উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত এলাকার সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ ভাবেই যুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে, যাতে যারাই পালানোর চেষ্টা করবে, তাদের সকলকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়. সীমান্তে ২৪ ঘন্টা নজর রাখা হচ্ছে. তাছাড়া, উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন চিনে নিজেদের এজেন্টদের পাঠিয়েছে, যারা চিনের পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করে চিনের ভেতরে কোরিয়ার পলাতক নাগরিকদের খুঁজবে. শীতকালে বিশাল সংখ্যায় উত্তর কোরিয়া থেকে মানুষ পালিয়ে চিনে চলে যায়, তুমানগান ও আম্নোক্কান নদীর বরফের উপর দিয়ে হেঁটে পার হয়ে.