তিনটি নতুন বস্তু আবিস্কার করেছে. আমেরিকার স্ট্র্যাটেজিক দপ্তরের সূত্র ধরে ‘ইন্টারফ্যাক্স’ এই খবর দিয়েছে. রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, যে স্যাটেলাইটটা ছাড়াও নিক্ষিপ্ত রকেটের কোনো একটা ধাপ অথবা খোদ স্যাটেলাইটটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া কোনো স্পেয়ার পার্টও কক্ষপথে ঠাঁই নিয়ে থাকতে পারে.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার স্যাটেলাইট সমেত রকেট ছোঁড়ার নিন্দা করেছে বুধবার. নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ লুলিচকি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যে রকেট নিক্ষেপের ব্যাপারে ‘যথাযথ প্রতিক্রিয়া’ দেখানোর জন্য জাতিসংঘ তার কাজ চালিয়ে যাবে. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলি ব্যালেস্টিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রকেট ছোঁড়া পিয়ং-ইয়ংয়ের জন্য যে নিষিদ্ধ, সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছে.
পিয়ং-ইয়ং যে রকেট নিক্ষেপ করেছে, তা ‘দুর্বিনীত প্ররোচনা’, যা ‘ঐ এলাকায় নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি’. বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে প্রচারিত ঘোষনাপত্রে উপরোক্ত উক্তি করা হয়েছে. হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র টনি উয়েটর বলেছেন, যে উত্তর কোরিয়ার প্ররোচনার সামনে আমেরিকা মাথা ঠান্ডা রেখেছে. ওয়াশিংটন পুরোমাত্রায় ঐ এলাকায় তার মিত্র দেশগুলির নিরাপত্তারক্ষার দায়িত্ব পালন করতে বদ্ধপরিকর.
উত্ত কোরিয়া রকেট নিক্ষেপ করায় মস্কো আফশোষ প্রকাশ করছে. আজ রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রক ঘোষনা করেছে, যে এরকম পদক্ষেপ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচীর রূপায়নে বাধা দিতে পারে. রকেট নিক্ষেপ হল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা গৃহীত নীতির লঙ্ঘন, যা উত্তর কোরিয়াকে ব্যালেস্টিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কোনো রকেট নিক্ষেপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে.
উত্তর কোরিয়ার স্পুতনিক সফলভাবে কক্ষপথে স্থাপিত হয়েছে. তত্সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করেছে উত্তর কোরিয়ার “কেন্দ্রীয় টেলিগ্রাফ এজেন্সি”. স্পুতনিক সহ রকেট ক্ষেপণ করা হয় বুধবার সকালে, জানিয়েছে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ এজেন্সি.
উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অবস্থিত সে দেশের নেতা কিম জং উনের বাসভবন ও রাষ্ট্রীয় ভবনের সামনে অন্তত ১০০টি ভারী ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন করা হয়েছে. কোরিয়ার নেতা অস্ত্রধারীদের হামলা অথবা জনসাধারণের আন্দোলনের আশংকা করছেন. পিয়ংইয়ংয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ান পত্রিকা ‘চোসোন ইলবো’ এ সংবাদ জানিয়েছে.
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক নির্দেশনামা জারি করেছে, যাতে উত্তর কোরিয়ার রকেট ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যদি তা ক্ষেপণের পরে দেশের নিরাপত্তার জন্য বিপদ সৃষ্টি করে. নির্দেশনামায় বলা হয়েছে যে, উড়ানের সময় রকেট যদি ভেঙ্গে পড়ে এবং তার অংশগুলি যদি জাপানের ভূভাগে পড়ে, তাহলেও ঐ অংশগুলি ধ্বংস করা হবে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2012
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2012
1
5
6
9
12
14
15
21
23
26
28
29
30