×
South Asian Languages:
বন্যা - ঝড়, মার্চ 2011
জাপানের "ফুকুসিমা – ১" পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে দূর্ঘটনা রাশিয়ার জনগনের জন্য বিপজ্জনক নয়, এই ভরসা বাণী দিয়েছেন রাশিয়ার "রসঅ্যাটম" সংস্থার প্রধান সের্গেই কিরিয়েঙ্কো. তাঁর কথামতো, এমনকি যদি পরবর্তী ঘটনা খুবই খারাপ কোন পরম্পরা ধরেও হয়, তাহলেও সুদূর প্রাচ্য ও দেশের অন্যান্য জায়গার জন্য তার কোন কূপ্রভাব পড়বে না.
রাষ্ট্রীয় সংস্থা রসঅ্যাটম রাশিয়ার পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ করার সম্ভাবনা বজায় রেখেছে, যদি সেগুলির কোন রকমের বিপজ্জনক জায়গা লক্ষ্য করা যায়, এই খবর দিয়েছেন এই সংস্থার কার্যকরী ডিরেক্টর সের্গেই বইয়ারকিন.
জাপানের ইঞ্জিনিয়ারেরা সমস্ত কিছুই করছেন যাতে ফুকুসিমা -১ পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়. সোমবার তাঁরা ছয়টি রিয়্যাক্টরের সব কটি তেই বিদ্যুত পরিবাহী তার নিয়ে যেতে পেরেছেন. বিশেষজ্ঞরা আশা করেছেন এর ফলে রিয়্যাক্টর ও ব্যবহৃত পারমানবিক জ্বালানী সংরক্ষণের জন্য তৈরী জলাধারে স্বয়ংক্রিয় ভাবে জল সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে.
"ফুকুসিমা – ১" পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের দূর্ঘটনা গ্রস্থ রিয়্যাক্টর গুলি থেকে আর নতুন বিপদের সম্ভাবনা নেই ও নৈরাশ্য জনক পূর্বাভাস দেওয়া বন্ধ হয়েছে. এই বিষয়ে রাশিয়ার "রসঅ্যাটম" সংস্থার প্রধান সের্গেই কিরিয়েঙ্কো ঘোষণা করেছেন.
বিপর্যয় নিরসন দপ্তরের বিমান আজ খাবারভস্ক থেকে জাপানের নিইগাতা শহরে ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিধ্বস্ত অঞ্চলে সাহায্যের জন্য মানবিক সহায়তা করার জিনিস পত্র নিয়ে গিয়েছে. বিমানে পাঠানো হয়েছে খাবার জল ও কম্বল. ফেরার পথে বিমানে চড়ে জাপানে থাকা রাশিয়ার তিরিশ জন নাগরিক ফিরে আসবেন, যাঁরা অবস্থা স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত দেশ ছেড়ে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন.
জাপানের লোকেরা ও দেশে কর্মরত উদ্ধার কর্মীরা এক মিনিট মৌন নীরবতা পালন করে এক সপ্তাহ আগে বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও তার ফলে উত্পন্ন জলোচ্ছাসে (সুনামি) নিহত নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন. শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় ছিল ঠিক এক সপ্তাহ আগে ৯ অঙ্কের শক্তি সম্পন্ন ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সময়.     "ফুকুসিমা – ১" পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের পরিস্থিতি কিন্তু জটিল থেকেই গিয়েছে.
"ফুকুসিমা -১" পারমানবিক কেন্দ্রে বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও তা থেকে উত্পন্ন জলোচ্ছাসে প্রথম, তৃতীয় ও দ্বিতীয় রিয়্যাক্টরের ঠাণ্ডা করার ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বিস্ফোরণে.     জাপানের বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা করছেন রিয়্যাক্টরের তাপমাত্রাকে চলতে পারে এমন মাত্রায় কমিয়ে আনার. এই কাজ করার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে, তার মধ্যে মাটিতে বসানো পাম্প অথবা হেলিকপ্টার থেকে জল ফেলা যেতেই পারে.
জাপানে রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের কর্মীদের সংখ্যা বেড়েছে. প্রথম দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রাশিয়ার "লিডার" নামের এক বিশেষ ঝুঁকি সংক্রান্ত কাজের দলের ৫০ জন কর্মী ও সুদূর প্রাচ্যের খোঁজ করার দপ্তরের ২৫ জন. যেখানে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে, সেই সেন্দাই শহরের কাছে, রাশিয়ার ত্রাণ কর্মীরা ধ্বংস স্তূপের তলা থেকে খুঁজে দেখে তা পরিস্কার করার কাজে ব্যস্ত.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
মার্চ 2011
ঘটনার সূচী
মার্চ 2011
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
16
19
20
22
24
25
26
27
29
30
31