×
South Asian Languages:
কিরগিজিয়া, 2012
কির্গিজিয়ার রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশগুলির প্রধানমন্ত্রীদের পরিষদের বৈঠক শুরু হয়েছে. তাতে রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী দমিত্রি মেদভেদেভ. বৈঠকের আলোচ্য-সূচিতে আছে – বাণিজ্য, জ্বালানী ও বিদ্যুত্শক্তি, টেলি-কমিউনিকেশন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, স্বাস্থ্যরক্ষা, কৃষিক্ষেত্র, জরুরী পরিস্থিতি নিরোধ এবং তার পরিণতি দূর করা ইত্যাদি বিষয়.
রাশিয়া তাজিকিস্থান ও কিরগিজিয়াতে প্রায় দেড়শো কোটি ডলার পর্যন্ত সামরিক প্রযুক্তি সংক্রান্ত সহায়তা করার বিষয়ে প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছে. আশা করা হয়েছে যে, এই সাহায্য করা হবে প্রধানত রাশিয়া থেকে নতুন সমরাস্ত্র সরবরাহ করার মাধ্যমেই.
আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নতি – সমস্ত এলাকার জন্যই স্থিতিশীলতার শর্ত. কিন্তু আপাততঃ এই দেশ অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার চেয়ে অনেক দূরে. ন্যাটো জোটের সেনা বাহিনীকে আফগানিস্তান থেকে আসন্ন ফিরিয়ে আনা নিয়ে অনেকেই নিজেদের মতো করে তৈরী হচ্ছে. এই বিষয়ে “রেডিও রাশিয়াকে” দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্কারে ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার সাধারন সম্পাদক লামবের্তো জানিয়ের মন্তব্য করেছেন.
এই সপ্তাহে বিশ্ব সমাজ স্মরণ করেছে ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের ট্র্যাজেডির ঘটনায় নিহতদের. ঠিক ১১ বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আল- কায়দা দলের সন্ত্রাসবাদী অন্তর্ঘাত হয়েছিল.
একশ দিন কেটে গিয়েছে সেই মুহূর্ত থেকে, যখন ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করেছেন. নিজের রাষ্ট্রপতিত্বের শুরুতেই পুতিন অনেক মনোযোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার প্রথম একশ দিনের মধ্যে তিনি সরকারি ভাবে বিশ্বের এগারোটি দেশে গিয়েছেন, তার মধ্যে চিন, জার্মানী, ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন, মেক্সিকো, ইজরায়েল, জর্ডন ও প্যালেস্টাইনের এলাকা রয়েছে.
রাশিয়া, চিন ও মধ্য এশিয়ার দেশ গুলি (কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া, তাজিকিস্তান) পাহাড়ী জায়গায় সম্মিলিত ভাবে সামরিক অপারেশনের কৌশল তৈরী করেছে. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার "শান্তি মিশন – ২০১২" নামের প্রশিক্ষণ (৮ থেকে ১৪ই জুন) তাজিকিস্তানে শেষ হয়েছে. এর সক্রিয় কাজ কর্মের সময়ে যোগ দিয়েছে দুই হাজারেরও বেশী সামরিক কর্মী ও ৫০০ টি যুদ্ধের গাড়ী.
 বেজিংয়ে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষবৈঠক কাজাখস্থান, চিন, কিরগিজিয়া, রাশিয়া, তাজিকিস্থান ও উজবেকিস্তানের দেশ নেতাদের উপস্থিতিতে এক গুচ্ছ দলিল গ্রহণ করে বৃহস্পতিবারে শেষ হয়েছে, এই দলিল গুলিতে সংস্থার স্ট্র্যাটেজি ও তার প্রসারের প্রবণতা নিয়ে বলা হয়েছে.  এই শীর্ষবৈঠকে আঞ্চলিক ভাবে বহু দিনের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি বর্ধনের ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়েছে.
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার প্রধান সচিব হয়েছেন ইরকুত্স্ক প্রদেশের প্রাক্তন গভর্নর দমিত্রি মেজেন্তসেভ. বৃহস্পতিবার বেজিং শীর্ষ সাক্ষাতের ফলাফল সংক্রান্ত খবরে আরও জানানো হয়েছে যে, শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার আঞ্চলিক সন্ত্রাসবিরোধী বিন্যাসের কার্যনির্বাহী কমিটির ডিরেক্টর হয়েছেন চীনের প্রতিনিধি জান সিনফেন. তাঁরা এ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন ২০১৩ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ২০১৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর অবধি.
 “আরব বসন্তের” ঘটনা, আফগান সমস্যার জটিলতা বৃদ্ধি, কোরিয়া উপদ্বীপ এলাকায় কঠিন পরিস্থিতি প্রাথমিক ক্ষেত্রে ইউরো- এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নকে সামনে এগিয়ে দিয়েছে. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, তার বর্তমানের অবস্থানে, যেখানে সামরিক জোট তৈরী করা বাদ দেওয়া হয়েছে, তখন ক্রমবর্ধমান আশঙ্কা গুলির প্রতি সফল ভাবে প্রতিক্রিয়া করতে পারে কি?
 ন্যাটো মধ্য এশিয়াতে নিজেদের পিছনের দিক মজবুত করছে. ন্যাটো জোটের সদস্য দেশগুলির সম্মেলনে অংশ নেবে কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্থান. ব্রাসেলস শহরে আশা করা হয়েছে এই সব দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির, এখন তা শুধু মাল ট্রানজিট বিষয়েই সীমাবদ্ধ.
     বেজিং শহরে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে. এই বৈঠকের একটি প্রধান বিষয় ছিল আফগানিস্তানের পরিস্থিতি. সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশ গুলি উল্লেখ করেছে: আফগানিস্তান যত দ্রুত স্বাধীন ও শান্তিপ্রিয় দেশে পরিণত হবে, ততই দ্রুত এই সমগ্র এলাকা স্থিতিশীল হবে.
রাশিয়ায় উলিয়ানোভস্কের কাছে ন্যাটো জোটের মালপত্র পাঠানোর ট্রানজিট স্থল কাজ করবে রাশিয়ার শুল্ক বিভাগের নিয়ন্ত্রণে. সেখানে উত্তর অ্যাটলান্টিক জোটের কোনো সামরিক বা বেসামরিক কর্মী থাকবে না, বলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ বৃহস্পতিবার বিশকেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনে. সমস্ত কিছু করবে রাশিয়ার শুল্ক বিভাগ এবং রাশিয়ার কোম্পানি, জোর দিয়ে বলেন রাশিয়ার মন্ত্রী.
দিল্লীতে মার্চ মাসের শেষে ১৪টি দেশের বিশেষজ্ঞরা এক হবেন ও যেমন আশা করা হয়েছে যে, তাঁরা “উত্তর – দক্ষিণ” পরিবহন ধমনী তৈরীর প্রকল্পকে সবুজ সঙ্কেত দেবেন. এই বিশাল প্রকল্প ভারতের পশ্চিম সমুদ্র তীরের বন্দরগুলি থেকে ইরানের বন্দর বন্দর-বাস ও ছাবাহার হয়ে – কাস্পিয় সমুদ্র তীরে রাশিয়া অবধি পরিবহনের পথ তৈরী করে দেবে.
১৯৫৭ সালের ৯ই মার্চ মার্কিন কংগ্রেস নিকট ও মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন অবস্থান মজবুত করার জন্য এক পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ করেছিল. এই ডকট্রিন যৌথ ভাবে কংগ্রেসের কাছে প্রস্তাব করেছিলেন তত্কালীন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডুয়াইট আইসেনহাওয়ার ও পররাষ্ট্র সচিব জন ফস্টার ডালাস.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
জানুয়ারী 2012
ঘটনার সূচী
জানুয়ারী 2012
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31