তাঁর মূল্যায়ণ অনুযায়ী রাশিয়া ও ইউক্রেন সক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাজ করতে পারে, নিজেদের অবস্থানকে যোগ সাধনের মাধ্যমে প্রসারিত করতে পারে বিশ্বের মুখ্য সমস্যা গুলিকে নিয়ে, প্রাথমিক ভাবে কৃষ্ণসাগরের সেভাস্তোপোল শহরে ঘাঁটি গেড়ে থাকা রুশ নৌবহরের ভিত্তিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে.

রুশ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি আরও জানিয়েছেন যে, রাশিয়া থেকে ইউক্রেনে বাত্সরিক অর্থ পাঠানোর পরিমাণ ২৩০ কোটি ডলারের সমান ইউক্রেনের অর্থনীতিতে জমে থাকা রুশ বিনিয়োগের পরিমাণ বর্তমানে দেড়শো কোটি ডলারের সমান. পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, রুশ কোম্পানীগুলি সক্রিয়ভাবে ইউক্রেনের অর্থনীতির মূল ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ করছে, তার মধ্যে জ্বালানী শক্তি ক্ষেত্রও রয়েছে, তাছাড়া রাসায়নিক, ধাতু উত্পাদন, যন্ত্র নির্মাণ ক্ষেত্রও রয়েছে. পুতিন মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, রাশিয়া ইউক্রেনের মূল আর্থ-বাণিজ্য সহচর দেশ আর ইউক্রেনের রপ্তানীর শতকরা তিরিশ ভাগের বেশী রাশিয়াতে হয়ে থাকে. এই বিষয়ে তিনি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন রুশ-ইউক্রেন পণ্য বেচা কেনার কারবারে মন্দার দিকে এবং বলেছেন এই পরিস্থিতি পাল্টানো দরকার.

রুশ রাষ্ট্রপ্রধান আরও কয়েকটি যৌথ বড় প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেছেন, যা চলছে পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে, বিমান ও ইঞ্জিন নির্মাণের বিষয়ে, পরিবহনের ক্ষেত্রে, আর তারই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ কারণে মহাকাশ গবেষণার বিষয়ে গত চার বছরের পরিকল্পনার কথাও.