১. রাশিয়ার টেলিভিশনে ২০১৪ সালে সোচীতে অনুষ্ঠিতব্য শীত অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিক গেমসের প্রতীক চিহ্নের সম্ভাব্য রূপ গুলিকে দেখানো হয়েছে সাড়ম্বরে.

২. এর আগে বিশেষজ্ঞ পরিষদ ১৩টি প্রতীকের ধারণা বেছে নিয়েছেন, দশটি অলিম্পিকের জন্য তিনটি প্যারা অলিম্পিকের জন্য. ২৬ শে ফেব্রুয়ারী গণ ভোটে ঠিক হবে কোন দুটি বিজয়ী.

৩. সোচী অলিম্পিকের প্রতীক যেন রুশ সংস্কৃতির বিশেষ রূপ টিকে বিশ্বের বহু দেশের বহু সংস্কৃতির নানা পেশা ও বয়সের লোকের কাছে পৌঁছে দিতে পারে.

৪. ডিসেম্বর মাসে এই ১৩টি প্রতীক বাছা হয়েছিল প্রথম দফায়, তাতে সকলেই, যারা চেয়েছিলেন, অংশ নিয়েছিলেন.

৫. ২৪ হাজারেরও বেশী নানা রকমের ধারণার মধ্যে থেকে সবচেয়ে বেশী বার যেগুলি ছিল, তাদের নিয়ে আলাদা দল তৈরী করেছেন বিশেষজ্ঞরা.

৬. শেষ দফাতে যে গুলি পৌঁছেছে, তারা হল দশটি চরিত্র – খরগোস, ডলফিন, কালো ভল্লুক, সাদা ভল্লুক, ময়না পাখী, চিতা বাঘ, বরফ কণা, তুষার কণা, সূর্য, মানুষ মাত্রিওশকা ও সান্তা ক্লস.

৭. প্রথমে দর্শকেরা দেখেছেন শ্বেত ভল্লুক কে, সে বলতে চায় তার ঠাণ্ডা লাগে না, কারণ সবসময়েই সে চলছে.

৮. ডলফিন মস্কোর ডলফিন অ্যাকোরিয়াম থেকে যেন সোচী গিয়েছে কৃষ্ণ সাগরের তীরে শীতের খেলাধূলার উন্নতি করতে.

৯. কালো বা খয়েরী ভল্লুক কে দেখানোর আগে একটা ছোট ভিডিও ফিল্ম দেখানো হয়েছে, যেখানে ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকের প্রতীক মিশা নামের খয়েরী ছোট ভল্লুক ছিল, যদিও এবারের ভল্লুক টির সঙ্গে আগের টির মিল কম.

১০. মাত্রিওশকা ধারণা দেখানো হয়েছে চার ভাবে, প্রতি টির আলাদা গুণ আছে – শক্তি, চটপটে হওয়ার ক্ষমতা, লক্ষ্যে স্থির থাকা, বুদ্ধি.

১১. ময়না পাখী বলেছে শীতের বনে গিয়ে খেলা করতে, চিতা বাঘ পাহাড়ী জায়গায় ত্রাণ করেছে, সে আবার স্নো বোর্ড চড়ে চলে, শেষ হয়েছে খরগোস কে দিয়ে, সে কিনা খেলা করতে, গান করতে আর নাচতে ভালবাসে.