আগে এ চুক্তি অবরোধ করে রাখা হয়েছিল দূর্নীতির কেলেঙ্কারীর জন্য, মঙ্গলবার লিখেছে “হিন্দু” পত্রিকা. এ চুক্তির মূল্য সাড়ে ১৩ কোটি ডলার. এ রকেটের লক্ষ্যভেদের দূরত্ব প্রায় নয় কিলোমিটার. সরবরাহে দেরির জন্য বর্তমানে নৌবাহিনীর হাতে রয়েছে মাত্র ১৫০টি রকেট. ২০০৬ সালে ভারতের সি.বি.আই এ চুক্তির ক্ষেত্রে দূর্নীতিপরায়ণতার উপাদান পরীক্ষা করা শুরু করে, কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়.তবে, পরে সি.বি.আই ঘোষণা করে যে, তথ্য-প্রমাণের অভাবে তদন্ত বন্ধ করতে চায়. ভারতের প্রচার মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ রকেটে সজ্জিত করা হবে “বিক্রমাদিত্য” বিমানবাহী জাহাজ, যা নভেম্বরে রাশিয়া ভারতকে হস্তান্তর করেছিল, এবং আশা করা হচ্ছে যে, আগামী বছরের গোড়ায় তা ভারতে পৌঁছোবে.