১. এই বছরে বিশ্ব বিখ্যাত "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" (রুশ বীর) নামের যুদ্ধ বিমান চালকদের দলের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে.

২. "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দলের পাইলটেরা চতুর্থ প্রজন্মের এস ইউ – ২৭ যুদ্ধ বিমান দিয়ে তাদের কৌশল প্রদর্শন করে থাকেন আর তাঁরাই হলেন বিশ্বের একমাত্র চালক দল, যাঁরা একক ও দলগত ভাবে সর্ব্বোচ্চ কৌশলের চালনা এই শ্রেনীর বিমানে দেখাতে পারেন.

৩. ফোটোতে: সেন্ট পিটার্সবার্গের আন্তর্জাতিক সামরিক নৌবাহিনীর প্রদর্শনী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এস ইউ – ২৭ বিমান বাহিনী সহ "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দলের চালনা প্রদর্শন.

৪. "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দল পাঁচটি এস ইউ – ২৭ বিমান নিয়ে "স্ত্রিঝি" (মার্টিন নামের এক ধরনের দ্রুত উড়তে পারে এমন পাখী) দলের চারটি মিগ – ২৯ বিমানের সঙ্গে একসাথে "বড় নবম" নামের এক বিশেষ উড়ান প্রদর্শনী করে থাকে.

৫. ফোটোতে: "কুবিনকা" নামের বিমান বন্দরে "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" ও "স্ত্রিঝি" দলের বিমানের মহড়ায়.

৬. "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দল তাদের এই বিশ বছরের অস্তিত্বের মধ্যে ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানী, সুইডেন, বেলজিয়াম, ইতালি, মালয়েশিয়া, যেখানে সর্ব্বোচ্চ কৌশলের উড়ানের উদাহরণ দেখিয়ে তাঁরা রুশ বিমান নির্মাণের অগ্রগতি ও সাফল্যের প্রদর্শন করেছেন.

৭. ফোটোতে: "কুবিনকা" বিমানবন্দরে মহড়ার পরে "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দলের চালকেরা.

৮. "মাক্স – ২০০৭" নামের বিমান প্রদর্শনীতে ইতিহাসে প্রথমবার "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" ও "স্ত্রিঝি" দলের বিমান চালকেরা সর্ব্বোচ্চ কৌশলের প্রদর্শনী হিসাবে আকাশে বিমান দিয়ে "ব্যারেল" আকৃতি করে আকাশে "বিশাল হীরা" নামের আকৃতি দেখাতে পেরেছিলেন. এর আগে বিশ্বের কোন বিমান চালক দলের পক্ষেই এই ধরনের আকৃতি আকাশে তৈরী করতে পারা সম্ভব হয় নি.

৯. ফোটোতে "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" দলের চালক এস ইউ – ২৭ বিমানের পাইলটের আসনে.

১০. ফোটোতে: মহান পিতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধের ৬৫ তম জয়ন্তী উত্সবের দিনে মস্কোর রেড স্কোয়ারের উপর দিয়ে উড়ে চলা "রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজি" ও "স্ত্রিঝি" দলের এস ইউ – ২৭ ও মিগ – ২৯ বিমান.