×
South Asian Languages:
রাশিয়া, 12 এপ্রিল 2011
রাশিয়া ও চিনের আর্থ – রাজনৈতিক সমীকরণ, উত্তর আফ্রিকায় সংঘর্ষের সমাধান, প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক ও দেশের ভবিষ্যত. এই গুলি ও আরও নানা বিষয়ে চিনের কেন্দ্রীয় টেলিভিশনের সাংবাদিকদের কাছে তাঁর চিনের হাইনান শহরে ব্রিকস (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) সংস্থার শীর্ষবৈঠক উপলক্ষে সফরের প্রাক্কালে রুশ রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ কথা বলেছেন.
জাপানের পরিস্থিতি এবং উত্তর আফ্রিকার ঘটনাবলি “ব্রিক্স” (ব্রেজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র) শীর্ষ সাক্ষাতে প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে. তা এ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে চীনের সানিয়া শহরে. এ সম্বন্ধে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহকারী আর্কাদি দ্ভরকোভিচ. পাঁচটি রাষ্ট্রের নেতারা, বিশেষ করে, আলোচনা করবেন জাপানে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা.
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ মানবচালিত মহাকাশযাত্রার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিকাশের জন্য নিজের নির্দেশনামা অনুযায়ী “মহাকাশের আত্তীকরণে অবদানের জন্য” পদকে ভূষিত করেছেন বড় একদল বিদেশী মহাকাশচারীকে, যাঁদের মধ্যে ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মাও ছিলেন. তিনি ১৯৮৪ সালে সোভিয়েত-ভারত মহাকাশচারী-দলে “সোয়ুজ তে-১১” মহাকাশযানে  মহাকাশযাত্রা করেন.  
ইউরি গাগারিনের মহাকাশযাত্রার ৫০তম জয়ন্তী বার্ষিকী গ্রেট-বৃটেনে পালিত হচ্ছে গাগারিন সম্বন্ধে নতুন চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে, প্রদর্শনী আয়োজন করে, গোল-টেবিল বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সাথে ভিডিও-সেতুর ব্যবস্থা করে. ১২ই এপ্রিল “প্রথম কক্ষপথ” নামে চলচ্চিত্রটি দেখানো হচ্ছে ৬০টিরও বেশি দেশে ৭০০টি জায়গায়, আর তাছাড়া “ইউ-টিউব” ইন্টারনেট-পোর্টালে.
১২ই এপ্রিল সারা বিশ্বের রেডিও তরঙ্গের শ্রোতারা মহাকাশ থেকে ইউরি গাগারীনের কন্ঠস্বর নিজেদের যন্ত্রে শুনতে পাচ্ছেন. ঐতিহাসিক ধ্বণির রেকর্ডিং ও তার মধ্য গাগারীনের বিশ্ব বিখ্যাত "চলো যাই!" পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে ছোট উপগ্রহ "কেদর" সম্প্রচার করছে. এই উপগ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারীর পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের সাঙ্কেতিক নাম থেকে.
রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ সোমালির উপকূলের কাছে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকে বড় একটি পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন তত্সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছেন.
১২ ই এপ্রিল ১৯৬১ সাল – আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে – সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গাগারীন ইতিহাসের নতুন পাতা উল্টেছেন, তিনিই বিশ্বে প্রথম মহাকাশে পাইলট চালিত উড়ান করেছিলেন. এই যুগান্তরের ঘটনা মানবেতিহাসে মহাকাশ যুগের শুরু ঘোষণা করেছিল, মহাকাশ ও মানুষ এই গবেষণার সম্পূর্ণ একটি দিকের উন্নয়ন করেছিল, নতুন প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্ভব হয়েছিল.
সারা পৃথিবীতে ইউরি গাগারিনের মহাকাশযাত্রার ৫০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে. কক্ষপথে যাওয়া প্রথম মানুষ ছিলেন এই মহাকাশচারী. ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে গাগারিন-কে নিয়ে সফলভাবে রওনা হয় “ভস্তোক” মহাকাশযান. ১০৮ মিনিটে তা পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে. কয়েক ঘন্টার মধ্যে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে প্রথম সোভিয়েত মহাকাশচারীর নাম.
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011