১. ১৯৭০ এর দশকে পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের কর্মীদের জন্য উপনগরী তৈরী করা শুরু হয়েছিল. আজ সেখানে রুশী বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে. তাঁদের জন্য কাজ করার ও বিশ্রামের সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে. ফোটোতে - সাংস্কৃতিক কেন্দ্র.

২. আনুষ্ঠানিক পর্বের আগে, যেখানে সরকারি ভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে ও "বুশের" পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রকে সারা দেশের বিদ্যুত ব্যবস্থার সঙ্গে যোগ করার কথা বলা হবে প্রেক্ষাগৃহের ডানদিকে রুশ বিশেষজ্ঞরা ও বাম দিকে ইরানের বিশেষজ্ঞরা (হলুদ – ধূসর ইউনিফর্ম পরে) বসে আছেন.

৩. শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি প্রয়োগ – ইরানের জাতীয় ধারণা. তথ্য কেন্দ্রের (কেন্দ্র থেকে ২০০ মিটার দূরে) বাইরে একটি প্ল্যাকার্ড – যাতে লেখা রয়েছে ইরানের ধর্ম গুরু আয়াতোল্লা আলি হামেনেই এর লেখা: "শান্তিপূর্ণ লক্ষ্যে পারমানবিক শক্তির ব্যবহার – ঐস্লামিক রাষ্ট্রের প্রাথমিক কাজ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার". এখানে দুই জনের ছবি রয়েছে ইরানের ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের নেতা ও নতুন ঐস্লামিক রাষ্ট্রের স্থপতি আয়াতোল্লা রুহল্লা খোমেইনি ও তাঁর বাম দিকে বর্তমানের ধর্ম গুরু আয়াতোল্লা আলি হামেনেই.

৪. ইরানের কেন্দ্রের কর্মীরা শেষ চালু করার প্রস্তুতির আগে একটু বিশ্রাম. পিছনে – পারস্য উপসাগর.

৫. "স্টপ" – রিয়্যাক্টরের কাছে এক চিহ্ন. কেন্দ্রে যাওয়ার অধিকার রয়েছে শুধু এই কেন্দ্রের প্রধান কর্মীদেরই.

৬. ইরানের এক কর্মী সেই জায়গার ছায়াতে দাঁড়িয়ে – যেখানে রাশিয়া থেকে নিয়ে যাওয়া ও কেন্দ্রে ব্যবহার হওয়া যন্ত্রপাতি রয়েছে.

৭. ইরানের লোকেরা নিজেদের প্রিয় পরিবহনের যন্ত্রের সঙ্গে এখানেও উপস্থিত – মোটর সাইকেল – এই কেন্দ্রের ভিতরেও তা প্রচুর.

৮. এই কেন্দ্রে ও নিকটবর্তী এলাকাতে নিয়ম শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, সেনা ও তার সঙ্গে "নিরাপত্তা ও প্রহরা পরিষেবার" কর্মীরাও রয়েছেন, ফোটোতে: একজন প্রহরী.

৯. গরমের কথা না ভেবেও এই পারমানবিক কেন্দ্রে কাজ চলছে রুটিন মেনেই. ইরানের লোকেরাই বলে থাকেন: "এই কেন্দ্র ভূমিকম্প না হওয়ার মতো জায়গাতেই আছে, আর এটাই সব থেকে মূল কথা. আর গরমের সঙ্গে আমরা মানিয়ে নিতে পারবো. যদিও বুশের শহরে বছরে তিন মাস গরম কাল, আর বাকী সময় নরক কুণ্ড". উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস.

১০. "রেডিও রাশিয়ার" সাংবাদিক ইভান জাখারভ এই কেন্দ্রের কাছে. "বুশের" কেন্দ্র চালু হতে অল্প কয়েক ঘন্টাই বাকী.

১১. এই স্টেশনের আগে ছবি ও ভিডিও তোলার চত্বর.

১২. অনেকের মতে, বুশের পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র বাইরে থেকে মসজিদের মত দেখায় আর সেই জায়গা, যেখানে রিয়্যাক্টর রয়েছে, তা অনেকটা প্রার্থনার জায়গার মতই...

১৩. ... আর এর চিমনি – মিনারের মত.

১৪. বুশের পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র রাশিয়ার অ্যাটমস্ত্রোইএক্সপোর্ট কোম্পানী, যারা এই কেন্দ্র তৈরী করেছেন, তারা নাম দিয়েছেন "মরুভূমিতে সফেদ সূর্য". এই কেন্দ্রের নকসা জার্মানীর বিশেষজ্ঞরাই বানিয়ে ছিলেন.

১৫. বিদেশী সংবাদ মাধ্যমের জন্য, তার মধ্যে রাশিয়ার সংবাদ মাধ্যমের জন্যও, "বুশের" কেন্দ্রে প্রবেশের বিশেষ পাস দেওয়া হয়েছে পাসপোর্ট জমা রেখে তবেই. বহুবার যন্ত্রপাতির পরীক্ষা ও সাংবাদিকদের নিজেদের জিনিসপত্র খুঁজে দেখা হয়েছে এর থেকে বোঝা যায় যে, "বুশের" খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা.

১৬. –

১৭. আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময়ে রাশিয়ার রসঅ্যাটম সংস্থার প্রধান সের্গেই কিরিয়েঙ্কো ঘোষণা করছেন: "আজ, এই "বুশের" পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র উদ্বোধন দিয়েই রুশ ইরান সহযোগিতা শেষ হয়ে যাচ্ছে না..."

১৮. রাশিয়ার জ্বালানী শক্তি মন্ত্রী সের্গেই শ্মাতকো: "রুশ প্রজাতন্ত্রের উপরে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে প্রথম ইরানের পারমানবিক কেন্দ্র তৈরীর. এই প্রসঙ্গে এক সারি প্রযুক্তি গত ভাবে উদ্ভাবনী প্রয়োগ করা হয়েছে, রাশিয়া দেখিয়ে দিয়েছে নিজেদের জ্বালানী শক্তি সংক্রান্ত শিক্ষার উন্নতি. আমি খুবই বিশ্বাস করি যে, রাশিয়া ও ইরানের পারমানবিক কর্মীদের দল – এটা আমাদের দুই দেশেরই গর্বের বিষয়. বুশের কেন্দ্র – এটা স্ট্র্যাটেজিক ভাবে সহযোগী দেশ ও সত্যিকারের সহকর্মী দেশের মধ্যে কি করে সম্পর্ক তৈরী হতে পারে, তার প্রমাণ".

১৯. বুশের পারমানবিক কেন্দ্রের ইরানের তরফ থেকে প্রধান এঞ্জিনিয়ার ডঃ আখমাদিয়ান: "রাশিয়াকে ধন্যবাদ এই কেন্দ্র তৈরী করে দেওয়ার জন্য".