এ নাম দেওয়া হয়েছে রেড-ইন্ডিয়ানদের এক দল-নেতার সম্মানে, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে স্প্যানিস উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেতৃত্ব করেছিলেন. স্পুতনিক কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে চীনের বাহক-রকেটের সাহায্যে. এ প্রক্রিয়া নিরীক্ষণ করেন বোলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি এভো মোরালিস, তিনি এ জন্য বিশেষ করে, পৌঁছোন চীনে. এই টেলি-কমিউনিকেশন স্পুতনিক ক্ষেপণের উদ্দেশ্য হল বোলিভিয়ার ভূভাগে স্পুতনিক যোগাযোগ সার্ভিস দান, টেলি-সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য. এ সব ব্যবস্থা চালু হলে দেশ বছরে আড়াই কোটি ডলারের ব্যয়-সঙ্কোচ করতে পারবে. বোলিভিয়া হল অষ্টম লাতিন আমেরিকার দেশ, কক্ষপথে যার নিজস্ব স্পুতনিক আছে.