২০০৮ সালে মস্কোর আন্তর্জাতিক মোটর গাড়ী প্রদর্শনী দর্শক সংখ্যার হিসাবে বিখ্যাত ডেট্রইট ও জেনেভা শহরের দুটি বাত্সরিক প্রদর্শনীকেই ছাড়িয়ে গিয়েছিল, সেখানে ১৬ লক্ষ লোক এসেছিল. ২০১০ সালে শীতের শেষে ডেট্রইট প্রদর্শনীতে এসেছিল প্রায় সাত লক্ষ লোক, সেই রকমই হয়েছিল জেনেভা শহরের প্রদর্শনীতে লোকসংখ্যা.    দর্শকদের প্রধান মনোযোগ আকর্ষণ করবে বিশ্বের মুখ্য গাড়ী নির্মাতারা. আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী এখানে ৮০টি কোম্পানী ৬০০ টিরও বেশী মডেলের গাড়ী নিয়ে এসেছে. এই প্রদর্শনীতে বিশ্বের ১২টি দেশ অংশ নিয়েছে, তারা হল গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানী, ইরান, ইতালি, চীন, কোরিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, ফ্রান্স, চেখ ও জাপান.    জাপানের নিসান কোম্পানী তাদের নিসান প্যাট্রল নামের গাড়ীটির সপ্তম প্রজন্মের নতুন ও আধুনিক মডেল এখানে প্রথম দেখাচ্ছে.    পোর্শ কোম্পানী তাদের স্পোর্টস কার পোর্শ ৯১১ জিটি২আরএস – নামের কোম্পানীর ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী গাড়ী এখানে এনেছে. এই গাড়ীর মোটরের শক্তি ৬২০ হর্স পাওয়ার, সাড়ে তিন সেকেন্ডে ১০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছতে পারে, আর ২০০ ও ৩০০ কিলোমিটার গতি অর্জনের জন্য লাগে যথাক্রমে ৯, ৮ ও ২৮, ৯ সেকেন্ড. গাড়ীটির সর্বাধিক গতি ৩৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়.    ক্রোকুস এক্সপো তে আয়োজিত তৃতীয় মস্কো আন্তর্জাতিক মোটর গাড়ী প্রদর্শনী ২০১০ এ রাশিয়ার অটোভাজ কোম্পানী লাদা প্রিওরা ও কালিনা নামের গাড়ী গুলিতে গ্লোনাসস- জিপিএস দিক নির্দেশ ব্যবস্থা জুড়ে দেখাচ্ছে.    ইনফিনিটি এসেন্স নামের গাড়ীও এই প্রদর্শনীতে আছে    এখানে সিত্রোয়েন জি টি নামের গাড়ীও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে.