×
South Asian Languages:
সন্ত্রাস, এপ্রিল 2011
রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ মারাকেশে সন্ত্রাসের নিন্দে করেছে. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা সমস্ত রাষ্ট্রকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে গ্যারান্টিকৃতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত্, যা আন্তর্জাতিক বিধানের সাথে সুসঙ্গত হবে, জানানো হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেস-সার্ভিসে. মরোক্কোর এই বড় শহরের কেন্দ্রীয় স্কোয়ারে জনপ্রিয় কাফে-তে বিস্ফোরণের ফলে মারা গেছে, বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ১৪ থেকে ১৮ জন.
অ্যাপল কর্পোরেশনকে আবার আই ফোন ও আই প্যাড স্লেট কম্পিউটার ব্যবহারকারী লোকেদের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার কারণে অভিযুক্ত করা হয়েছে. ব্রিটেনের বিশেষজ্ঞরা বুঝে গিয়েছেন যে, এই ধরনের যন্ত্র স্মৃতিতে সেগুলির মালিকদের চলাফেরা সম্বন্ধে খুবই খুঁটিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ও তা জমা করে রাখে. প্রসঙ্গতঃ ব্যবহার যাঁরা করেন, তাঁরা এই ধরনের গোয়েন্দাগিরি সম্বন্ধে কোন রকম ভাবে অনুমানই করতে পারেন না.
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সমস্ত দেশকে একত্রে পারমানবিক সন্ত্রাসের মোকাবিলা করার আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত বহাল করেছে. এই দলিল তৈরী করার কাজে সাতটি দেশ অংশ নিয়েছে, তার মধ্যে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে. এই দলিলে বিশেষ কমিটিকে আরও দশ বছর কাজ করার মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা কালো বাজার কে লক্ষ্যে রাখে ও সেখানে গণহত্যার অস্ত্র আসাকে নিরোধ করে.
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চল – বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র বিন্দু. ইস্লামাবাদে এ মত প্রকাশ করেছেন উচ্চপদস্থ মার্কিনী সামরিক অধিনায়ক অ্যাডমিরাল মাইকেল ম্যাল্লেন. তিনি বলেন যে, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে বহু সংখ্যক সন্ত্রাসবাদী দল. তা ওয়াশিংটনে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ জাগাচ্ছে, উল্লেখ করেন ম্যাল্লেন. তাঁর কথায়, পাকিস্তানের ঐক্যবদ্ধ গোয়েন্দা বিভাগ “আই.এস.
রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ “ পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদী ক্রিয়া নিবারণের জন্য মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণের ” আহ্বান জানানো সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে. এ দলিলের প্রণেতা হল রাশিয়া সহ সাতটি দেশ. এ সিদ্ধান্ত ১০ বছর প্রলম্বিত করে বিশেষ কমিটির ম্যান্ডেট, যে কমিটি ব্যাপক নরহত্যার অস্ত্রের স্থানান্তরণ নিয়ন্ত্রণ করে. সর্বপ্রথমে এ বিন্যাস কালো বাজারের প্রতিরোধ সুনিশ্চিত করে, যেখানে এমন অস্ত্র আসতে পারে.
ভিক্তর বুতের প্রতিবাদীরা প্রথম আর্জি পেশ করেছে, যাতে মার্কিন য়ুক্তরাষ্ট্রে তার বিচার সম্পর্কে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে. অভিশংসক দপ্তরের হাতে এর উত্তর দেওয়ার জন্য দু সপ্তাহ সময় আছে. বুতকে গ্রেপ্তার করা হয় ব্যাংককে, ২০০৮ সালের মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে এবং আমেরিকার হাতে তাকে সমর্পন করা হয় ২০১০ সালের নভেম্বরে.
বেলোরুশিয়ার মিলিশিয়া (পুলিশ) বিগত কয়েক দিনে বজেয়াপ্ত করেছে ১৫০টিরও বেশি বিস্ফোরক সরঞ্জাম, ১৭৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রায় ১০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বস্তু. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন প্রজাতন্ত্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাতোলি কুলেশোভ. তাঁর কথায়, “বেআইনী অস্ত্র রাখার অভিযোগে বেশ কিছু ফৌজদারী মামলা ইতিমধ্যে রুজু করা হয়েছে”. মিনস্কের মেট্রোতে বিস্ফোরণের পর পরই বেলোরুশিয়ার রাষ্ট্রপতি আলেক্সান্দর লুকাশেনকো বেআইনীভাবে রাখা অস্ত্র বজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন.
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ তাঁর প্রধান কাজ হিসাবে ভারত – পাকিস্তান সম্পর্ক স্বাভাবিক করাকে আখ্যা দিয়েছেন. তিনি বলেছেন – "আমার পদত্যাগ করার আগে, আমি মনে করবো যে, আমার কাজ ভাল করে করা হয়েছে, যদি ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে". বিষয়টিকে বিশদ করেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.
"নিজাভিসিমায়া গাজেতা" (স্বাধীন সংবাদপত্র) আজ লিখেছে যে, লিবিয়ার অস্থায়ী সরকারের প্রতিনিধি মাহমুদ আওয়াদ শাম্মাম মুহম্মর গাদ্দাফির বিরোধী পক্ষের কাছে অস্ত্রের অভাব বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন. তাঁর কথামতো, মুহম্মর গাদ্দাফির প্রশাসন "রাশিয়ায় তৈরী সর্বাধুনিক অস্ত্র" সরবরাহ পেয়ে চলেছে.
বেলোরুশিয়া রাশিয়ার কাছ থেকে যেকোনো সাহায্য ও সহায়তার আশা করতে পারে মিনস্কের মেট্রোতে বিস্ফোরণের তদন্তে. এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে তারবার্তায়, যা রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন পাঠিয়েছেন বেলোরুশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিয়াসনিকোভিচকে. তারবার্তায় বলা হয়েছে, “রাশিয়ার সরকার ও ব্যক্তিগতভাবে নিজের তরফ থেকে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি মিনস্কের মেট্রোতে বিস্ফোরণ উপলক্ষে, যার ফলে বেশ কিছু লোক নিহত হয়েছে.
তদন্ত মিনস্কের মেট্রোতে সবচেয়ে সম্ভাব্য বিস্ফোরণ-সাধককে নিরূপণ করা হয়েছে, এ বিস্ফোরণের ফলে ১২ জন নিহত হয়. তার অনুসন্ধান করা হচ্ছে, জানানো হয়েছে বেলোরুশিয়ার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিভাগে. বিস্ফোরণ উপলক্ষে ফৌজদারী মামলা রুজু করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ ধারায়. রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে প্রজাতান্ত্রিক বিশেষ কর্ম-দপ্তর গঠন করা হয়েছে.
মিনস্ক শহরের বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালযের দপ্তর থেকে প্রতিনিধি জানিয়েছে যে, সোমবারে সন্ধ্যায় মেট্রোতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে. কারণ এথনও বোধগম্য নয়, দূর্ঘটনাস্থলে ত্রাণ কর্মীদের পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন.    এছাড়া বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয় থেকে খবরের সমর্থন করে বলা হয়েছে যে. অক্টোবরস্কায়া মেট্রো স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ও আহত হয়েছেন. আপাততঃ অকূস্থল থেকে নানা রকমের পরস্পর বিরোধী খবর পাওয়া যাচ্ছে.
লিবিয়ার সরকার আফ্রিকা সংঘের প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবিত দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছে. এই সম্বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি মধ্যস্থতা সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলের একজন হিসাবে ঘোষণা করেছেন. রবিবারে জুমা ও তাঁর সঙ্গে একসাথে মাউরিটাস, মালী ও কঙ্গোর রাষ্ট্রপতিরা ত্রিপোলি শহরে লিবিয়ার নেতা মুহম্মর গাদ্দাফির সঙ্গে দেখা করেছেন.
পশ্চিমের জোটের লিবিয়ায় সামরিক অপারেশনের দ্বিতীয় সারিতে গৌণ ভূমিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছা অবসর ও লিবিয়ার সমস্যা সমাধানে সমস্ত পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগের সক্রিয়তা বৃদ্ধি দিয়ে হোয়াইট হাউসের দেশকে আবার করে একটি ঝুঁকি সমেত খুবই অস্পষ্ট ভবিষ্যতের অপারেশনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনিচ্ছা স্পষ্টই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে.
লিবিয়ার প্রশাসন এখন আলোচনা করতে প্রস্তুত. গাদ্দাফি প্রশাসনের সরকারি প্রতিনিধি মুসা ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন যে, ত্রিপোলি রাজনৈতিক কাঠামোর সংশোধন করতে রাজী. কিন্তু এই খবরে গাদ্দাফির বিরোধী পক্ষের মানসিকতা পরিবর্তনে কোন উত্সাহের জোয়ার আনতে পারে নি. এই বিরোধের সমাধানের জন্য মুহম্মর গাদ্দাফির পক্ষের লোকেদের প্রস্তাব "বিশ্বাস উত্পাদন করে না".
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোরান পোড়ানো আফগানিস্তানকে বিস্ফোরিত করেছে. "আমেরিকা মুর্দাবাদ!", "ওবামা মুর্দাবাদ!" স্লোগান দিয়ে আমেরিকা বিরোধী মিছিল হয়েছে আফগানিস্তানের দশটি রাজ্যে. শুক্রবারে মাজারি শারীফে মিছিল শুরু হয়েছিল. সেখানে আমেরিকার কোন রাজদূতাবাস বা প্রতিনিধি দপ্তর নেই, তাই রাষ্ট্রসংঘের দপ্তরের উপরেই মিছিল আক্রমণ করেছিল. সাতজন কর্মী খুন হয়েছেন. আহতদের মধ্যে দপ্তরের প্রধান রাশিয়ার পাভেল এরশভ আছেন.
লিবিয়াতে যে আজ দুই সপ্তাহ ধরে বোমা বর্ষণ হয়ে চলেছে, তা পশ্চিমের জোটের মধ্যে সঙ্কটকে প্রকট করে তুলেছে. তাদের পক্ষে গাদ্দাফির প্রশাসনের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে দাবিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় নি, যারা এখনও সমস্ত বিদ্রোহী যোদ্ধাদের দখল করা জায়গা থেকে তাড়িয়ে চলেছে.
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদ, যিনি আজ রয়েছেন, তাঁর পদে যোগ্য প্রার্থী নেই. দেশে সংগঠিত কোন বিরোধী পক্ষও নেই – সুতরাং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন লিবিয়ার মত উত্তাল হবে না. প্রতিবেশী আরব দেশগুলি থেকে প্রতিবাদের ঢেউ এসে আছড়ে পড়া সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে বেশীর ভাগ রাজনীতিবিদই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন.
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011
2
3
6
8
9
10
13
14
16
17
20
23
24
25
26
27
28
30