×
South Asian Languages:
রাজনীতি 26 জুলাই 2011
ভারত প্রায় ১০০০ কোটি ডলার মূল্যের ১২৬টি ফাইটার বিমানের যে ফরমাশ প্রস্তুত করা হচ্ছে তাতে আরও ৬৩টি ফাইটার বিমান যোগ করার কথা ভাবছে. এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার জানিয়েছে ভারতের “টাইমস অফ ইন্ডিয়া” পত্রিকা. সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে দুটি মুখ্য প্রতিরক্ষা- কর্মসূচির সময় মতো বাস্তবায়নের উপর. প্রথম কর্মসূচি– পঞ্চম প্রজন্মের “পাক-ফা” মার্কা রুশ-ভারত ফাইটার বিমানের সৃষ্টি.
ইরান ভারতকে খনিজ তেল সরবরাহ করা বন্ধ করেছে, কারণ এই দেশের ঋণ পাঁচ বিলিয়ন ডলারেরও বেশী হয়েছে. ভারতের একটিও তেলের কোম্পানী, যারা ইরান থেকে খনিজ তেল পাচ্ছিলেন, তাদের বর্তমানে আগামী মাসে (আগষ্ট) সরবরাহ পাওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই. এই বিষয়টি বিশদ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.
পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী আফগানিস্তানের সাথে সীমান্তে কোররাম অঞ্চলে বিগত এক দিনে প্রায় ৩০ জন ইস্লামিক চরমপন্থীকে ধ্বংস করেছে. এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে. জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করছে স্থানীয় স্বেচ্ছাবাহিনী (লশ্কররা), আর্টিলারিও ব্যবহৃত হয়েছে. সঙ্ঘর্ষে নিহত হয়েছে চারজন স্বেচ্ছাসৈনিক. কোররামে চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সামরিক ক্রিয়াকলাপ শুরু হয়েছিল ৪ঠা জুলাই. অভিযানের লক্ষ্য হল "তহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান" দলের জঙ্গীদের যথেষ্ট শক্তি ধ্বংস করা.
ভারত ও পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কূটনীতিজ্ঞরা দু দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন, যা আগামী বুধবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে. বুধবার আলাপ-আলোচনা হবে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এবং তা শান্তি-সংলাপ পুনরারম্ভের প্রতি উত্সর্গীত হবে. ভারত তা স্থগিত রেথেছিল ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসের পরে, যাতে মারা গিয়েছিল ১৬৬ জন. এ আক্রমণে ভারত দোষ দিয়েছিল পাকিস্তানের ভূভাগে লুকিয়ে থাকা জঙ্গীদের.
নরওয়ে দেশের পুলিশ সেই আন্দ্রেস ব্রেইভিক এর সম্ভাব্য সঙ্গী সাথী দের খুঁজছে, যে রাজধানী ওসলো ও ইউটোয়া দ্বীপে রক্তাক্ত মারণ যজ্ঞের আয়োজন করেছিল. চরম দক্ষিণ পন্থী সংগঠন গুলি বর্তমানে ইউরোপে তাড়াহুড়ো করে ঘোষণা করতে শুরু করেছে যে, তাদের এই হত্যাকারীর সঙ্গে কোন সম্বন্ধই নেই.
ইয়েমেনের বিরোধী পক্ষ দেশে পরিস্থিতি মীমাংসার জন্য সংলাপের কাঠামোতে সরকারের দ্বারা প্রস্তাবিত পরিকল্পনা প্রত্যাখান করেছে. বিরোধী পক্ষের শিবিরে জানানো
লিবিয়ার সরকারী বাহিনী রকেট আঘাতের দ্বারা মিসুরাতের বড় একটি পেট্রলের গুদাম পুড়িয়ে দিয়েছে. এ শহর এখন বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীনে রয়েছে, আর গদ্দাফির বিশ্বস্ত বাহিনী কয়েক মাস ধরে তার অবরোধ করছে. ত্রিপোলির ২০০ কিলোমিটার পুবে অবস্থিত লিবিয়ার তৃতীয় বড় বন্দর-শহর মিসুরাত সঙ্ঘর্ষরত উভয় পক্ষের জন্যই রণনৈতিক গুরুত্ব ধারণ করে.
ফ্রান্সের পরে গ্রেট-বৃটেনও ঘোষণা করেছে যে, লিবিয়ার নেতা মুয়ম্মর গদ্দাফি দেশে থাকতে পারে, যদি শাসন ক্ষমতা ত্যাগ করে. বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগের কথায়, তাঁর পক্ষে বাঞ্ছনীয় হত, যদি গদ্দাফি লিবিয়া ছেড়ে যেতেন. তবে, লিবিয়াবাসীদের নিজেদেরই এ সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত্. হেগ এ বিবৃতি দেন লন্ডনে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেন ঝুপ্পে-র সাথে আলাপ-আলোচনার পরে.
ন্যাটো জোটের বিমানবাহিনী লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে হাসপাতালে বোমা বর্ষণ করেছে, জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি. শেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহত হয়েছে ৮ জন, তাদের মধ্যে তিনজন ডাক্তার. বিমান আঘাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খাদ্যদ্রব্য ও ওষুধের ভাণ্ডার. ঐ জায়গায় কাজ করছে পুলিশ এবং উদ্ধারকর্মীদের দল. এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ত্রিপোলিতে পৌঁছোবে রাশিয়ার মানবতাবাদী সাহায্যের পরবর্তী ক্ষেপ.
জুলাই 2011
ঘটনার সূচী
জুলাই 2011