×
South Asian Languages:
পাকিস্থান-চিন, 2012
পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রাথমিক কাজ রাশিয়ার জন্য সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মিলিত ভাবে কাজ করা. এই বিষয়ে একটি প্রবন্ধ বিশেষ করে “রেডিও রাশিয়ার” জন্য লিখেছেন রুশ রাষ্ট্রপতির এই সংস্থায় বিশেষ প্রতিনিধি কিরিল বারস্কি.
কয়েকদিন আগে ভারতের হিন্দু সংবাদপত্র এক বড় প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে পারমানবিক অস্ত্র বিষয়ে এর বড় ভারতীয় গবেষক ও প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব শ্যাম শরণ লিখিত, তার নামও খুব ভয়ঙ্কর, “পাকিস্তানের যুদ্ধ সীমানায় অস্থিরতা নিয়ে প্রতিক্রিয়া করা”. এই প্রবন্ধে এক বিশদ বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের পারমানবিক পরিকল্পনার বিকাশের আধুনিক প্রবণতা নিয়ে, প্রাথমিক ভাবে তার সামরিক অংশ নিয়েই.
ভারত দেশেই তৈরী রকেট ধাওয়া করে ধরতে যাওয়ার রকেট “এএডি” পরীক্ষা করে দেখেছে. বঙ্গোপসাগরের উপরে ১৫ কিলোমিটার উচ্চতায় ওড়া একটি লক্ষ্য রকেট ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর দিয়েছে ভারতেরই সংবাদপত্র “হিন্দু”. বিষয় নিয়ে বিশদ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ ভারত আজ প্রথম বছর জাতীয় রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা সৃষ্টি করা নিয়ে কাজ করছে না.
আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই গত সপ্তাহে তাঁর পাঁচ দিন ব্যাপী ভারত সফরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাত্কার করেছেন ও বেশ কিছু সহযোগিতা নিয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন.
গত সপ্তাহে ভারতের মন্ত্রীসভা ঘোষণা করেছে যে, ব্রহ্মপুত্র বোর্ড নামের পরিষদকে ব্রহ্মপুত্র নদী উপত্যকা কার্যকরী পরিষদে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে. আর এই নব নির্মিত পরিষদের কাছে জল সম্পদ নিয়ন্ত্রণ ও বন্যার ফলে উত্পন্ন হওয়া বিপর্যয় পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ দেওয়া হবে. সেই ধরনের বন্যা, যার জন্য কয়েকদিন আগেই ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্য গুলি এখনও পরিত্রাণ পায় নি.
“পশ্চিমের সহকর্মী দেশ গুলি সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ডকে নিজেদের রাজনৈতিক লক্ষ্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করতে শুরু করেছে”, - এই রকমের ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান এশিয়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভরসা যোগ্যতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংগঠনের মন্ত্রী পর্যায়ের সাক্ষাত্কার সভার নেপথ্যে.
সেপ্টেম্বরে মস্কো আসছেন পাকিস্তানের পদাতিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কিয়ানি, খবর দিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম. মস্কো শহরে তিনি শুধু তাঁর সম পর্যায়ের রুশ সেনা বাহিনীর সহকর্মীদের সঙ্গেই দেখা করবেন না, বরং দেখা করবেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও.
গণ প্রজাতন্ত্রী চিন ও ভারতবর্ষ চুক্তি করেছে যে, তারা আবার যৌথ ভাবে সামরিক প্রশিক্ষণ করবে ও দুই দেশের সামুদ্রিক নৌবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে. এই বিষয়ে দিল্লী শহরে চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিয়াং গুয়াঙ্গলিয়ে ও ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরাক্কাপারামবিল কুরিয়েন অ্যান্টনির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরে প্রকাশিত এক খবরে প্রকাশ করা হয়েছে.
গণ প্রজাতন্ত্রী চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিয়াং গুয়াঙ্গলিয়ে ২ থেকে ৬ই সেপ্টেম্বর ভারতবর্ষে সরকারি সফরে যাচ্ছেন. এটা বিগত ছয় বছরের মধ্যে দিল্লী শহরে চিনের প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধানের প্রথম সরকারি সফর. অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে চীন- ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা নিয়ে আলোচনা হতে চলেছে.
২৯শে আগষ্ট থেকে শ্রীলঙ্কায় পাঁচ দিনের সরকারি সফরে আসছেন চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিয়াং গুয়াঙ্গলিয়ে. এই সফরের আগে জানা গিয়েছে যে, চিন তৈরী রয়েছে শ্রীলঙ্কা দেশকে সেখানে উত্তর ও উত্তর পূর্ব এলাকায় সামরিক কেন্দ্র তৈরীর জন্য ১০ কোটি ডলার সমান অর্থমূল্যের সাহায্য দিতে. এই সব এলাকাই পঁচিশ বছরের বেশী সময় ধরে গৃহযুদ্ধের ফলে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতিতে সেই দেশের প্রজাতিগত বিরোধকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে আর এই কারণে বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদত দিচ্ছে.
ভারত তোলপাড় করা আন্তর্সামাজিক বিরোধ বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে. শনিবারে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি পাকিস্তানকে নানা রকমের কানাঘুষো ও দেশের উত্তর পূর্বের রাজ্য আসাম থেকে আসা লোকদের, যারা দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে রয়েছেন, তাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চারের জন্য প্রচার করার দোষে অভিযুক্ত করেছেন.
জোট নিরপেক্ষ রাষ্ট্র গুলির শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য আগষ্ট মাসের শেষে ভারতের প্রধান মন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ইরান যাওয়ার. এই বিষয়ে গত সপ্তাহের শেষে খবর দিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সংবাদপত্র.
এশিয়ায় গুপ্ত অভিযান চালানোর জন্য আমেরিকার দরকার পাকিস্তানকে প্ল্যাটফর্ম হিসাবে. ২রা আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য সি.আই.এ.র প্রধান ডেভিড পেট্রেউস ও পাকিস্তানের গুপ্তচর দপ্তরের শীর্ষ পদে আসীন জাহির-উল ইসলামের সাক্ষাত্কার তারই প্রমাণ দিচ্ছে. আমাদের নিজস্ব পর্যবেক্ষক ভ্লাদিমির ইভাশিন এই প্রসঙ্গে লিখছেন.
ভারতের বিশাখাপত্তনমে ভারতীয় নৌবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় নেতৃত্বের দপ্তরে কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক আক্রমণ করেছে চিনের হ্যাকাররা. ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী নেট ওয়ার্ক ভেঙে ঢোকা হয়েছিল ও গোপনীয় তথ্য চিনের কম্পিউটারের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে. হ্যাকাররা যে আক্রমণ করেছিল, তা খুব একটা জটিল ছিল না. তদন্তে যেমন প্রমাণিত হয়েছে যে, এই নেটওয়ার্কে ভাইরাস ঢোকান হয়েছিল, যা চিনে তথ্য সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে.
পাকিস্তানের “চাশমা” পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে বর্তমানে কার্যকরী দুটি রিয়্যাক্টরের সঙ্গে চিন আরও পরিকল্পনা নিয়েছে দুটি রিয়্যাক্টর বসানোর, আর এই ঘটনা বিশ্ব সমাজের উদ্বেগের কারণ হয়েছে. ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়া সংবাদপত্র এই প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবারে একটি বড় প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে. প্রবন্ধে বলা হয়েছে এই সমস্যার রাজনৈতিক দিকটি নিয়ে কিন্তু প্রযুক্তিগত দিকটি প্রবন্ধের বাইরে থেকে গিয়েছে.
অনেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাক- মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে এক রকমের উচাটন অবস্থার কথা বলছেন, আর ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলের কিছু লোক সরাসরিই বলছেন যে, তাঁরা “এবারে একেবারেই সেই পরিস্থিতির কাছে পৌঁছে গিয়েছেন, যাতে পাকিস্তানে বোমা হামলা করা হয়”. এই স্বীকারোক্তি প্রকাশ করা হয়েছে আমেরিকার খুবই প্রভাবশালী জার্নাল পররাষ্ট্র নীতি (ফরেন পলিসি)তে.
রয়টারস সংস্থার খবর অনুযায়ী আফগানিস্তানের তালিবরা ভারতের আফগানিস্তান সংক্রান্ত অবস্থানকে খুবই উচ্চ মূল্যায়ন করেছে – অংশতঃ ভারতের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে একেবারেই হস্তক্ষেপ না করার প্রবল ইচ্ছা. কয়েকদিন আগেই দিল্লী সফরের সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিওন প্যানেত্তা আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারতের অংশগ্রহণ সক্রিয় করা নিয়ে আহ্বান করেছিলেন. তালিবরা ভারতের অবস্থানের প্রতি স্রেফ সমর্থন করেই ক্ষান্ত হয় নি.
এই সপ্তাহে ওয়াশিংটনে তৃতীয় বাত্সরিক ভারত – মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক আলোচনা স্পষ্ট করেই দেখিয়ে দিয়েছে যেমন আংশিক ভাবে দুই দেশের স্বার্থের বিষয়ে সম্মতি, তেমনই অবস্থানের বিষয়ে দুই দেশের যথেষ্ট পার্থক্য, এই কথা মনে করে রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক গবেষণা কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ বরিস ভলখোনস্কি তাঁর মত ব্যক্ত করেছেন. অর্থনৈতিক দিকে দুই পক্ষেরই প্রশংসনীয় সাফল্য রয়েছে বলে রুশ বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন.
রাশিয়া, চিন ও মধ্য এশিয়ার দেশ গুলি (কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া, তাজিকিস্তান) পাহাড়ী জায়গায় সম্মিলিত ভাবে সামরিক অপারেশনের কৌশল তৈরী করেছে. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার "শান্তি মিশন – ২০১২" নামের প্রশিক্ষণ (৮ থেকে ১৪ই জুন) তাজিকিস্তানে শেষ হয়েছে. এর সক্রিয় কাজ কর্মের সময়ে যোগ দিয়েছে দুই হাজারেরও বেশী সামরিক কর্মী ও ৫০০ টি যুদ্ধের গাড়ী.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2012
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2012
1
2
3
4
5
6
8
9
11
12
13
14
15
18
19
20
21
22
24
26
27
28
29
30
31