×
South Asian Languages:
রাজনীতি 1 এপ্রিল 2011
বৃহস্পতিবারে ভারতীয় জন গণনার প্রকাশিত ফল হয়েছে ১২০ কোটির বেশী মানুষ. জন সংখ্যা বিশাল – সামাজিক সমস্যার পরিমানও বিশাল, উল্লেখ করে লিখেছেন আমাদের সমীক্ষক গিওর্গি ভানেত্সভ.     ভারতীয় অর্থনীতির লক্ষ্যনীয় সাফল্য স্বত্ত্বেও, দেশের প্রায় একের তৃতীয়াংশ মানুষ সরকারি হিসাবে দারিদ্র সীমার নীচেই বাস করছেন.
রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলি ১২ই এপ্রিল মানুষের মহাকাশযাত্রার আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন. আশা করা হচ্ছে যে, তত্সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে রাশিয়ার উদ্যোগে ৭ই এপ্রিল সাধারণ অ্যাসেম্বলির ৬৫তম অধিবেশনের যে বিশেষ পূর্ণাঙ্গ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, তাতে. প্রাথমিকভাবে এ উদ্যোগ ইতিমধ্যে সমর্থন করেছে ৩০টি দেশ.
ভারত ইরানে সেই সব পণ্যদ্রব্য ও যন্ত্রসজ্জার রপ্তানিতে বাধানিষেধ প্রবর্তন করেছে, যা ঐ দেশে পারমাণবিক কর্মসূচির বিকাশে সহায়তা করতে পারে. সরকারের উত্স থেকে জানানো হয়েছে যে, তত্সংক্রান্ত পরিবর্তন আনা হয়েছে ২০০৯-২০১৪ সালে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যিক নীতির পরিকল্পনায়.
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদ, যিনি আজ রয়েছেন, তাঁর পদে যোগ্য প্রার্থী নেই. দেশে সংগঠিত কোন বিরোধী পক্ষও নেই – সুতরাং সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন লিবিয়ার মত উত্তাল হবে না. প্রতিবেশী আরব দেশগুলি থেকে প্রতিবাদের ঢেউ এসে আছড়ে পড়া সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে বেশীর ভাগ রাজনীতিবিদই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন.
মুয়ম্মর গাদ্দাফি ও বিরোধীপক্ষের মাঝে সঙ্ঘর্ষের শুরু থেকে দেশ ছেড়ে যাওয়া লিবিয়াবাসীদের সংখ্যা ৪ লক্ষে পৌঁছেছে. এ তথ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থীদের ব্যাপার সংক্রান্ত হাই-কমিশনার আন্তোনিউ গুতেরিশ. তিনি উল্লেখ করেন যে, জামাহিরিতে মানবতাবাদী পরিস্থিতি বিপর্যয়ের কাছাকাছি. গুতেরিশের কথায়, এখন মিসুরাত শহরের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আছে বিশ্ব জনসমাজের সাহায্যের, যেখানে হাসপাতালগুলি আহত লোকে পরিপূর্ণ.
লিবিয়ায় মানবতাবাদী সাহায্য দান সংক্রান্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য রাশিয়া ৫ লক্ষ ডলার বরাদ্দ করেছে. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারী প্রতিনিধি আলেক্সান্দর লুকাশেভিচ. তাছাড়া তাঁর কথায়, টিউনিশিয়া ও লিবিয়ার সীমানায় উদ্বাস্তুদের শিবিরে বিপর্যয় নিরসন বিভাগ নিয়মিত পৌঁছে দেয় খাদ্যদ্রব্য, কম্বল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র.
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় মুসলমান ধর্মীয় দপ্তর লিবিয়ায় কোয়ালিশন বাহিনীর সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দে করেছে. এ সংস্থায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ অভিযান বলপ্রয়োগের পরিসর ও রূপের দিক থেকে পূর্ণপরিসরের আগ্রাসনে পরিণত হয়েছে, যার গতিতে লিবিয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে, আর প্রধান বিষয়- এর ফলে শান্তিপূর্ণ অধিবাসীরাও মারা যাচ্ছে.
লিবিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কোয়ালিশনের অন্যান্য দেশের কার্যকলাপ রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী, মনে করেন রাষ্ট্রীয় দুমার আন্তর্জাতিক ব্যাপার সংক্রান্ত কমিটির নেতা কনস্তানতিন কসাচেভ. তাঁর কথায়, শুভ উদ্দেশ্য- মানুষের জীবন রক্ষা- বিকৃত করা হচ্ছে এবং নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে.
এপ্রিল 2011
ঘটনার সূচী
এপ্রিল 2011