প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে, শুনানী হবে ইসলামাবাদে জাতীয় গ্রন্থালয়ের ভবনে, যার চারপাশে সকাল থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে. জানানো হয়েছিল যে, মুশরফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে তাঁর রাষ্ট্রপতি পদে থাকা কালে দেশের সংবিধানের কার্যকারিতা থামানো হয়েছিল, এবং তিনি উচ্চপদস্থ বিচারকদের বেআইনীভাবে বরখাস্ত করেছিলেন, সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালতের সভাপতিকেও. পাকিস্তানের সংবিধানের ছয় নম্বর ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি হল আজীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড. তাছাড়া এ ধারা দেশের সরকারকে একান্ত অধিকার দেয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা শুরু করার. মুশরফ পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন ছিলেন ১৯৯৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত.

এই মাত্র বি.বি.সি-র খবর পাওয়া গিয়েছে যে, মুশরফের বিরুদ্ধে মামলা স্থগিত রাখা হয়েছে পয়লা জানুয়ারী পর্যন্ত. এর কারণ হল ইসলামাবাদে জাতীয় গ্রন্থালয়ের ভবনের দিকে রাস্তায় পাঁচ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বস্তু পাওয়া গিয়েছে. মুশরফের উকিল আদালতকে বলেছেন যে, নিরাপত্তার জন্য বিপদের পরিবেশে মামলার শুনানী হতে পারে না.