×
South Asian Languages:
রাশিয়ার মুখ, ডিসেম্বর 2013

আজ জীবনের পঁচানব্বইতম বছরে পরলোকে গিয়েছেন গুলি করার অস্ত্র নির্মাণের এক বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব মিখাইল তিমোফিয়েভিচ কালাশনিকভ, বিশ্বের সবচেয়ে অধিক প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় বন্দুকের স্রষ্টা. বিশ্বের একশটিরও বেশী দেশের সামরিক বাহিনীতে তাঁর নির্মিত “একে-৪৭” মডেলের কালাশনিকভ অস্ত্র আজ ব্যবহার করা হচ্ছে.

আজ কালাশনিকভের নাম বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত. তিনি এক কিংবদন্তী পুরুষ, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মতো বহু রাষ্ট্রের বিজ্ঞান একাডেমী ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁকে সম্মানিত সদস্য পদ দেওয়া হয়েছিল. বিংশ শতকের সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কারের মধ্যে তাঁর সৃষ্ট স্বয়ংক্রিয় বন্দুক রয়েছে.

 

অটোম্যাটিক রাইফেল নির্মাণের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ব্যাক্তিত্ব মিখাইল কালাশনিকভ প্রয়াত.

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবারে বাত্সরিক “বৃহত্” সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেছিলেন রাশিয়ার অর্থনীতির অবস্থার বর্ণনা দিয়ে. রাষ্ট্রপতির কথামতো, ২০১৩ সালে দেশের গড় বাত্সরিক উত্পাদনের বৃদ্ধি হবে ১, ৪ থেকে ১, ৫ শতাংশ, আর মূল্যবৃদ্ধি বাত্সরিক হিসাবে শতকরা ৬, ১ শতাংশ হতে চলেছে. একই সঙ্গে রুশী জনগনের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে গড়ে শতকরা ৫, ৫ শতাংশ. রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে মন্দার মূল কারণ আভ্যন্তরীণ, বাইরের বিশ্বের জন্য নয়, যদিও অর্থনীতি নিজের উপরে বিশ্ব অর্থনীতিতে সামগ্রিক মন্দার প্রভাব অনুভব করতে পেরেছে.

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আরও একবার রাশিয়ার জনগনের নির্বাচনে বছরের সেরা ব্যক্তি হয়েছেন, তিনি ১৯৯৯ সাল থেকেই জনপ্রিয়তার শিখরে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সামাজিক মতামত তহবিল.

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আজ দেশের সংবিধানের বিংশতিতম জয়ন্তী দিবসে জাতীয় সভার উদ্দেশ্যে তাঁর দশম বাত্সরিক ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি এই বছর ও আগামী বছরের জন্য দেশের আভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন. প্রায় এক ঘন্টার সামান্য বেশী সময় ধরে চলা এই ভাষণের মূল অংশে রাষ্ট্রপতি বেশীর ভাগ সময় ধরে দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বলেছেন আর মিনিট দশেক সময় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিষয়ে ও সেখানে মুখ্য প্রশ্নগুলোকে নিয়ে রুশ প্রজাতন্ত্রের অবস্থান স্পষ্ট করেই উল্লেখ করেছেন.

পুতিনের বক্তব্যের বিষয়গুলিকে এখানে আমরা বিষয় অনুযায়ী ভাগ করে দিয়েছি.

রাশিয়ার তেরঙ্গা পতাকা ১১ই ডিসেম্বর পুনর্জন্মের পরে বিংশতিতম জয়ন্তী পালন করছে. সব মিলিয়ে রাশিয়ার তেরঙ্গা জাতীয় প্রতীকের ইতিহাস শুরু হয়েছিল সেই সপ্তদশ শতকের শেষ থেকে.

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পতাকা সংক্রান্ত ধারা ১১ই ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করেছিলেন রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলতসিন. সেই নির্দেশ অনুযায়ী দেশের সরকারি প্রতীক হয়েছিল সাদা-নীল-লাল রঙের পতাকা. তা বদলে দিয়েছিল সেই লাল পতাকা, যা সামনে নিয়ে তার আগের সত্তর বছর ধরে সোভিয়েত সমাজবাদী প্রজাতন্ত্রগুলির সংঘ বিশ্বে পরিচিত হয়েছিল. সেই জটিল সময়ে তেরঙ্গা পতাকা গ্রহণ করা একেবারেই হঠাত্ করে করা হয় নি, এই রকম বিশ্বাস নিয়ে ঐতিহাসিক সম্ভাবনা তহবিলের বিশেষজ্ঞ পাভেল স্ভিয়াতেনকভ বলেছেন:

জিনের মধ্যে থাকা উচ্চ স্তরের বিবেক সংক্রান্ত মূল্যবোধ রুশ জনগনের বীরত্বের ভিত্তি – এই কথা বলেছেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ক্রেমলিনে দেশের বীর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে.

“আমরা সেই সমস্ত লোকদের আজ সম্বর্ধনা দিচ্ছি, যাঁরা সামরিক কাজকর্মে বিশেষ করে পার্থক্য দেখাতে পেরেছেন, যারা রাশিয়ার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য খুবই বড় রকমের অবদান রেখেছেন, পুরুষোচিত কর্মের মাধ্যমে”, - বলেছেন পুতিন. এই অনুষ্ঠানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের প্রতি পুতিন বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁদের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার হল লড়াই করতে পারা, সৃষ্টি করতে পারা ও রাশিয়ার জন্যেই কাজ করতে পারা.

১২ই ডিসেম্বর রাশিয়ার সংবিধান দিবসে রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন রাষ্ট্রীয় সভার প্রতি তাঁর বাণী নিয়ে ভাষণ দেবেন. ত্রয়োদশ বাত্সরিক রাষ্ট্রপ্রধানের ভাষণ, দেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃ বৃন্দের প্রতি উদ্দেশ্য করে দেওয়া হল, প্রকাশ্যে চলে যাওয়া বছরের একটি খতিয়ান দেওয়া ও তারই সঙ্গে আসন্ন বছরের জন্য কর্মসূচী স্থির করা. কিন্তু এবারে রাষ্ট্রপতি সাবধান করে দিয়েছেন যে, উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনে আরও দীর্ঘ সময়ের উপযুক্ত কর্মসূচী প্রকাশ করবেন.

রাশিয়াতে ইওটাফোন নামের স্মার্টফোন বিক্রী হওয়া শুরু হয়েছে. এটা রাশিয়াতে তৈরী এক অনন্য প্রকল্প. এর প্রধান বিশেষত্ব হল – দুটো স্ক্রীণ. বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই ইওটাফোন বিশ্বের ইলেকট্রনিক পণ্যের বাজারে রাশিয়ার এক বিরাট দূরত্ব অতিক্রমের সাক্ষ্য বলে স্বীকার করেছেন.

ইওটাফোন মানুষের মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করে দিয়েছে. তাতে দুটো স্ক্রীণ রয়েছে. সামনের দিকে- অভ্যস্ত রঙীণ সেন্সর সমেত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে. যার ডায়াগোনাল ৪, ৩ ইঞ্চি. দ্বিতীয়, ফোনের পিছন দিকে একই সাইজের একটা সাদা-কালো ডিসপ্লে, তথাকথিত ইলেকট্রনিক ইঙ্ক ডিসপ্লে, খুবই ইকনমিক্যাল. তাই এই গ্যাজেট সবসময়েই চালু থাকতে পারে, যার ফলে ব্যবহারকারীরা মূল টেলিফোন চালু না করেই খবরাখবরের দিকে নজর রাখতে পারবেন, এই কথা “রেডিও রাশিয়াকে” উল্লেখ করে এই টেলিফোন যারা পরিকল্পনা করেছেন, সেই ইওটা ডিভাইসেস কোম্পানীর জেনারেল ডিরেক্টর, ভ্লাদ মার্তীনভ বলেছেন:

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
ডিসেম্বর 2013
ঘটনার সূচী
ডিসেম্বর 2013
1
2
3
4
6
7
8
13
14
15
17
18
20
21
22
24
25
26
27
28
29
30
31