খোব্রাগাডে-র তল্লাসী নেওয়া হয়েছিল রাস্তাতেই, তারপর তাঁকে বন্ধ করে রাখা হয় নার্কোটিক আসক্তদের সাথে. কূটনীতিজ্ঞের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, তিনি বাড়িতে কাজের লোকের ভিসা পাওয়ার আবেদন-পত্রে বেতনের অঙ্ক বাড়িয়ে লেখা হয়েছিল. পরে তাঁকে আড়াই লক্ষ ডলারের জমানতে ছাড়া হয়. এ ঘটনা উপলক্ষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতে মার্কিনী রাষ্ট্রদূত ন্যানসি পাউয়েলের কাছে প্রতিবাদ জানায়. ভারতের কর্তৃপক্ষ মার্কিনী কূটনীতিজ্ঞদের কাছে দাবি করেছে তাদের পরিচয়-পত্র জমা দেওয়ার, যা বাস্তবিকপক্ষে এ দেশে কাজ করতে আসা কূটনীতিজ্ঞদের অ্যাক্রেডিটেশন ও স্টেটাসের প্রমাণ দেয়. এ কেলেঙ্কারীর জন্য একসারি ভারতীয় রাজনীতিজ্ঞ নিজেদের মার্কিনী সহকর্মীর সাথে সাক্ষাত্ করতে অস্বীকার করেছেন. জানানো হচ্ছে যে, নয়া-দিল্লিতে মার্কিনী দূতাবাসের চারপাশ থেকে রক্ষা-বেড়া তুলে নেওয়া হয়েছে.